‘I Want 2 Love U’ একটা Facebook পেইজে নারীদের অসম্মান করে এবং নারীদের হেয় করে একটা ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২২৩৮ বার পঠিত
লেখককে অনুসরণ করুন
‘I Want 2 Love U’ একটা Facebook পেইজে নারীদের অসম্মান করে এবং নারীদের হেয় করে একটা ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনবাংলাদেশে কোন শিশুকে অ্যাডপ্শন বা দত্তক নেওয়ার বিষয়ে কোন আইন না থাকলেও দত্তক বা সন্তান পালক নেওয়ার বিষয়টি থেমে নেই […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনমানব সভ্যতার রন্ধ্রে রন্ধ্রে রয়েছে ধর্মের ইতিহাস।যা আমাদের পক্ষে অস্বীকার করা সম্ভব না।একসময় আমাদের ধর্ম একটা জনগোষ্ঠীতে রুপান্তরিত করে শক্তিশালী […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনহঠাৎ করেই বাল্যকালের এক মেয়ে বান্ধবীকে খোঁজে পাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। যদিও তার সাথে বাল্যকালে খুব একটা বেশী পরিচিতি […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনহে নারী তুমি কি জান তোমাদের ধর্মগ্রন্থ বলে দিয়েছে, তোমার শিক্ষা, তোমার জ্ঞান, বুদ্ধি, প্রতিভা,তোমার সদাহাস্য চেহারা, মানুষের প্রতি তোমার ভালবাসা, শ্রদ্ধা, তোমার সমুহ মানবিক গুণাবলী থাকা সত্বেও, তুমি একজন নিম্নমানের পুরুষের চেয়ে নিকৃষ্ট। একটিই কারণ -তুমি একজন নারী।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
সেহেতু খৎনা করে নামমাত্র অসাম্প্রদায়িক ধ্বজভঙ্গ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার দেশ থাকার চেয়ে শরিয়া আইন থাকাই ভাল। কারণ এদেশ যেমন কখনো অসাম্প্রদায়িক নয়,তেমনি সংখ্যাগরিষ্ঠ বিশেষ ধর্মের লোকেদের দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা থাকাও অন্যায়। সেহেতু অতিশীঘ্রই শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা করার জন্য আন্দোলনের ডাক দেওয়া হোক এবং নারীনের্তৃত্ব হারাম বলে ফতোয়া জারি করা হোক। আমি সেই আন্দোলনের সাথেই থাকবো একজন অবিশ্বাসী এবং জন্মসূত্রে বিধর্মী হওয়া সত্বেও।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আজ যারা লিটনকে নিয়ে যৌক্তিক/অযৌক্তিক সমালোচনা করছেন কাল যদি তা আইনের মাধ্যমে ভুল প্রমানিত হয়ে তাহলে কাল মুখ কোথায় লুকাবেন!অন্যদিকে অন্যদিন কোন সত্য কিছু নিয়ে বললেও কিন্তু আপনার সংগঠনকে (ছাত্রলীগকে) এই লিটনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাচ্ছিল্য করবে।সেহেতু সাধু সাবধান।সত্য সবসময় তেতোই হয়,তবে মাঝে মাঝে টক-ঝাল-মিষ্টি সবই হতে পারে।কারণ আমি চাই না,আমার পছন্দের দলের (লীগ) উপর কোন কূদৃষ্টির আচড় লাগুক।এমনি অনেক আচড় লেগে গেছে।আর সেখানে নতুন করে আচড় লেগে ক্ষত সৃষ্টি হোক।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
মূর্তি বলতে দেবতার প্রতিমাকে বোঝায়। শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হল “অবয়ব”। মূর্তি দেবতার প্রতিনিধি।সাধারণত পাথর,কাঠ,ধাতু অথবা মাটি দিয়ে মূর্তি নির্মাণ করা হয়।হিন্দুরা মূর্তির মাধ্যমে দেবতার পূজা করে থাকেন। মূর্তিতে দেবতার আবাহন ও প্রাণপ্রতিষ্ঠা করার পরই হিন্দুরা সেই মূর্তিকে পূজার যোগ্য মনে করেন। ধর্মীয় সংস্কার বা শাস্ত্রের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট দেবতার মূর্তি নির্মিত হয়ে থাকে।অর্থাৎ প্রতিমা হল মানুষ যার প্রতিকীকে সামনে রেখে আরাধনা উপাসনা করে,ইহকালে-পরকালে মঙ্গল চায়,ধর্মীয় বিধি মেনে পূজা করে ইত্যাদি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
এখন প্রায়ই একটা কথা শুনা যায় চায়ের স্টল থেকে শুরু করে হাটে বিলে খাটে,ঘাটে,মঞ্চে,লঞ্চে,ট্রেনে,বাসে,নীল সাদার দুনিয়াসহ সব জাগায় যে,নেত্রী (শেখ হাসিন)যা করছে তা ভালোর জন্যই করছে এবং তা সমালোচনার উর্ধ্বে।আর যারা সমালোচনা করবে তাদের উদ্দেশ্যে চাটুকারীরা (নেতা-কর্মী) একধাপ এগিয়ে বলবে,নেত্রীর থেকে বড় দেশপ্রেম আর কারো নাই।সেহেতু সমালোচনা করা যাবে না।আরে ভাই,নেত্রী কি দেশপ্রেমের ইজারা নিছে নাকি!এখানে দেশ প্রেম কম আর বেশী কোথায় থেকে আসে।আর নেত্রী যা করছে তাই যদি ঠিক হয়,তাহলে তাকে এবার সৃষ্টিকর্তাই মেনে ফেলুন না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
কোন সৎ, চিন্তা ব্যক্তি নারীর প্রতি কোনো ধর্মের স্থূল নারীদের প্রতি বিদ্বেষ ও বর্বরতার উপেক্ষা করতে পারে না । শক্তিশালী সৃষ্টিকর্তা দেবতা পুরুষ শাসিত, উপজাতীয়, সহিংস, অসহিষ্ণু সমাজের পণ্য ছিল। সমাজ জীবনে নারীর তুলনামূলক অনুপস্থিতি এবং নারীর উপর ধর্ষবাদী পুরুষদের যৌন আগ্রাসন ও ধর্ষণের আধিক্য যে কোনও মানুষের চোখে পড়বে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন