গল্পের শুরু ২০০০ সাল থেকে। ১৪ ই আগস্ট পাকিস্তানের জাতীয় দিবসে স্বাধীন বাংলার রাজধানী ঢাকার আরমানীটোলার এক বাড়িতে পাকিস্তানের জাতীয় […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন১৯৬৭ বার পঠিত
লেখককে অনুসরণ করুন
গল্পের শুরু ২০০০ সাল থেকে। ১৪ ই আগস্ট পাকিস্তানের জাতীয় দিবসে স্বাধীন বাংলার রাজধানী ঢাকার আরমানীটোলার এক বাড়িতে পাকিস্তানের জাতীয় […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনমানুষ কেন লেখে? মানুষই একমাত্র প্রাণী যে লেখালেখি করে। আর কোন প্রাণীর মধ্যে লেখালেখির উদাহরণ নেই। মানুষ লেখে কারণ সে […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনবিশিষ্ট সংগীতজ্ঞ অজয় মিত্র’র সংগীতায়োজনে সোনালী দিনের গান নিয়ে মিশ্র এলবাম ‘কনক প্রভা‘ প্রকাশিত হয়েছে ইউটিউবে। কমল দাশগুপ্ত ও সমসাময়িক […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
লাম্পট্যে তাঁর জুড়ি সেকালে ছিলনা কেউ। মমতাজ মহল ওরফে আরজুমান্দ বানুর ছোটবোনের নাম ফারজানা বেগম। ফারজানা বেগমের দিকে চোখ যায় শাহজাহানের। শাহজাহান তাকে শয্যায় পেতে চায়। কিন্তু ফারজানা তার প্রিয়তম স্বামী জাফর খানকে ছাড়া কারো শয্যা সঙ্গীনি হবেন না। ঈর্ষান্বিত সম্রাট জাফর খানকে বন্দী করলেন। হত্যা করবার পরিকল্পনা করলেন। কিন্তু প্রিয়তম পতির জন্য প্রাণভিক্ষা চাইলেন ফারজানা। বিনিময়ে সম্রাটের শয্যাসঙ্গী হতে রাজি হলেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন