এ জেড হোসেন

লেখাটার মধ্যে যদিও হাসির কথা একটু বেশি আছে তবুও পড়ে কেউ হাসবেন না। স্কুলের বাচ্চার জ্ঞান নিয়েও কিভাবে সর্বজ্ঞানী আল্লার ভুল ধরা যায় সেটার একটা উদাহরণ দেওয়া হচ্ছে। যেহেতু স্কুলের বাচ্চার জ্ঞান তাই আয়াত নম্বর বা প্রেক্ষাপটের কাহিনী দেওয়া হচ্ছেনা। দরকার হলে দেওয়া যাবে।

১) আল্লা বলেছেন – পৃথিবীর উপরিতলকে তিনি বিস্তৃত করেছেন

ছাগলীয় যুক্তিতে এর অর্থ আল্লা পৃথিবীকে গোলক আকৃতির করেছেন। কিন্তু জ্যামিতির প্রমাণিত সত্য হচ্ছে গোলকের উপরিতল হল সবচেয়ে কম। অন্য যেকোনো আকারের বস্তুকে গোলক আকারের করে ফেললে তার উপরিতল সবচেয়ে কম অর্থাৎ সঙ্কুচিত হয়। এখানে আল্লার কথা একেবারেই ভুল বলে প্রমাণিত হয়ে যাচ্ছে।  বাস্তবে- কোনো বস্তুর উপরিতলকে সঙ্কুচিত করেছি বললেই সেটার লজিক্যাল অর্থ দাঁড়ায় বস্তুটিকে গোলক আকারে পরিণত করা।

২) আল্লা আরও বলেছেন- পৃথিবী যাতে হেলে না পড়ে সেজন্য আমি তাতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি

নিখুঁত গোলক আকারের কোনও বস্তুর পক্ষে কোনওদিকে হেলে পড়াটাই এক অসম্ভব কাজ। কিন্তু যদি তার গায়ে কিছু স্থাপন করা হয় তাহলে তার হেলে পড়ার প্রবণতা বাড়ে। পরীক্ষা করতে চাইলে একটা ক্রিকেট বল নিয়ে টেবিলে রাখুন, দেখবেন সেটা কোনোভাবেই হেলে পড়বে না। কিন্তু তার গায়েমাথায় যদি পাহাড় পর্বত স্থাপন করার মত কয়েকটা বস্তু আঠা দিয়ে আটকে দেন তাহলেই দেখবেন বলটা হেলে পড়ছে। অর্থাৎ গোল পৃথিবীর উপর পাহাড় পর্বত স্থাপন করাতে হেলে পড়া আটকানো যায়না, বরং হেলে পড়ায় সাহায্যই করা হয়। এখানেও আল্লার বক্তব্য সরাসরি ভুল প্রমাণিত।

0 Shares

এ জেড হোসেন এর ব্লগ   ৩৪ বার পঠিত