আমাদের সৌভাগ্য জাহানারা ইমাম এখন বেঁচে নেই। নইলে আজ তাকেও দেশপ্রেমের প্রমাণ দিতে বলা হতো। ৯১ সালে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ঘাড়ে পা দিয়ে ৯৬ সালে মসনদে বসেছিলেন। ২০১৩ সালের গণজাগরণ মঞ্চের ঘাড়ে পা দিয়ে ফের মসনদ পাকা করলেন। তারপর যখনই মনে হলো জনগণের ভিন্ন একটা প্রতিবাদের প্লাটফর্ম খাড়া হয়ে যাচ্ছে তখনই সেটা গাজাখোরদের আস্তানা হয়ে গেলো। জাহানারা ইমামের ডাকে যে সমুদ্র গর্জন জেগে উঠত নিশ্চিত করেই সেটা তাকে আতংকিত করত। অপমান অবজ্ঞার হাত থেকে ‘আম্মা’ মারা গিয়ে যে রেহাই পেয়েছেন সেটাই এখন স্বস্তি…। সুফিয়া কামাল, নীলিমা ইব্রাহিম… আপনারা মরে গিয়ে বেঁচে গেছেন…।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
