মুখবন্ধ আলোচ্য গ্রন্থটি একটি গবেষণা সন্দৰ্ভ যা বাংলায় আফগান শাসনের ইতিহাস নিয়ে রচিত। ১৫৩৮ খ্রিষ্টাব্দে শেরশাহ কতৃক গৌড় বিজয় […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২২৯৮ বার পঠিত
লেখককে অনুসরণ করুন
মুখবন্ধ আলোচ্য গ্রন্থটি একটি গবেষণা সন্দৰ্ভ যা বাংলায় আফগান শাসনের ইতিহাস নিয়ে রচিত। ১৫৩৮ খ্রিষ্টাব্দে শেরশাহ কতৃক গৌড় বিজয় […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনবাংলা ছোটগল্প সেই আশ্চর্য রত্নভাণ্ডার, ঊনিশ শতকের নব্বইয়ের দশকে যার সন্ধান আমাদের দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। তারপর থেকে প্রতিনিয়ত এই আবিস্কার প্রক্রিয়া […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
বঙ্গবন্ধুর পরে জিয়াউর রহমান যখন রাষ্ট্রক্ষমতা পেলেন তখন তিনি এ ব্যাপারে কোনো প্রকার দোদুল্যমানতা প্রকাশ করেন নি, ধর্মনিরপেক্ষতাকে সরাসরি নির্বাসনে পাঠিয়েছেন। এরশাদ এসে ঘটনাকে আরো এক স্তর এগিয়ে নিয়ে গেছেন, তিনি রাষ্ট্রধর্ম প্রবর্তন করেছেন। আর আজ এমন অবস্থা হয়েছে যে, আমেরিকানরা বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রকে নরমপন্থী মুসলিম রাষ্ট্র বলায় রাজনৈতিক বড় নেতৃত্ব কোনো প্রতিবাদ করছে না, বরঞ্চ খুশি এই কথা ভেবে যে, তাও যা হোক চরমপন্থী বলেনি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
নরেন্দ্র মোদির কৌশল এক্ষেত্রে হলো, দলিতদেরকে মুসলমানদের থেকে শুধু সরিয়ে রাখা নয়। তাদের মধ্যে শত্রুতা তৈরীর চেষ্টাও তিনি করছেন। এই দলিতরা যতদিন পর্যন্ত তাদের জাত শক্র নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর দল বিজেপির পক্ষে থাকবে। ততদিন বিজেপির শক্তি খর্ব হবে না। এজন্য নরেন্দ্র মোদিকে ও তাঁর হিন্দুত্বের রাজনীতিকে পরাজিত করার জন্য অপরিহার্য প্রয়োজন দলিতদের থেকে তাকে বিচ্ছিন্ন করা। দলিতদের মধ্যে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বিকাশ ঘটানো। নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপি যে তাদের জাত শত্রু এটা তাদেরকে নোতুন করে শেখানো। এর জন্য বর্ণপ্রথা ও জাতিভেদের বিরুদ্ধে ধমীয় ও রাজনৈতিক লড়াই করা। কিন্তু এভাবে ভারতে কিছুই হচ্ছে না। নরেন্দ্র মোদি নিজেদের স্বার্থে সঠিক কৌশল অবলম্বন করে রাজনৈতিক আন্দোলন করছেন, কিন্তু কমিউনিস্টসহ কোন গণতান্ত্রিক শক্তিই দলিতদের বিভ্রান্তি দূর করে, তাদেরকে বর্ণপ্রথার কাঠামো থেকে বের করে আনার জন্য কোন রাজনৈতিক আন্দোলন করছে না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন