সোহেল চৌধুরী

কোরানে মহম্মদ কাফের বর্ণনা করেছেন “নিম্নতম প্রানী” এবং “পরাজিত” হিসেবে।। “আল্লাহ খ্রিস্টান ও ইহুদিদের এতটাই ঘৃণা করেন যে ধর্মের কারণে তাদের চিরকষ্ট ভাগ‍্য নির্ধারিত।এহেন মহম্মদ মুসলমানদের  অমুসলমানদের সাথে বন্ধুতা করতে বলবেন,এমন হতে পারে না।কোরান স্পষ্ট করে বলেছে মুসলমানরা যেন অমুসলমানের সাথে বন্ধুত্ব না করে।

কোরান(৫:৫১)- “তো মরা যারা আল্লাহ্য় বিশ্বাসী তারা ইহুদি এবং খ্রিস্টানদের বন্ধু করো না;তারা একে।অপরের বন্ধু; তোমাদের মধ‍্যে যে তাদের বন্ধু বানায় সে নিশ্চতভাবেই তাদেরই একজন;আল্লাহ নিশ্চিতভাবেই অন‍্যায়কারীদের পথ দেখায় না।

কোরানের আরও সুরায় এবং বিভিন্ন হাদীসে এই ধরনের নিষেধমূলক কথা রয়েছে।

ইসলামের তত্ত্ব হলো সাংস্কৃতিক শ্রেষ্ঠত্ব কেন্দ্রিক।এর একটি নামও আছে – জাহিলিয়া যার আক্ষরিক অর্থ হলো ইসলাম বিহীন সংস্কৃতি “অজ্ঞ এবং বোকা”।ইসলামী গবেষকদের গোঁড়ামী বিস্ময়কর।২০১৬ সালে মসজিদে পানি খাওয়ার জন্য এক খ্রিস্টান ছেলেকে পাশবিকভাবে পিটানো হয়।২০০৭ সালে কোনো অমুসলিম যে জলাশয়ে সাঁতার কেটেছে তাতে কোনো মুসলমান সাঁতার কাটতে পারে কি না।ফতোয়ায় অদ্ভুত যুক্তি দেওয়া হয়।জলাশয়ের আয়তন যদি ২২৫ বর্গ ফুটের বেশী হয় তবে তা বড় জলাশয় বলে বিবেচ‍্য এবং তা অমুসলিম সাঁতার কাটলেও তা অপবিত্র হবে না। আয়তন যদি ২২৫ বর্গ ফূটের কম হয়।তবে অমুসলিম  সাঁতারের আগে গোসল করে নিলে পানি পবিত্র ।থাকবে কারণ গোসলে তার শরীর পবিত্র হয়ে গিয়েছে।আর যদি অপবিত্র হয়ে যায় তবে সব অপবিত্র পানি সরিয়ে নতুন পবিত্র পানিতে জলা্শয়টি ভরতে হবে।

সামগ্রিক বিবেচনায় বলা যায়, ইসলাম স্পষ্টভাবে এই শিক্ষা দেয় যে, অন‍্য ধর্মাবলম্বীরা মুসলমানদের সমকক্ষ নয় এবং ফলে মুসলমান-অমুসলমান বন্ধুতাও হতে পারে না।

0 Shares