হোসেন নিজেই কারবালা যুদ্ধ অনিবার্য করে তোলেন এবং অকালে মৃত্যুবরণ করেন সে দিনটি ছিল ৬৮০ খ্রিস্টাব্দের ১০ই অক্টোবর […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন১৫৬২ বার পঠিত
হোসেন নিজেই কারবালা যুদ্ধ অনিবার্য করে তোলেন এবং অকালে মৃত্যুবরণ করেন সে দিনটি ছিল ৬৮০ খ্রিস্টাব্দের ১০ই অক্টোবর […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনব্লগপোস্টটি শুরু করা যেতে পারে লিবিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপতি মুয়ামার গদ্দাফি ও আল-কায়দার প্রাক্তন সুপ্রিমো ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর ঘটনা […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৭৪১ বার পঠিত
প্রাক ইসলাম যুগে আরবে নারী আজকের মুসলিমদের তুলনায় অনেক বেশী স্বাধীনতা ও অধিকার ভোগ করতো এবং অনেক বেশী সম্মান ও […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন১৬৬৬ বার পঠিত
তখন ধনী ব্যক্তিরা বহু উপপত্নী রাখতেন, সে যুগের সেটাই ছিল রীতি। আল্লাহর স্বঘোষিত শেষ নবি তথা মুহাম্মদেরও অনেক উপপত্নী ছিল। তাঁর উপপত্নীদের মধ্যে মারিয়ার নাম খুবই পরিচিত। একদিন মুহাম্মদের সঙ্গে তাঁর পত্নী হাফসার প্রবল ঝগড়া হয়েছিল ওই মারিয়াকে নিয়েই। সে কথা থাক। নবী মুহাম্মদেরও অনেক উপপত্নী ছিল- এটা উল্লেখ করা আবশ্যক হলো এ কথা বলার জন্য যে উপপত্নী রাখাটা সে সময় দোষের কিছু ছিল না। আর যে মেয়েরা উপপত্নী রূপে কোনো পুরুষের হারেমে থাকতেন তাঁরা খারাপ মেয়ে বা দুশ্চরিত্রা মেয়ে – তা মোটেই নয়। হয় তাঁরা ক্রীতদাসী, না হয় হত-দরিদ্র পিতা-মাতার সন্তান। নিজের ইচ্ছায় কোনো নারীই ওই জীবন বেছে নিতেন না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন৩২৭৩ বার পঠিত
কিন্তু মদিনার মানুষ তাঁদের ভুল প্রমাণিত করে মাবিয়া ও এজিদের পাশে প্রকাশ্যেই দাঁড়িয়ে যান। মদিনার মানুষ বোধহয় ওসমানকে যখন বিদ্রোহীরা হত্যা করে তখন ওদের ভুমিকা দেখে যে কষ্ট পেয়েছিলেন তা বোধহয় ভুলতে পারেন নি। মদিনার মানুষের এই ভুমিকায় হোসেন ও তাঁর বাকি তিনজন সঙ্গী মানসিকভাবে ভীষণ কষ্ট অনুভব করেন এবং হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েন। তাই তাঁরা শুধু সভাস্থলই ত্যাগ করেন নি, অচিরেই মদিনা ত্যাগ করে মক্কা চলে যান। ইতিহাসের কী নির্মম পরিহাস, মানুষের সমর্থন না পেয়ে প্রবল হতাশা নিয়ে ৫৬/৫৭ বছর পূর্বে মুহাম্মদ, আলি, আবু বকর, ওমর এবং আবু যুবাইয়েরদের মক্কা ত্যাগ করে মদিনা এসে আশ্রয় নিতে হয়েছিল, আর আজ তাঁদেরই উত্তরসূরিরা মানুষের সমর্থন হারিয়ে মদিনা ত্যাগ করে মক্কার পথে পাড়ি দিলেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনহাসেন সর্বদাই নিত্যনতুন নারীর স্পর্শ ও সান্নিধ্য পেতে চাইতেন। আর তা পাওয়ার জন্য তিনি বিয়ে করেছিলেন ১০০টি। তাঁর জীবনে এমনও নজির ছিল, তিনি একই দিনে ৪টি স্ত্রীকে তালাক দিয়ে সেইদিনই আবার ৪টি বিয়ে করেছিলেন। বিয়ে এবং তালাক দেওয়াটা তার কাছে এক প্রকার মজার খেলা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই জিনিস দেখে তাঁর পিতা আলিও স্বয়ং বিরক্ত হয়ে মুসলিম সমাজের কাছে আবেদন করেছিলেন তাঁরা যেন হাসেনের সঙ্গে তাঁদের মেয়েদের বিয়ে না দেয়
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনপৌত্তলিক আরবরা ইসলামের আগমনের বহু কাল পূর্ব থেকেই মহরম মাসের দশ তারিখ রোজা রাখতো যাকে আশুরা বলা হয়। ১০ই মহরম আজও মুসলমানদের মধ্যে রোজা রাখার রীতি চালু আছে। এই ১০ তারিখেই মুহাম্মদের নাতি খলিফা হওয়ার তীব্র কামনা ও বাসনায় ইসলামের ৬ষ্ঠ খলিফা ইয়াজিদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন। আশুরার অনেক পরে রমাদান মাসে মাসব্যাপী রোজা রাখার প্রচলন শুরু হয়েছিল সাবিয়ানদের হাত ধরে। অর্থাৎ রমাদান মাসে মাসব্যাপী রোজা রাখাটা সাবিয়ানদের ট্র্যাডিশন। মুহাম্মদ সাবিয়ানদের কাছ থেকেই নমাজ ও রোজার ধর্মীয় রীতিগুলি গ্রহণ করে সেগুলির ইসলামিকরণ করেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
অন্যদিকে মাবিয়াসহ কয়েকটি প্রদেশের গভর্নর আলীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করলেন, তাঁরা আলীকে সাফ জানিয়ে দিলেন যে, যতোদিন না ওসমানের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তি না দেওয়া হবে; ততোদিন আলীকে ইসলামি সাম্রাজ্যের খলিফা হিসাবে মানবেন না। আলী কারও কথায় কান দিলেন না। উল্টো যেসব গভর্নর ওসমানের হত্যাকারীদের শাস্তির ন্যায়সঙ্গত দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন তাঁদেরকে গভর্নর পদ থেকে অপসারিত করলেন। ফলে সমগ্র সাম্রাজ্য জুড়ে শুরু হলো গৃহযুদ্ধ। এই যুদ্ধে মুহাম্মদের সবচেয়ে প্রিয় পত্নী আয়েশাও অংশ নিয়েছিলেন। তিনি আলির বিরুদ্ধে একটা যুদ্ধে নের্তৃত্বও দিয়েছিলেন। যে যুদ্ধটি ইতিহাসে জামালের যুদ্ধ নামে অভিহিত। তবে আলীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহে প্রধান ভুমিকা নিয়েছিলেন মাবিয়া। আলী ও মাবিয়ার মধ্যে বহু ও ব্যাপক যুদ্ধ হয়েছিল। এইসব যুদ্ধে হাজার হাজার মুসলমান প্রাণ হারিয়েছিলেন। আলীর খেলাফতকাল মাত্র চার বছরের, তিনিও ওমরের মতো গুপ্তঘাতকের হাতে ছুরিকাহত হয়ে মারা যান। আলি ও মাবিয়ার মধ্যে চার বছর ধরে যে যুদ্ধ হয়েছিল তাতে কেউ জয়ী বা পরাজিত হয় নি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনঅন্যদিকে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর জিহাদ ভীষণ লাভজনক পেশা হয়ে উঠেছিল। জিহাদে অংশগ্রহণকারীগণ সমস্ত লুণ্ঠিত দ্রব্যের (টাকা-পয়সা, ঘোড়া-উট, বন্দী নারী-পুরুষ প্রভৃতি) বখরা (ভাগ) পেতো। ইসলামের পরিভাষায় লুণ্ঠিত দ্রব্যগুলি গণিমতের মাল। গণিমতের মাল হিসেবে বন্দী নারীদের শরীর ভোগ করাকে ইসলাম আল্লাহর নামে বৈধতা দিয়েছে। পুরুষ-বন্দীরা ক্রীতদাস এবং নারী-বন্দীরা ক্রীতদাসী- এই ছিল আল্লাহর নামে মুহাম্মদের বিধান। এসব কারণে রাষ্ট্রীয় সৈন্যবাহিনীতে নাম লেখানোর জন্যে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলে দলে মদিনায় এসে ভিড় করতো যাদের মধ্যে এমনকী অনেক বিধর্মীরাও থাকতো।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনখলিফা ওমর কিন্তু কমিটির সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত বলে জানিয়ে দিলেন এবং খেলাফতের দায়িত্ব ওসমান গণির হাতে সঁপে দিলেন। তৃতীয় খলিফা এই ওসমান গণিও ছিলেন মুহাম্মদের আর এক জামাই। তৃতীয় খলিফা হিসেবে ওসমান গণিকে আলী একেবারেই মেনে নিতে পারেন নি। ওসমান গণির খেলাফতকালে নানাভাবে ওসমানকে সমস্যায় ফেলার চেষ্টায় আলী নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। এরই ফলশ্রুতিতে ওসমানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ দানা বাঁধে এবং শেষঅবধি বিদ্রোহীদের হাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনই-মেইলে যোগাযোগ করুন