Tag: সনাতন ধর্ম

দুই এক্কে দুই দুই দুগুণে পাঁচ

যখন খুব মন খারাপ হয় তখন ফ্ল্যাশব্যাকে ভাবি…। আমাদেরকে ভাবতে হয়। আমরা যে সময়ের প্রজন্ম তখন মানুষ ভাবত। ভাবার পোজে সেলফি তুলত না। আমাদের সময়টা ছিল কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া আর ছাতিমে মাখানো। আকাশে একচিলতে মেঘ দেখলেই সে সময়কার নিরেট মানুষটিও বিড় বিড় করে উঠত- শেষ বিকেলে মন খারাপ মানেই আকাশে মেঘ করেছে…। ঘন কালো মেঘ করেছে…। … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান মিডসামার উৎসব

সুইডেনে, বিশেষ করে অবিবাহিত যুবতীরা বিশ্বাস করে যদি এই উৎসবের প্রথম রাত্রে (যদিও অন্ধকার রাত হয়না তবুও) ঘুমানোর সময় ৭ টি বিভিন্ন ধরনের ফুল বালিশের নিচে রেখে ঘুমায়, তাহলে স্বপ্নে যে রাজপুত্রকে দেখবে সে-ই তার জীবনসঙ্গী হবে ও তার সাথেই পরের দিন-রাত নাচে গানে কাটিয়ে দিতে হবে।

রোজা রাখার বিরুদ্ধে ছিলেন নবি মুহাম্মদ

ইসলামের নবি হযরত মহম্মদ নিজে উপবাস পালন করতেন ঘরের ভিতরে ওরফে মদীনা মসজিদের মধ্যে, নিরিবিলিতে। সত্যিই তিনি সারাদিন কী খেয়েছেন, কী দিয়ে ইফতার করেছেন এসব কেউ কোনদিন চোখেও দেখতে পেতো না। অন্য মুসলমানদের মতো সকাল থেকে সন্ধ্যা নয়, তিনি প্রায়ই টানা কয়েকদিন উপবাসে থাকতেন। তাঁর সাহাবীরা যখন রাসুলের অনুকরণে লম্বা উপবাস করতে শুরু করল তখন তিনি তাতে বাধা দিয়ে বললেন, তোমরা কেউ আমার মতো নও। নিজের সাধ্যমতো আমল করবে। অর্থাৎ উপবাসের কোনো নিয়ম নেই যা সকলের জন্য একই। সাধ্য অনুসারে পালন করলেই হবে। আমরা এই আলোচনায় দেখব যে, মুহাম্মদ নিজেই কোনোরকম সময়বিধি না মেনে কখনও টানা ৪০ দিন-রাত উপবাস করেছেন, আবার কখনও রমজান মাসের মাঝামাঝি সময়েই দিনেদুপুরে উপবাস ভঙ্গ করেছেন।

যে ‘হনুমান’জীর পূজা করা হয়, তিনি কে? কী তাঁর পরিচয়?

যে ‘হনুমান’জীর পূজা করা হয়, তিনি কে? কী তাঁর পরিচয়?   – [ বঙ্গযান ]   সম্প্রতি ‘হনুমান’জীকে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, ইনি কে? কেন এঁর পূজা করা হয়? … ইত্যাদি। আপনারা জানেন, বাংলা শব্দের অর্থ বুঝে নেওয়ার ক্ষেত্রে “বঙ্গযান” রবি চক্রবর্তী ও কলিম খান আবিষ্কৃত ক্রিয়াভিত্তিক-বর্ণভিত্তিক শব্দার্থবিধি অনুসরণ করে থাকে। তাঁদের লিখিত দুইখানি কোষগ্রন্থ – … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

হিমালয় ছেড়ে উইঢিপি

হিমালয় ছেড়ে উইঢিপি।   – বঙ্গযান। বিগত ১০.০৫.২০১৭ তারিখের ‘বঙ্গযান’-এ “যে হনুমানজী’র পূজা করা হয় তিনি কে?” – নিবন্ধে ‘হনমান’ শব্দের অর্থ আমরা পরিবেশন করেছিলাম।   সেই নিবন্ধ থেকে আমরা জেনেছি, শব্দটির প্রকৃত উদ্দিষ্ট ছিল অতি উচ্চশিক্ষিত সেই মহান পণ্ডিতগণের উল্লেখ করা, যাঁরা বৌদ্ধযুগে ভারতবর্ষ জুড়ে যে বিশাল সামাজিক সংস্কার ঘটেছিল তাতে মুখ্য ভূমিকা গ্রহণ … [ সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন ]

যে ভাষাবিভ্রাট আমাদের নেতা-মন্ত্রিদের পাগল করে দিয়েছে

ভারতবর্ষের জনসাধারণ কিন্তু নিজেদের ভাষার বিপুল বৈভব বিসর্জ্জন দিয়ে, নিজেদের মানসিক সর্ব্বনাশ মেনে নিতে রাজী হননি; তা সে শব্দ-ব্যবহারের বহুকাল ক্রমাগত প্রথা মেনে চলার কারণে হোক কিংবা সচেতনভাবেই হোক। তার অনিবার্য্য ফল হয় এই যে, বাংলাভাষা কার্য্যত দুটি পৃথক ধারায় প্রবাহিত হতে শুরু করে দেয় আধুনিক বাংলা ও চিরাচরিত বাংলা। একদিকে প্রশাসনে ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার দুনিয়ায় বা অ্যাকাডেমীতে যে বাংলাভাষার চর্চ্চা হয়, তার অধিকাংশ বৈভব বিসর্জ্জিত হতে থাকে এবং আজ, ২০১৭ সালে, ঐ বাংলাভাষা ইংরেজী ভাষার মতো প্রায় একার্থবাচক হয়ে, সম্পূর্ণভাবে উইঢিপি-বাহক নিম্ন- অধিকারীর ভাষায় পর্য্যবসিত হয়ে গেছে।

কওমী মাদ্রাসাগুলো দেশবিরোধী শত্রু পয়দা করছে

কওমীমাদ্রাসার পাতিহুজুররা বাংলাদেশের সবকিছুতে হিন্দুয়ানি খুঁজে পায়। আর পাকিস্তানী সবকিছুতে আবিষ্কার করে ইসলাম। সেই হিসাবে এরা পাকিস্তানের মদ্যপায়ী জেনারেলদেরকে এখনও নবী-রাসুলের চেয়ে বেশি মান্য করেভক্তি করে থাকে। এদের ঈমানের মূলস্তম্ভ পাকিস্তান। আর একমাত্র পাকিস্তানই এদের জীবনের সকল সুখ-আহ্লাদ। এরা জীবনের সর্বক্ষেত্রে পাকিস্তানকে ভালোবেসে এখনও পাকিস্তানের স্বপ্ন দেখে। তাই, এদের কাছে বাংলাদেশের কোনোকিছুই ভালো লাগে না। এরা কওমীমাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সেই পাকিস্তানী বিজাতীয়-অপআদর্শে অমানুষ করছে।

দ্রোহের কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

রুদ্রর দিকে তাকিয়ে আমি চমকে উঠলাম। ওকে দেখে আমার বুক ভেঙে আসছিল। ওর নাকেমুখে অনেক নল ঢুকানো। কথা বলা বন্ধ। খাওয়াও নল দিয়ে। আমাকে দেখে চোখের ইশারায় কাছে ডাকল। আমি এগিয়ে কাছে যেতে ওর চোখজোড়া স্থির হয়ে গেল। তারপর সেই স্বপ্নবান চোখজোড়ায় অঝোরে জল গড়াতে লাগল। দেখে আমার বুক ফেটে কান্না উঠে আসতে লাগল। ওর মতো তেজি তরুণের চোখে জলনিশ্চয়ই ওর ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। সেই কষ্ট যেন আমাকেও ছুঁয়ে যেতে লাগল। আমিও চোখের জল ধরে রাখতে পারলাম না। আমাদের নীরব কান্না পুরো কেবিনটাকে বেদনায় ভারাক্রান্ত করে তুলল। ওর কষ্ট আমি সহ্য করতে পারছিলাম না। আমার মনে হচ্ছিল, আমি যেন কোথাও পালিয়ে যেতে পারলে বাঁচি।

আওয়ামী লীগ কি কৌশল পাল্টাচ্ছে?

রাষ্ট্রক্ষমতার চাবিটি হাতে পাওয়া এ জন্য খুবই জরুরি। এ ক্ষেত্রে ক্ষমতা হলো মাধ্যম বা হাতিয়ার, যা লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করবে। অন্যদিকে ক্ষমতা পাওয়াটাই যদি লক্ষ্য বা অভীষ্ট হয়ে দাঁড়ায়, তখন দলের মধ্যে মনোজাগতিক পরিবর্তন ঘটে যায়। একটানা ক্ষমতায় থাকলে একটি দলের মধ্যে এ ধরনের প্রবণতা দেখা যায়। তাদের মাথায় একটা চিন্তা ঢুকে পড়ে, তাদের বুঝি কোনো বিকল্প নেই, তারা অপরিহার্য।

জীন প্রযুক্তির খাবারের বিষক্রিয়া ও বীজ সংরক্ষণের লড়াই

জীন প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রাণের প্রকাশের উপর নির্বিচার অত্যাচারের কারণে বর্তমান বিশ্বে জীন প্রযুক্তির থাবা থেকে মুক্ত উদ্ভিদ অথবা প্রাণীর সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে। জীন প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদিত ফসল এবং উৎপাদনের জন্য সার, কোম্পানি নির্দিষ্ট বীজ ও কীটনাশক প্রাণের প্রতি ভয়াবহ হুমকি। আমাদের লোভের কারণে সুস্থ, স্বাভাবিক, প্রাকৃতিক ও নিরাপদ খাদ্য-শৃঙ্খল ধ্বংস হচ্ছে।