ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫১ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
আবারও ইসলামি জঙ্গীদের হাতে প্রাণ হারালেন বাংলাদেশী ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিস্ট নীলয় নীল। আজ শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার খিলগাঁও থানার গোড়ান এলাকায় নীলয় নিলের ভাড়া নেয়া ১৬৭, উত্তর গোড়ান-এর বাসায় ঢুকে ইসলামি জঙ্গীরা তাকে জবাই করে হত্যা করে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, নীলয় নীল নবযুগ ব্লগে লেখালেখি করতেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
শুয়ে শুয়ে ভাবি আমি একদিন ক্ষয়ে যাবে আমাদের মানবিক খোলস এইযে সুন্দর চেহারা নারীর রূপ পুরুষের পৌরুষ সকলই যে নিতান্তই […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
নবীর প্রথম স্ত্রী খাদিজার মেয়ের নাম ফাতেমা। ফাতেমার স্বামীর নাম আলী। এই আলী আবার নবী মুহাম্মদের চাচাতো ভাই। নিজের ভাইয়ের […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ব্লাসফেমির উদ্ভব হয়েছিল প্রাচীন ও মধ্যযুগে। এখন থেকে এক হাজার ৪৫০ বছর আগে রোমের সামন্ত রাজারা প্রতিক্রিয়াশীল মৌলবাদী খ্রিষ্টান ক্যাথলিক চার্চের যাজকদের সহায়তায় জনগণের ওপর ধর্মের নামে অত্যাচারের হাতিয়ার হিসেবে ‘ব্লাসফেমি’র ব্যবহার শুরু করেছিল। সে সময় রাজা বাদশাদের বলা হত ঈশ্বরের প্রতিনিধি, তাই রাজাদের বিরুদ্ধে কিছু বলা মানে ঈশ্বরের বিরুদ্ধে বলা,এইভাবে রাজার অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে জনগনের আন্দোলন যাতে গড়ে না উঠতে পারে সেই জন্য ওই সময় ব্লাসফেমি নামের এই কালো আইন তৈরী হয়েছিল। আধুনিক যুগে এসে যখন চার্চ ও রাষ্ট্রকে আলাদা করা হয়, তখন থেকে এ আইনের বিবর্তন ঘটে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
মূলত ইসলাম ধর্ম অন্য ধর্মের চেয়ে আলাদা এই কারণেই যে, এতে বিধর্মীদের সঙ্গে মিথ্যাচারের স্বর্গীয় অনুমোদন রয়েছে। অর্থাৎ ইসলাম অনুসারে এক মুসলিম অন্য মুসলিমের সঙ্গে প্রতারণা করলে তা পাপ, কিন্তু বিধর্মীর সঙ্গে প্রতারণা করলে তা মোটেই পাপ নয়। এই নিয়মের ধর্মীয় নাম ত্বাকিয়া। এই অনুমোদন (ত্বাকিয়া) অনুসারে একজন বিধর্মীর কাছে সীমাহীন মিথ্যা বলা যাবে। তাই ইসলামে জিহাদির সম্মান সর্বোচ্চ হওয়া সত্বেও তারা দাবি করে ‘ইসলাম শান্তির ধর্ম’।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনবিজ্ঞানীরা এও বলছেন, পৃথিবী যে দূরত্বে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, এই গ্রহটিও সেই দূরত্বে নিজের নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে। এই দূরত্বের সুবিধা হল- এতে গ্রহের তাপমাত্রা কখনই খুব বেশি বা খুব কম হয় না। এই ধরনের পরিস্থিতি জলবায়ু তৈরি ও প্রাণসৃষ্টির পক্ষে একেবারে আদর্শ। এ থেকেই তাদের ধারণা, একসময় হয়তো সেই গ্রহেও প্রাণের অস্তিত্ব ছিল। কিন্তু, ক্রমশ শেষ হয়ে যাওয়া নক্ষত্রের অতিরিক্ত তাপে হয়তো নদী, ঝিল ও সমুদ্র বাষ্পীভূত হয়ে গ্রহটি পাথুরে পদার্থে পরিণত হয়েছে। কেপলার-৪৫২বি’র মধ্যে পৃথিবীরও ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন, ওই গ্রহে গ্রিনহাউস ইফেক্ট বা উষ্মায়ন শেষের মুখে। পৃথিবীতে প্রকৃতির সেই ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি সবে শুরু হয়েছে। আজ থেকে একশো কোটি বছর পরে পৃথিবীও হয়তো ওই গ্রহের মতোই একটি পাথুরে পিণ্ডে পরিণত হবে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
১৪০০ বছর ধরেই ইসলাম শিয়া-সুন্নি দুইভাগে বিভাজিত। এদের মধ্যে রক্তাক্তযুদ্ধ এখনও চালু আছে। তাই মানবজাতির মধ্যে বিভেদসৃষ্টির সমালোচনা করতে গেলেও ইসলামের সমালোচনা সবার আগে এসে পড়বে। অমুসলিমদের বিরুদ্ধে কোরানে যে লাগাতার যুদ্ধের নির্দেশ রয়েছে সেটা আগের পোস্টেও উল্লেখ করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনমাহবুবুল আলম// দক্ষিণ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে টাইগাররা ঈদের আগেই যেন […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আমরা চোর বলে শিশু বা ভবঘুরেকে পিটিয়ে অভ্যস্ত, কিন্তু ব্যাংকচোর, গমচোর, ভোটচোরদের জন্য রয়েছে লালগালিচা, সোনার পুত্তলিকা। আমাদের অদৃশ্য লেজটি তাদের সামনে ভক্তিতে হাতপাখার মতো দোলে। যাদের অবহেলায় ওয়াসার সুড়ঙ্গে পড়ে জিহাদ নামক শিশুটি মরে গিয়েছিল, তাদের কি যথাযথ শাস্তি হয়েছে? শাস্তি দাবির বেলায়ও আমরা এখন আগে দেখে নিই অপরাধী কোন দলের!
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
মুহাম্মদ সিন্ড্রোমের সঙ্গে এর বিশেষ তফাৎ রয়েছে। মুহাম্মদের অনুসারীরা যখন কোনো এলাকা দখল করে, তখন সেখানের পুরো বিধর্মীসমাজকে তারা বন্দী বানিয়ে ফেলে। এই বিধর্মীদের সঙ্গে তারা যা খুশি করার ক্ষমতা রাখে। বিধর্মীরা মুসলিমদের কাছে মাথা নিচু করে থাকতে বাধ্য হয়। আবার মডারেট মুসলিমরাও তাদের জিহাদি ভাইদের কাছে মাথানত করে গোলামী করে। কারণ আল্লার বাণী অনুসারেই জিহাদিরা সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী, তাছাড়া তাদের হাতে অস্ত্রও থাকে। ইসলাম যে শান্তির ধর্ম সেটা নিয়ে কোনো সন্দেহ প্রকাশ করা উচিত নয়। এই অবস্থাটা ডাকাতদলের হাতে বন্দীদের মতো হলেও সবচেয়ে বড় তফাৎ এই যে, ডাকাতরা কখনও বন্দীদের ডাকাত বানানোর চেষ্টা করে না, যেটা মুসলমানরা করে থাকে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনই-মেইলে যোগাযোগ করুন