দু’ঘণ্টার এক অপার বিস্ময়ের মধ্যে ডুবে ছিলাম। যার শুরু থেকে শেষপর্যন্ত ছিল ঘোরলাগা আবেশ! ‘লাভিং ভিনসেন্ট‘ ওয়েল পেইন্টিং এনিমেশন মুভিটি […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন১৪৪৪ বার পঠিত
লেখককে অনুসরণ করুন
দু’ঘণ্টার এক অপার বিস্ময়ের মধ্যে ডুবে ছিলাম। যার শুরু থেকে শেষপর্যন্ত ছিল ঘোরলাগা আবেশ! ‘লাভিং ভিনসেন্ট‘ ওয়েল পেইন্টিং এনিমেশন মুভিটি […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুননারীবাদ নিয়ে অনেকরকম জল্পনা-কল্পনা, আলোচনা, সমালোচনা, বিভ্রান্তি, কটূক্তি রয়েছে। এই শব্দটি পুরুষতান্ত্রিক সমাজের চিন্তা-চেতনাকে দ্বিধাবিভক্ত করে রেখেছে। রেখেছে সংশয়াগ্রস্ত […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনঅভিজিৎ রায়ের চলে যাওয়াটা ছিল এক অসম্ভব ব্যাপার। বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিলো। অভিজিৎ জানতেন, দেশে গেলেই তাকে মেরে ফেলবে। […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনহাসপাতালে বাবা মৃত্যুশয্যা অবস্থায় সব ভাইবোনকে ডেকে একটি কথাই বিশেষভাবে বলেগেছেন; যেনো, আমরা মা’য়ের কোনো অমর্যাদা না করি, অবাধ্য না হই। আরো বলেছিলেন, ” আমি যদি সাতাশবছর সংসার করে যেতে পারি, তোরা কেনো পারবিনা তোর মা’কে সহ্য করতে! ও তো তোদের মা, তোদের জন্মদাত্রী। পারবি না বল, পারবি না!” কথাগুলো বলেই মুখের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়েছিলেন। আমরা সবাই বাবাকে কথা দিয়েছিলাম। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, বাবার মৃত্যুর পর আমার মা কেমন যেন বদলে গেলেন!
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ধর্ম শুধু সংযমের বাতাবরণ। ধর্মকে বৈষয়িক, সামাজিক ও রাজনৈতিকক বিষয়ে গুলিয়ে জীবনকে এমন জটিল করার অর্থ কি! অবশ্য বাস্তবে ধার্মিকদের অনেকেই উন্নত জীবনযাপন করছেন, নিচ্ছেন বিশ্বায়নের সকলরকমের সুযোগ সুবিধা, কিন্তু মস্তিষ্কে বয়ে নিয়ে চলেছেন সেই অন্ধকার যুগের ধ্যানধারণা। ফলে এদের মানসিক বিকাশ তো দূরের কথা, বোধের এবং ভাবের গভীরতাও আটকে থাকে ধর্মের বেড়াজালে। শিল্পের নন্দনতত্ত্ব বোঝা তখন তাদের কাছে কঠিন বস্তু হয়ে দাঁড়ায়। মূলতঃ এদেরকেই আমি প্রতিক্রিয়াশীল বলি। যারা প্রগতির পথে বিরাট অন্তরায়।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
উস্কানিমূলক কথা বা ইশারা পুরুষের কাছ থেকেই আসে বেশি। নারী যে একেবারে এসবের ঊর্ধে তা নয় কিন্তু। নারীর মধ্যেও এমন যন্ত্রণার কাহিনী অনেক আছে। তবে প্রকৃতির স্বভাবটাই এমন যে পুরুষের যৌনলিপ্সা অগ্রভাগে এবং তা অতিমাত্রায় প্রকাশ পায়। নারীকে আকর্ষণ করার জন্যে যতরকমের কলাকৌশল বা কুটকৌশল পুরুষ সময়, সুযোগ এবং পরিস্থিতি দেখে প্রকাশ করে। সেখানে নারী যদি উপযাচিকা হয়ে এসব বিষয়ে উসকিয়ে দেয়, তাদের ভাবা উচিত পরবর্তীতে এর ফল কি হবে! আমরা যেভাবে বড়ো হয়েছি ছোটকাল থেকে ছেলেদের উত্তেজক কোনো কথাবার্তা শুনা বা ইশারা দেখামাত্রই এড়িয়ে অন্যপথ ধরে হেঁটে চলেগেছি। এমনও হয়েছে, অনেক ঘনিষ্ট বন্ধু বা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকেও পেয়েছি এমন আচরণ।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আলমের চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে, মাথা উঁচু করে যদি দেশ থেকে বের হতে না পারে তবে এভাবে চোরের মতো কেন!? কেন, এভাবে অন্যদেশে এসে লুকিয়ে পালিয়ে থেকে নিজ দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে? এখানে অর্ধাহারে অনাহারে পালিয়ে লুকিয়ে থাকার চেয়ে নিজ দেশের আলোবাতাস খেয়ে মাথা উঁচু করে চলাটা কি শান্তির ছিল না?
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
প্রাণিজগতের বাইরে অন্যকোনো প্রাণীর মধ্যে এতোটা ধর্ষণ প্রবণতা আছে কিনা জানিনা, তবে মানুষের মধ্যে এর প্রবণতা অধিকমাত্রায় লক্ষ্য করা যায়। বহুযুগ ধরেই মানবসমাজে নারীকে পুরুষ জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আসছে। যদিও যৌনতা একটি প্রাকৃতিক রসায়ন, কিন্তু ধর্ষণ একটি অসামাজিক প্রপঞ্চ। এই ধারণাটির জন্ম সমাজ দিয়েছে। বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটে জৈবিকক্ষুধার চিত্রটাই এমন। জৈবিকক্ষুধা মেটাতে গিয়ে অনেকে ধর্ষক বনে যাচ্ছে, অবলীলায় হচ্ছে ধর্ষণকার্য। অনেকটাই যেনো ক্ষমতায়নের খেলা। কারণ,ধর্ষক ক্ষমতা, ক্রোধ এবং যৌনসক্ষমতার অধিকারী। ক্ষমতার অপব্যবহারে পুরুষ নারীকে ভোগ্যপণ্যে রূপান্তরিত করে। তারই ফলশ্রুতিতে ধর্ষণলিপ্সা চেপে বসে পুরুষ মননে। যার চিত্র আমরা অহরহ দেখতে পাই। তাই ধর্ষণ এখন সামাজিক ব্যাধি হিসেবে চিহ্নিত।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
সাগরপাড়ে এসে দিগন্তে চোখ তুলে তাকাতেই মায়া আবিস্কার করে নিজেকে, একঅন্য মায়াকে। এই বিশালতার মাঝে মায়া হাত বাড়িয়ে দেয়, ধরতে চায় কমলকে। দেখে আশেপাশে কমল নেই। কমল হাঁটতে হাঁটতে একাকী অনেক দূর চলে গেছে! এমন বিশালতার মাঝে এলে মানুষ বুঝি নিজেকে হারিয়ে ফেলে! যেমনটি হারিয়েছে মায়া নিজেকে! এমন দিগন্তে যেন দুটো মানুষ ভিন্নরূপ নেয়। দুটো স্বত্বা ছিটকে যায় দুদিকে, দূর…থেকে দূরে, বহুদূরে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ধর্মীয় শিক্ষা এবং চর্চা আমরা জেনে এসেছি নিজেকে শুদ্ধিকরণের চর্চা। মানুষ হিসেবে মানুষের মর্যাদা নিয়ে পৃথিবীর বুকে নিজেকে ছড়িয়ে দেওয়া। এখানে সব জাতিগোষ্ঠীর সাথে নিজেকে একাকার করে মানবতার ঝাণ্ডা তুলে মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়া। এরজন্য যে যেভাবে বিশ্বাস নিয়ে থাকুক না কেন, সমাজ-সংসারের কাছে তাকে আগে মানুষের মর্যাদা নিয়ে দাঁড়াতে হতো। অথচ এখন বিশ্বায়নের যুগে ‘ধর্ম’ যেন হয়েগেছে একটি স্পর্শকাতর শব্দ। ধর্মচর্চা করা বা না করা উভয়ের ক্ষেত্রেই ধর্ম জটিলতর রূপধারণ করে আছে। সাম্য, মৈত্রি, শান্তির জন্য যদি ধর্মের উৎপত্তি হয়ে থাকে, তাহলে বর্তমান সময়ে এ কোন ধর্মের চর্চা চলছে!
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন