Avatar

প্রথমেই বলে রাখা ভালো যে এটি একটি গবেষণার ফলাফল। কোনোভাবেই এটা নিয়ে হাসাহাসি করবেন না। যদি নিতান্তই হাসতেই হয় তাহলে মাথা নিচু করে পশ্চাদ্দেশ উপরে তুলে হাসবেন যাতে আল্লা উপর থেকে দেখে না ফেলেন। আল্লার বান্দারাও সামনে থেকে না দেখতে পায়।

আপনারা সকলেই জানেন আমাদের দয়াল নবী হজরৎ মহম্মদ হলেন দুনিয়ার সবচাইতে পারফেক্ট মানুষ। ওনার চেয়ে ভাল মানুষ এই দুনিয়াতে কখনও কেউ হয়নি আর ভবিষ্যতেও হবে না। এর থেকে অনিবার্য সিদ্ধান্ত করা যায় যে দুনিয়ার তাবৎ মুসলমান আমাদের দয়াল নবীর চেয়ে খারাপ মানুষ।

 

আমাদের দয়াল নবী মানুষ হিসাবে যে অত্যন্ত পারফেক্ট ছিলেন সেটা স্বীকার করতেই হবে। তিনি তেরখানা বিবাহ করেছিলেন। কতগুলি দাসী পালন করতেন সে ব্যাপারে কোনো হিসাবই পাওয়া যায় না। দশ বারোটা যুদ্ধ করলে এবং সেই যুদ্ধে লুঠ করা দাসীদের একের পাঁচ ভাগ বা ২০% পাওয়া গেলে গুনে গুনে করা সত্যিই কঠিন। যেখানে বিবির সংখ্যা হিসাব করতেই মাথার ঘাম পায়ে এসে পড়ে সেখানে দাসীরা গোনার মধ্যে আসারই যোগ্যতা রাখে না।

আমাদের দয়াল নবী বড়ই রঙ্গিন মানুষ ছিলেন। ছয় বছরের আয়েষা বিবিকে নিয়েও তিনি স্বপন দেখতেন। তাকে বিয়ে করে নয় বছর অবধি ময়দা ঠাসা করে হাতের সুখ করে নিয়েছিলেন। তারপর নয় বছরের মাথায় বিড়ালটি মেরেছিলেন। এর পর তিনি আরেকটি কচি পাত্রী পছন্দ করেছিলেন যেটি সবেমাত্র হামা দিতে শিখেছিল। তাঁর খায়েশ ছিল  আয়েষা বিবি যখন বছর পাঁচেকের পুরোনো হয়ে যাবে ততদিনে ঐ হামা দেওয়া বালিকাটি ছয় বছরের হয়ে উঠবে। তখন ৬০ বছরের দয়াল নবী তাকে বিবাহ করে পরম সম্মানিত করবেন। কিন্তু বুড়ো বয়সে অসুস্থ হয়ে পড়ায় সেই ইচ্ছা আর পূরণ হয়নি।

এতক্ষণ আমরা এই দুনিয়ার সবচেয়ে পারফেক্ট মানুষটির ইতিহাস জানলাম। আমরা জানি যে দুনিয়ার কোনো মানুষের পক্ষেই আমাদের দয়াল নবীর চেয়ে ভাল হওয়া সম্ভব নয়। বিশেষ করে দয়াল নবীর চ্যালাদের পক্ষে তো সেরকম চেষ্টা করাও মহা পাপ। অতএব বাইডিফল্ট সমস্ত মুসলমানই নবীজীর চেয়ে খারাপ মানুষ। বোরখা না পরে তাদের সামনে গেলে ছয়মাসের হামা দেওয়া শিশুরও বিপদ আছে।

 

এতক্ষণ আপনারা বোরখার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানলেন। কারও কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকলে করতে থাকুন। মন দিয়ে পাঠ করার জন্য ধন্যবাদ। আপনার আগামী দিনগুলি নিরাপদ হোক।

0 Shares

হামিদা বানু এর ব্লগ   ২০ বার পঠিত