পুঁজির কথা বলি তখন কোনো কোনো পাঠক ইউরোপের শিল্পবিপ্লব এবং আধুনিক শিল্পপতিদের পুঁজির কথা ভেবে বসেন এবং তার ফলে আমার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন১১৭৪ বার পঠিত
লেখককে অনুসরণ করুন
পুঁজির কথা বলি তখন কোনো কোনো পাঠক ইউরোপের শিল্পবিপ্লব এবং আধুনিক শিল্পপতিদের পুঁজির কথা ভেবে বসেন এবং তার ফলে আমার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন“ভারতে আর দশটা ধর্ম্মের মতো নাস্তিক্যও একটি ধর্ম্ম এবং তার জন্ম হয়েছে আস্তিক্যর প্রায় সমবয়স্কতায়।” -শ্রীনৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী সামাজিক মাধ্যমে জনৈক […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন১১৯৬ বার পঠিত
সরস্বতী সম্বন্ধে ভাল করে না জেনে হুজুগে মেতে সরস্বতী পূজা এবং ভক্তিহীন সরস্বতীপূজা করা অর্থহীন। এই নিয়ে একটা গল্প বলছি। বছর দশেক আগে এক সরস্বতী পূজার দিনে আমি একটি কলেজে (কলেজটার নাম উহ্য রইল) জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ে একটি সেমিনার করতে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি ছাত্রছাত্রীদের সেমিনারের দিকে মন নাই, সবাই উসখুস করছে, যেন কোনো তাড়া আছে। তাড়ার কারণটা একটু পরেই বোঝা গেল…
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন১৮৯৫ বার পঠিত
সংস্কৃত ও বাংলা বর্ণমালায় বর্ণগুলির বিন্যাস রাসায়নিক মৌলদের পর্য্যায় সারণীতে মৌলদের বিন্যাসের সঙ্গে তুলনীয়। পর্য্যায় সারণীর যেকোনো মৌল যেমন যেকোনো মৌলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যৌগ গঠন করে না, তেমনি বাংলা বর্ণমালার যেকোনো বর্ণ অন্য যেকোনো বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যুক্তাক্ষর গঠন করে না। এই ব্যাপারে কিছু নিয়মকানুন আছে। বর্ণমালার প্রতিটি বর্ণ এক একটি ক্রিয়াকে প্রকাশ করে, এই টাইমলাইনের নানা নিবন্ধে আমরা তা নিয়ে বলেছি। বর্ত্তমান নিবন্ধে বর্ণমালার রসায়ন ও যুক্তাক্ষরের নিয়ম সমন্ধে আরও কিছু কথা বলছি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আমাশয় শব্দে আম মানে আম্রফল নয়, বরং আমিবা দ্বারা বহিত তেজ। শরীরে এক প্রকার আমিবা (আমবাহক?) ঢুকলে আমাতিসার বা আমাশয় (অ্যামিবিয়াসিস) রোগ হয়। ওই আমিবার নাম Entamoeba। এই রোগের চিকিৎসায় মেট্রোনিডাজল (metronidazole) নামের ওষুধ ব্যবহৃত হয়। আমাশয়ের চিকিৎসায় নরফ্লক্সাসিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন ইত্যাদি ওষুধ লাগে না। শেষোক্ত ওষুধগুলি লাগে bacillary dysentery অসুখে, amoebic dysentery-তে নয়। আমাশয় রোগ প্রতিরোধ করতে হলে বাঁধের জল মুখে নেবেন না এবং পায়খানা করে সাবান দিয়ে হাত ধোবেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
যুক্তিপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে বুঝতে গেলে কালী বলতে শ্রমজীবী জনতাকে বা proletariat-দের বুঝতে হবে, কারণ এই ‘labor force’-ই কালের পরিচালক। বিখ্যাত ইউরোপিয় তান্ত্রিক সাধু, সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা মান্যবর কার্ল মার্ক্স মহাশয় শ্রমজীবীদের জয়গান গেয়েছেন। আমাদের মার্ক্সবাদী বন্ধুরা যখন শ্রমজীবীদের জাগানোর চেষ্টা করেন তখন ওরা কার্ল মার্ক্স-এর মতানুসারে কালিপূজা করেন। স্বামী বিবেকানন্দও কালিপূজা করতেন, কিন্তু মূর্ত্তিপূজা যে আসলে প্রতীকী তা তিনি বুঝতেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বিদ্যাসাগর মহাশয় ধর্ম্ম নিয়ে মাতামাতি করেন নি, আবার আজকাল যেমন অনেকে ধর্ম্মের পিছনে উঠেপড়ে লেগেছে সেটাও তিনি করেন নি। আজকাল কেউ কেউ বিদ্যাসাগরকে নাস্তিক বলেন। প্রকৃতপক্ষে তাঁকে নাস্তিক বললে ঠিক বলা হয় না। তিনি বলতেন ঈশ্বর ‘অবাঙ মানসগোচর’। এর অর্থ হল বাহ্যজগতে ঈশ্বরকে দেখা না গেলেও এবং ঈশ্বর সম্বন্ধীয় জ্ঞান বাক্যে প্রকাশ করা না গেলেও মনোজগতে ঈশ্বরের ধারণা করা সম্ভব। তাঁর এই কথার মধ্যে কোনো ভুল নাই। তবে মনোজগতে ঈশ্বরের ধারণা (‘অবাঙ মানসগোচর’) করাটাও খুব শক্ত কাজ ; সেটা যে বিজ্ঞানবিরোধী হবে তা নয়, কিন্তু খুব অল্প লোকেই সেটা পারেন। প্রসঙ্গত, ঈশ্বর সম্বন্ধে পদার্থবিজ্ঞানী রিচার্ড ফেইনম্যানও অনুরূপ কথা বলেছেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আজকাল অনেকেই কার্ত্তিক বানান ‘কার্তিক’ লিখছেন। ব্যাকরণের বিচারে এই বানান ঠিক নয়। কৃত্ত, কৃত্তি, কৃত্তিবাস, cortex, কৃত্তিকা প্রভৃতি শব্দের সঙ্গে কার্ত্তিক শব্দের সম্পর্ক বিবেচনা করলে এই শব্দটির ভিতরের অর্থ যেমন বুঝা যায়, তেমনি ‘কার্তিক’ বানান কেন ঠিক নয় তাও বুঝা যায়। বিষয়টি সংক্ষেপে আলোচনা করা হচ্ছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বৈজ্ঞানিক বিচারে বর্ণমালার প্রতিটি বর্ণ দরকারী এবং গুরুত্বপূর্ণ। যারা ণ, ন তুলে দিয়ে কেবল একটি (ন) রাখার পক্ষে সওয়াল করেন অথবা শ, ষ, স তুলে দিয়ে কেবল একটি স রাখার কথা বলেন তারা ঠিক কথা বলেন না। বর্ণমালায় অবস্থান অনুসারে প্রতিটি বর্ণের অর্থ আছে এবং রাসায়নিক মৌলদের ধর্ম্মের মতো বর্ণগুলির অর্থের পর্য্যায়ক্রম আছে, যার তালিকা নবযুগ ব্লগের অন্যান্য পোস্টে পূর্ব্বেই দিয়েছি এবং বর্ণসঙ্গীত গ্রন্থমধ্যে রয়েছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আধুনিক কালের একজন ব্রহ্মজ্ঞানী ব্যক্তির উদাহরণ চাইলে আমরা তাঁর নাম সবার আগে করতে পারি। তাঁর ব্রহ্মবিষয়ক লেখাগুলি আমাদের মূল্য়বান সম্পদ। সেই সঙ্গে আইনস্টাইনকেও আমরা ব্রহ্মজ্ঞানী বা ব্রাহ্মণ বলতে পারি। আর এক জন ব্রহ্মজ্ঞানী বাঙালীর উদাহরণ চাইলে আমি সুকুমার রায়ের নাম করি। সুকুমার রায় কেন ব্রহ্মজ্ঞানী বলছি তা আমি ভিন্ন নিবন্ধে বলেছি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন