৫৮)  হিচকে চোরদের সবাই চর-থাপ্পর দিয়ে আমরা নিজেদের জাগ্রত দেশপ্রেমিক হিসাবে তুলে ধরি, কিন্তু বৃহৎ চোরদের আমরাই আবার স্যালুট দেই।

 

৫৭)  আমরা বিপ্লব করি আসন্ন শান্তির জন্য; কিন্তু বিপ্লব নিজেই যদি হয় বিপুল মানুষের রক্তপাতের কারণ তবে সে বিপ্লব করার আগে ভেবে দেখা উচিৎ  মানুষের মনোজগতের বিপ্লবের  মাধমে সশস্ত্র বিপ্লব পরিহার করা যায় কিনা।

 

৫৬)  গণজোয়ার গণবিক্ষোবে ফেটে পড়লে সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে অহেতুক রক্তপাতের যেমন সম্ভাবনা থেকে যায়, তেমনি থেকে যায় অপ্রত্যাশিত বিপর্যয়ের।

 

৫৫)  গণজোয়ার কিংবা বিপ্লবে রক্ত ঝরে সাধারণের, লুটেপুটে খাওয়ার ধুম পড়ে মঞ্চ কাঁপানো নেতাদের।

 

৫৪) পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করার নাম করে যুগে যুগে যে অশান্তির দাবানল প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে; সে সব দাবানলের বহ্নি শিখা এখনও দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে লোকালয়ে; মাঝে মাঝে|

 

৫৩)  আমরা বার বার জাগি, রক্তপাতে লিপ্ত হই
       আর আমাদের কাঁধে বন্দুক রেখে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটে যায় ধুরন্ধর;
       মৃতদেহ, ছাই আর বন্দুকের পড়ে থাকে কার্তুজ দেখেই আমরা গিলি তৃপ্তির ঢেঁকুর।

 

৫২)  মহামানবদের মঞ্চে আহ্বান করলে তাঁরা লজ্জা পান;

       কারণ মঞ্চে চিরকাল বাঁদরগণই নাচানাচি করেছে।

 

৫১)  অনেক সময় দেশদ্রোহী বা দেশপ্রেমিক নির্ধারিত হয় যুদ্ধের জয়-পরাজয়ের উপর।

 

৫০)  দেশপ্রেম ও জাতীয়বাদ একটি স্বার্থবাদী চিন্তাধারা;

       আমাদের চিন্তা চেতনায় থাকা উচিত বিশ্ব প্রেম ও মানবতাবাদ।

 

৪৯)  জনগন হল গিনিপিগ; নেতা-নেত্রী ছুরি–কাঁচি হাতে দন্ডায়মান ক্ষমতালিপ্সু ড্রাকুলা। 

 

৪৮)  আন্দোলন অনেকটা কালবৈশাখী ঝড়ের মতো — বেকুবরা গাছের দিকে তাকিয়ে থাকে, আর আম কুড়ায় নেতারুপী ভন্ডরা।

 

৪৭)  মুর্খ আর ব্যক্তিত্যহীন মানুষের সাথে মত বিনিময়ও অনেক সময় বিপদের কারণ হতে পারে|

 

৪৬)  শক্তি বলতে কিছুই নেই, মূলত এক জায়গায় আধিক্য, অন্য জায়গায় অনাধিক্য।

 

৪৫)   সার্টিফিকেট থাকলেই শিক্ষিত হওয়া যায় না; থাকতে হয় জানার ইচ্ছা, প্রয়োগ করার মতো ক্ষমতা।

 

৪৪)  ছোট চোরগণ সমাজে ধিকৃত, বৃহৎ চোরগণ কতৃক সমাজ শাসিত।

 

৪৩)  যুগে যুগে ধর্মের সৃষ্টি হয়েছিলো মানুষকে অদৃষ্টের ভয় দেখিয়ে নিজের সাম্রাজ্য কায়েম করার স্বার্থে, কখনও কখনও প্রকৃতির অনেক রহস্য বুঝতে না পারায়।

 

৪২)  আসলে পুরো পৃথিবী তথা মহাবিশ্বেই আমাদের ছিল সমান অধিকার; ক্ষমতাবান মানুষেরা নিরূপণ করেছে সীমান্ত।

 

৪১)  মানুষ হৃদয় দেখে কেউ ভালবাসা একটা উদ্ভট কথা। রুপ-যৌবন, সম্পদ-ই এর আসক্তি বাড়ায়।

 

৪০)  ন্যায়-অন্যায় শাসক শ্রেণীর মানুষের তৈরি বিধান মানুষকে শৃঙ্খলিত রেখে নিজেদের ফরমান প্রয়োগ করা যায় সুবিধামত।

 

৩৯) একজন পুরুষ যৌনক্রিয়া দারা একজন সক্ষম নারীকে/সাবালিকাকে নির্যাতন করতে পারেনা, নির্যাতিত হয় সামাজিক হেনস্থা দারা। 

 

৩৮)  আত্ন-প্রচার একটা স্বভাবজাত প্রবনতা। ইদানিং এটা সামাজিক ক্ষয় রোগে রূপান্তরিত হয়েছে।

 

৩৭)  সমসাময়িক, সমস্তরের কাছাকাছি কেউ উচ্চ সন্মানের পাত্র হলেও সমস্তরের কাছাকাছি মানুশগুলোর মনস্তাত্ত্বিক বাসনা তাকে দাবিয়ে রাখা।

 

৩৬)  সমতায় বা নিস্ক্রীয়তায় প্রকৃতি অচল, তাই হয়তো বৈপরীত্যের মাঝে খুঁজে পাই তৃপ্তি।

 

৩৫)  বয়ে বেড়াই জীবনের বিষ ভুলে গেছি কোনকালে কে দিয়েছিলো শিস ……

 

৩৪)  সংসার শুরু হয় মাল্য রুপে, শেষ হয় শৃঙ্খলে।  

 

৩৩)  পশুরা অভিনয় জানে না, তাই ভালবাসার কথাও বলতে পারে না। তারা পরস্পরকে ডেকে যায় শরীরের ভাষায় …  

 

৩২)  আশাই মানুশকে বাঁচিয়ে রাখে, আশাই আবার আশাহত করে। 

 

৩১)  ক্লান্তির মতো উপভোগ্য, আর স্খলনের মতো তৃপ্তি-সুখ পৃথিবীতে আর নাই।  

 

৩০)  আসলে কেউ কারো নয়, সবই চলছে সস্তা অভিনয়। 

 

২৯)  কাউকে ভালোবাসা মানে তার কাছে বন্দী হয়ে যাওয়া। 

 

২৮)  “প্রেম”, পরমাণুর সর্ব-বহিস্থ খোলকের ইলেকট্রনের মতো বিপরীত আধানে অধিক্য চার্জ সরূপ; পরিতৃপ্ত সঙ্গমে যার নিস্ক্রিয়তা/স্বার্থকতা।  

 

২৭)  যন্ত্রকে বিশ্বাস করা যায়, মানুষকে নয়; কারন যন্ত্র মিথ্যে বলা বা প্রতারণা জানে না।

 

২৬)  আমরা প্রকৃতি দ্বারা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রিত, আমরা কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। আমরা যা কিছুর নিয়ন্তা বলে মনে করি, ওটা আগেই নির্ধারিত ছিল। 

 

২৫)  “শীত বস্ত্র প্রদান” মানে ক্যামেরার সামনে সুন্দর পোজ নয়; হোক মানবিক সহমর্মিতা, মন থেকে| 

 

২৪)  শব্দের নিপুণতায় কবিতা পায় না পূর্ণতা, যদি না থাকে হৃদয়ের ঢেলে দেওয়া আবেগ। 

 

২৩)  “এ বঙ্গে চলে একটাই ট্রেন, যার আসন সংখ্যা তিনশত তিরিশ। ওখানকার টিকেট পায় যারা বদমাইশ” 

 

২২)   মিথ্যার চাষ হয় কোথায়?  … সংসদে;

        ভাঁড়ামির নম নম হয় কোথায়? … সংসদে; 

        লুটপাটের বিল পাস হয় কোথায়? … সংসদে, সংসদে।

 

২১) কে বলেছে মাইনাস টু ফরমুলা দরকার, দরকার রাজনীতির একটা জেনারেশন গ্যাপ। 

 

২০)  চুরিচামারি করতে পকেটমার, ছ্যাঁচড়া চোর হও; মহাচোর হতে সংসদে যাও।

 

১৯)  আমরা তখনই মানুষ, যেদিন অর্জন করবো অমানুষদের মুখোমুখী দাঁড়ানোর স্পর্ধা। 

 

১৮)  মা বলেছিলেন, “বাবা, মানুষ হ”। এতোদিনে বুঝলাম অমানুষ না হয়ে বড্ড ঠকে গেছি …

 

১৭)  ঢাক ঢোল বাজিয়ে ব্যলোট পেপারে মা-জননীর বিয়ের কার্ড ছাপাই, বিয়ে দেই লম্পটদের কাছে… পাঁচ বছর পর পর। কারন আমরা ষোল কোটি জারজ সন্তান।

 

১৬)  আমরা ষোল কোটি জারজ। পাঁচ বছরের জন্য মাকে তুলে দেই লম্পটদের হাতে।

 

১৫)   আমাদের স্বপ্নগুলো লুট করছে তিনশত পঞ্চাশটি শৃগাল,
       তাদেরকে সহযোগিতায় তল্পিবাহক আমলা কুকুর,
       প্রহরায় আছে নির্বোধ সেনা, বিড়ালছানা। 

 

১৪)  আমরা জন্মেছিলাম পৃথিবীতেই; কিন্তু …
       প্রথাগত রাষ্ট্রীয় ব্যাবস্থা আমাদের শরীরে লাগিয়ে দিয়েছে জাতীয়তার মতো হাস্যকর ট্যাগ, মানচিত্রের মতো রাষ্ট্রীয় বেড়াজাল।

 

১৩)  সাধারণ মানুষের কোন লাভ নেই মানচিত্র, সীমানা সীমানা-প্রহরী’র;
       ওগুলো ক্ষমতা দখলকারীদের ক্ষমতা সুসংহত রাখার আনুসাঙ্গিক উপাদান।

 

১২)  আমার প্রতি তোমার উদাসিন্যতা জেনেও 
       মন ভুলানো হাসিতেই তুষ্ট থেকেছি, বলিনি লজ্জা পাবে ভেবে।

 

১১)  নিজেই নিজেকে অমানুষ ঘোষণা করতে ইচ্ছে হয় কখনও কখনও; 
       কেন চাই সে শুধু আমাকেই ভালোবাসবে? 
       শুধু আমাকেই ভাববে?
       তবে কি আমি অমানুষ না স্বার্থপর?

 

১০)  ভালোবাসার দায়বদ্ধতায় নয়, 
       ভালো লাগে বাসতে, তাই বাসি …

৯)  সবচেয়ে বড় সত্য, সময়ের সাথে সাথে আমরা বদলে যাই।

 

৮)  সময় চলে গেছে, যাচ্ছে আরো; 
     পাইনি কিছুই, কি আর হারাবো …

 

৭)  জীবনের জন্য অর্থ-সম্পদের দরকার; 
     কিন্তু তার জন্য হন্য হয়ে সম্পদের দাস হতে যেও না|

 

৬)  আমরা সন্তুষ্ট নই কখনো 
     পেতে চাই আরো; 
     পৃথিবী তাই এত সংঘাতময়|

 

৫)  ভবিষ্যত স্বপ্নময় ভেবে, 
     অবহেলায় বর্তমান, 
     করে তুলো না বিষময় …

 

৪)  ধর্ষিতা, ধর্ষনকারীর হাতে ধর্ষিত হয় একবার; 
     সমাজ ও পারিপার্শ্বিকের হাতে ধর্ষিত হয় বার বার| 
     এই বার বার ধর্ষণ হতে মুক্তি পেতেই 
     বেছে নেয় আত্ন হননকারী পথ|

 

৩)  হিজাব আর ধর্ষণ 
     দুর্নিতী-লুটপাট আর হজ্জ গমন; 
    বেড়ে চলছে সমানুপাতিক হারে …

 

২)  ক্লান্তির মতো উপভোগ্য, আর স্খলনের মতো তৃপ্তি-সুখ পৃথিবীতে আর নাই।

১)  তোমার চেয়ে উঁচু স্তরের কাউকে প্রত্যাশা করো না;

     তোমার ভালোবাসা তার কাছে সস্তা “টোপ” মনে হতে পারে…..

0 Shares