ভুমিকা আমাদের এই অঞ্চলে (দক্ষিণ এশিয়া) সশস্ত্র গণযুদ্ধ বা গণঅভ্যুত্থান হয়েছে অনেকগুলো। এসব গণযুদ্ধ বা গণঅভ্যুত্থান কোথাও সফল হয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন১৬৮৭ বার পঠিত
লেখককে অনুসরণ করুন
ভুমিকা আমাদের এই অঞ্চলে (দক্ষিণ এশিয়া) সশস্ত্র গণযুদ্ধ বা গণঅভ্যুত্থান হয়েছে অনেকগুলো। এসব গণযুদ্ধ বা গণঅভ্যুত্থান কোথাও সফল হয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনবাংলাদেশের কৃষি খাত এখন অনেক বৈচিত্র্যময় এবং গতিশীল। কৃষি পণ্য উৎপাদনে বড় পুঁজি বিনিয়োগ হালে শুরু হয়েছে। বাণিজ্যিক কৃষি উৎপাদন […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনজন্মলগ্নের পর থেকেই বাংলাদেশ এক গভীর রাজনৈতিক সংকটের আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে যা থেকে আজো মুক্তি লাভ হয় নি। বারবার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনতেমনি মুসলিম শাসন তথা মুঘল ও নবাবী আমলেও এ রকম বিভিন্ন প্রশাসনিক ইউনিট বিদ্যমান ছিল। এ সময়ে মধ্যবর্তী স্তরে সামন্ত বা জমিদার ব্যবস্থার পত্তন হতে দেখা যায়। বাবর সামন্ত অধিপতিদের ওপর স্থানীয় প্রশাসন পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন। সামন্ত অধিপতিগণ নিজ নিজ অঞ্চলে প্রায় অর্ধ স্বাধীন রাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং নিজস্ব আইন অনুযায়ী শাসন করতেন। তবে একথা স্পষ্টভাবে বলা যায় যে, সামন্ত অধিপতি বা জমিদারগণ ছিলেন কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন। কিন্তু কেন্দ্রীয় বা মধ্যবর্তী, কেউই গ্রাম-প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করেনি, গ্রাম-প্রশাসনে কোন পরিবর্তন সংঘটিত হয় নি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার’ এই তিন আদর্শকে বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা বা অন্য কোথাও রাষ্ট্রের আদর্শিক ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয় নি। অথচ এই তিন আদর্শের ভিত্তিতে রাষ্ট্র নির্মিত হবে এটাই ছিল শহীদদের রক্তের সাথে আমাদের সম্পাদিত চুক্তি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
গণরাষ্ট্রগুলির মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ও বর্ণময় ছিল হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত বৃজ্জি, যা ছিল আট বা নয়টি গোষ্ঠীর এক মিলিত সংঘ, যার রাজধানী ছিল বৈশালী। এই গোষ্ঠীগুলির মধ্যে চারটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোষ্ঠী ছিল বৃজ্জি, লিচ্ছবি, বিদেহ ও ন্যায় বা জ্ঞাতৃকা। অন্যান্য গোষ্ঠীগুলির, যেমন উগ্র, ভোগ, কৌরব বা ঐক্ষবক – এদের কথা খুব কমই জানা যায়। এই চার গোষ্ঠীর সকলের আবার আলাদা আলাদা রাজধানী ছিল।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
গত ৪১ বছরে এই বিভিন্ন পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচিত সরকারগুলো পরিচালিত শাসন ব্যবস্থার মধ্যে মৌলিক কোন পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যাবে না। সাধারণ মানুষ নির্বাচিত ও অনির্বাচিত সরকারের মধ্যেকার শাসনে কোন তফাৎ খুঁজে পায় না। এ সময়কালে মানুষ কখনো একদলীয় স্বৈরশাসন, কখনো সামরিক স্বৈরশাসন বা কখনো সংসদীয় স্বৈরশাসনের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়েছে এবং হচ্ছে। রাষ্ট্র নিপীড়নকারী, অত্যাচারী, ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনই-মেইলে যোগাযোগ করুন