Author: পাপিয়া জেরীন

নিদাঘ

না! গাছের উপর পাখি বা কাউয়া কোনোকিছুই নাই। তারপরও কিছুক্ষণ পরপর ছিটা ছিটা পানি পড়তেছে। এইটা তো কাঠবাদাম গাছ, আগার দিকের কয়েকটা পাতা লাল। কিসের পানি কে জানে। একটু আগেই ঘাসের উপর দিয়া পেটমোটা কাঠবিড়ালী দৌড়াতেছিল, পাতার ফাঁক দিয়া কাঠবিড়ালী মুততেছে নাকি? এই পার্কে সবগুলা বেঞ্চ বুক্ড হয়া আছে। দশ-বিশ কদম দূরে বটগাছের গোড়াটা পাকা … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

ম্যাড সাইন্টিস্ট টেসলা

আপনে নয়টা পাঁচটা অফিস করেন, অফিস শেষ হইলে গোয়ালঘরে ফিরা যান– এরপর টকশো, নিউজ বা ডেইলি সোপ দেখতে দেখতে ঘুম, আর সেই ঘুম ভাঙ্গে কাটায় কাটায়। এই ছকবান্ধা জীবনে আপনে অনেক বিস্ময়কর জিনিস আর অদ্ভুত মানুষ দেখছেন। এক ঝলক দেখার পর আপনার মনে হইছে সেগুলা আসলে কী বা সেই মানুষগুলিইবা কেমন! যা দেখছেন তা হেলুসিনেশন … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

গোলক

পুলি দিয়ে কাউচ টেনে তুলতে গিয়ে জানালার ফ্রেমটা একটু ব্যেঁকে গ্যালো। পুরানো পোড়া ঘর, রং দিয়ে দিয়ে আর কতো দিন? রন আকাশের দিকে তাকায়, হতাশ লাগে তার। টানা ছয় মাস এই দৃশ্য, মধ্য রাতেও গলির মাথায় এ সূর্যটা। রন আগাস্তের অন্ধকার ভালো লাগে। তার পূর্বপুরুষেরা চারকোন বাক্সের ভেতর বিছানা বালিশ পেতে ঘুমোতো, এমন একটা বাক্স … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

বড়প্রেম

কাবিনের দিন আমি আমার বরকে জিজ্ঞেস করছিলাম–আচ্ছা, জামালপুরের পথে কি কালীহাতি পড়ে? সে বলছিলো, পড়ে কিন্তু সেই রোডে তারা যায় না– জ্যামের জন্য। আমি তাকে অনুরোধ করছিলাম, যাতে আমারে সেই পথেই শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। আমার আব্বু থাকে কালীহাতি। শেষ যেদিন আব্বু আমাদেরকে ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে একটা বাসে উঠায়ে দিলো– সেদিনও জানতাম না যে, এইভাবে আর … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

তীরন্দাজ

আপনাদের এলাকার নাম নগরকোণ্ডা, তাই না? বড় অদ্ভুত নাম! হুম, নগরকোণ্ডা। অ্যানাকোণ্ডা সাপের আধিক্যের জন্য এমন নাম। আনিস চমকায়া উঠে। লোকটা কি মশকরা করতেছে? এমন একটা গম্ভীর মুখ নিয়া মশকরা করার কথা না। লিণ্ডা আগেই আনিসরে জানাইছে, তার বন্ধু সবুজ একটু রহস্য করে। আসলে আনিসের সাথে লিণ্ডার কথার আশিভাগই এই সবুজরে নিয়া। সবুজ সারারাইত না … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

এক্ট্রেস

বৃষ্টির সিকোয়েন্সটা দুইদিন পর শ্যুট করলে কী ক্ষতি হইতো! মৌলীর একশো দুই জ্বর, এই জ্বর নিয়া সে সিঁড়ির রেলিং ধরে দাঁড়ায়ে আছে। অবশ্য এই সিনটার পরে মৌলীর কাজ মোটামুটি শেষ। কালকে সকালে এই ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাবে তারা। পরে টুকটাক কাজে আসতে হবে হয়তো। আজকে মৌলীর বাবার আাসার কথা। কাবেরী উপরের দিকে তাকায়, জাহিদ কবুতরের … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

লেদার ব্যাগ

উর্মি, তুমি ভয় পাও — তাইনা! উর্মির খুব বিরক্ত লাগতেছে, সেই বিয়ের রাত থিকা মুকুল তারে উদ্ভট হরর ফিল্মের কাহিনী শুনায়ে আসতেছে। মুকুল প্রতিবারই বলতেছে ঘটনাগুলি সত্য।গল্পের মাঝখানে মুকুলকে থামায়ে দেয় সে… তোমার এগুলা সব গল্প। সারারাত হরর ফিল্ম দেখার পর এসব শুনাবা না আমারে। আমি রাতে হসপিটালে গেলে তুমি বেসমেন্টে গিয়া এইসব হাবিজাবি দেখো … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

মোহিনী

চিত্রা পূর্ণামি– না কী যেন এই সময়টা। পাতায় রোদ আটকে আছে, সরছেনা। ধুলা উড়ছে । দুপাশে মানুষসমান ঘাস। ঘাস নড়ে উঠছে, সবুজের ভেতর শরীরের বাঁক। পেটিকোট বুক পর্যন্ত বেঁধে পুকুরে নেমে গেছে কয়েকজন। দুয়েকজন ঘাটলায় শরীর মাজছে।রোমশ পায়ে রূপার নুপূর খলবল করছে ওদের। বিশ্বনাথন গুনগুন করতে করতে ঘুরে দাঁড়ায়– শান্তা কারম ভূজগ শয়নম পদ্মনাভম সুরেশম্.. … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

কলমি লতা

দয়াময়ী মোড়েই আছিলো ওই গলি। সুরুজ মিয়া প্রায় দশবছর আগে আইছিলো এইখানে, কিন্তু সব কেমন পাল্টায়ে গেছে। এই সেই বুড়িমার মিষ্টির দোকান। গায়ের চাদ্দরটা ভালো কইরা প্যাঁচ মারে সুরুজ, দোকানে গিয়া স্পেশাল দই এর অর্ডার দেয়। এইখানে আরো পনের মিনিট দেরী কইরা সেই গলিতে ঢুকবো সে।অনেকদিন পর এমন একটা জায়গায় যাইতে একটু বুক ধড়ফড় করাডাই … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]