১৯১৮ বার পঠিত
পাকিস্তানের সাংবাদিক হামিদ মীর অধ্যাপক ওয়ারেছ মীরের ছেলে। অধ্যাপক মীর সেই একাত্তর সালে বাংলাদেশে গণহত্যার প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তাকে পাকিস্তানী খুনে সেনারা সেনানিবাসে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে। বাংলাদেশ স্বাধীন হলে, অধ্যাপক ওয়ারেছ মীর ‘গাদ্দার’ হিসেবে উপহাসিত হয়ে মানসিক নির্যাতনের পীড়নে অসুস্থ হয়ে মারা যান। গাদ্দারের ছেলে হিসেবে বেড়ে ওঠেন হামিদ মীর। কিন্তু যোগ্যতার কারণে পাকিস্তানের সেরা সাংবাদিক হয়ে ওঠেন। প্রতিভাবান মানুষকে রুখবে এমন সাধ্য কার আছে। সংবাদপত্র ও টিভিতে উর্দু – ইংরেজি দুটি ভাষায় দুঃসাহসী রিপোর্ট করে নায়ক হয়ে ওঠেন তিনি। এবং বাবা ওয়ারেছ মীরের পদাংক অনুসরণ করে ইসলামাবাদ প্রেসক্লাবের সামনে; একাত্তরে বাংলাদেশের মানবতার পক্ষে সক্রিয় পরিবারের সদস্য আসমা জাহাঙ্গীর, তাহেরা আবদুল্লাহ, কবি সেলিম প্রমুখকে নিয়ে ‘৭১-এর বাংলাদেশ গণহত্যা’-র প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন। পাকিস্তানের নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে; এই মানববন্ধনে বাংলাদেশের শোকাহত জনতার কাছে ক্ষমা চাওয়া হয়।ই-মেইলে যোগাযোগ করুন