ঈশ্বর তাঁহার ল্যাবরেটরিতে নিবিষ্টমনে কাজ করিতেছিলেন। সহসা বাহিরে এক মহা কলরব উত্থিত হইয়া তাঁহার একাগ্রতা মাটি করিয়া দিল। দরজা খুলিয়া […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন৩১২৯ বার পঠিত
ঈশ্বর তাঁহার ল্যাবরেটরিতে নিবিষ্টমনে কাজ করিতেছিলেন। সহসা বাহিরে এক মহা কলরব উত্থিত হইয়া তাঁহার একাগ্রতা মাটি করিয়া দিল। দরজা খুলিয়া […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনহামলা ও খুন সম্প্রতি কিছু কাল ধরে বাংলাদেশে ইসলামবাদীদের দ্বারা এমন কিছু গুপ্ত হামলা ও হত্যা সংঘটিত হয়েছে যেগুলির ধরন […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনবিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি এখন আবহাওয়া এবং প্রকৃতির বিচিত্র আচরণের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশেষ করে উত্তর-দক্ষিণ মেরুর আইসবার্গ এবং […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনএকুশে বইমেলার কাব্যগ্রন্থ “দহন কালের কাব্য ” –এম,এ মান্নান (রিপন) কবি শফিকুল ইসলামের চিন্তা চেতনা বা দর্শন অনেকটাই এদেশের সাধারণ […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনমক্কার সহিংস ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটটি মুহাম্মদের ইসলাম ও সাম্যবাদের দর্শন প্রচার বন্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে। কাবাগৃহে লাত-মানাত-উযযা নামের তিনটি মূর্তি সাজিয়ে […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুননিচুজাতের হিন্দুদের অবশ্য পীর-দরবেশরা নানাভাবেই মুসলমান বানানোর চেষ্টা চালিয়ে যেত। অনেক সময়েই জবরদস্তিও চলত। কিন্তু সে ব্যাপারে অভিজাত হিন্দুদের তেমন মাথাব্যথা ছিলনা। এমনিতেই নিচুজাতের লোকেদের মন্দিরে প্রবেশ করার অধিকার ছিলনা কাজেই তারা হিন্দু রইলকিনা তার চেয়ে রাজার জাতের সাপোর্ট রইলকিনা তা নিয়েই অভিজাত হিন্দুরা বেশি চিন্তিত ছিল। বাঙালির এই চরিত্রই আমরা ইংরেজ রাজত্বের জমীদার, রায়বাহাদুর, রায়সাহেব, রাজাসাহেবদের মধ্যেও অপরিবর্তিত অবস্থায় দেখেছি। গরীব বাঙালি খেতে না পেলেও তাঁরা সাহেবদের নিয়ে পার্টি দিতেন। এই জাতীয় ধর্মান্তরণে সরকারী সহযোগীতা না থাকলেও পীরের দরগায় নব্য মুসলমানদের খানাপিনার জন্য সরকারী সাহায্য দেওয়া হয়। দরগা-খানকা ইত্যাদি বানাতে জমিজায়গাও পেতেন পীরেরা।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনমূলত ইসলাম ধর্ম অন্য ধর্মের চেয়ে আলাদা এই কারণেই যে, এতে বিধর্মীদের সঙ্গে মিথ্যাচারের স্বর্গীয় অনুমোদন রয়েছে। অর্থাৎ ইসলাম অনুসারে এক মুসলিম অন্য মুসলিমের সঙ্গে প্রতারণা করলে তা পাপ, কিন্তু বিধর্মীর সঙ্গে প্রতারণা করলে তা মোটেই পাপ নয়। এই নিয়মের ধর্মীয় নাম ত্বাকিয়া। এই অনুমোদন (ত্বাকিয়া) অনুসারে একজন বিধর্মীর কাছে সীমাহীন মিথ্যা বলা যাবে। তাই ইসলামে জিহাদির সম্মান সর্বোচ্চ হওয়া সত্বেও তারা দাবি করে ‘ইসলাম শান্তির ধর্ম’।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন১৪০০ বছর ধরেই ইসলাম শিয়া-সুন্নি দুইভাগে বিভাজিত। এদের মধ্যে রক্তাক্তযুদ্ধ এখনও চালু আছে। তাই মানবজাতির মধ্যে বিভেদসৃষ্টির সমালোচনা করতে গেলেও ইসলামের সমালোচনা সবার আগে এসে পড়বে। অমুসলিমদের বিরুদ্ধে কোরানে যে লাগাতার যুদ্ধের নির্দেশ রয়েছে সেটা আগের পোস্টেও উল্লেখ করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনমুহাম্মদ সিন্ড্রোমের সঙ্গে এর বিশেষ তফাৎ রয়েছে। মুহাম্মদের অনুসারীরা যখন কোনো এলাকা দখল করে, তখন সেখানের পুরো বিধর্মীসমাজকে তারা বন্দী বানিয়ে ফেলে। এই বিধর্মীদের সঙ্গে তারা যা খুশি করার ক্ষমতা রাখে। বিধর্মীরা মুসলিমদের কাছে মাথা নিচু করে থাকতে বাধ্য হয়। আবার মডারেট মুসলিমরাও তাদের জিহাদি ভাইদের কাছে মাথানত করে গোলামী করে। কারণ আল্লার বাণী অনুসারেই জিহাদিরা সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী, তাছাড়া তাদের হাতে অস্ত্রও থাকে। ইসলাম যে শান্তির ধর্ম সেটা নিয়ে কোনো সন্দেহ প্রকাশ করা উচিত নয়। এই অবস্থাটা ডাকাতদলের হাতে বন্দীদের মতো হলেও সবচেয়ে বড় তফাৎ এই যে, ডাকাতরা কখনও বন্দীদের ডাকাত বানানোর চেষ্টা করে না, যেটা মুসলমানরা করে থাকে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনকুরান কী আল্লার বাণী? সহিহ ইসলামের সহিহ বান্দারা বরাবরই বলে আসছেন যে, আল্লাহ মেহেরবাণী করে মানুষকে অর্থাৎ কিনা মুসলমানদের একখানা […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনই-মেইলে যোগাযোগ করুন