(৮)শ্রেনীশত্রু খতমের নামে কলকাতায় তখন এক ভয়ের পরিবেশ| নকশাল আন্দোলনের পুরোধা চারু মজুমদার তখনও পালিয়ে| শেষ পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
লেখককে অনুসরণ করুন
(৮)শ্রেনীশত্রু খতমের নামে কলকাতায় তখন এক ভয়ের পরিবেশ| নকশাল আন্দোলনের পুরোধা চারু মজুমদার তখনও পালিয়ে| শেষ পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
(৭) ত্রিশ দিনের অশৌ্চ পালন করা হলো বৈশ্য মতে| ছোট দাদু ছেলের মতো ভালবাসতেন মেঝ জ়েঠাকে| তাই তিনিই ছেলের মতো […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
(৬)মা তখন সাত মাসের অন্ত:সত্বা| দেশে যুদ্ধ চলছে| বর্ষাকাল| যোগাযোগ ব্যবস্থার বেহাল অবস্থা| বিপদে আপদে হাসপাতাল কিংবা ডাক্তারের কাছে নিয়ে […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
(৫)আষাঢ় মাসেই আরও কয়েকটা হত্যাযজ্ঞ ঘটালো পাকিস্তানী মিলিটারি| ততদিনে মহুকুমা সদর থেকে থানা পর্যায়ে পাকিস্তানী মিলিটারি চলে এসেছে| সে সুযোগে […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
(৪) আষাঢ় মাস পর্যন্ত বেশ একটু স্বস্তিতেই কাটানো গেল| ঢাকাতে যুদ্ধ শুরু হলো চৈত্রমাসের মাঝামাঝি| প্রথম দিকের মাসখানিক তো যুদ্ধের […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
(৩) বনগাঁ থেকে শিয়ালদাগামী ট্রেনগুলোর কামরা এক রকম ফাঁকাই থাকে| অথচ শিয়ালদা থেকে বনগাঁর ট্রেনগুলো বাংলাদেশ থেকে আগত শরনার্থীতে ঠাসা| ডিসেম্বরের […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
(২) বাবা কলকাতায় গেলেন স্বাধীনতার কয়েক মাস পরে| তখন সবে মাত্র ভারতীয় কংগ্রেস মার্চ মাসের নির্বাচনে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে| জাতীয় […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
(১) পড়ন্ত বেলায় বাবাকে কেন দেশ ত্যাগ করতে হবে? স্বাধীনতার এত বছর পরে স্বাধীন জয়বাংলা ছেড়ে কেন যেতে হবে? এ […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
মুক্তিযুদ্ধ, শরণার্থী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নকশালদের নিয়ে লেখা ধারাবাহিক উপন্যাস
পড়ন্ত বেলায় বাবাকে কেন দেশ ত্যাগ করতে হবে? স্বাধীনতার এত বছর পরে স্বাধীন জয়বাংলা ছেড়ে কেন যেতে হবে? এ প্রশ্নগুলোর উত্তর তাঁকে কেউ দিতে পারছে না।
বাবা কবে ভারত গিয়েছিলেন আমার মনে নেই। শুনেছি দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে একবার ইন্ডিয়া গিয়েছিলেন আমার মাতৃকুলের সবাইকে জানান দিতে যে, তিনি বেঁচে আছেন| পাকিস্তানী হানাদার কিংবা দেশীয় রাজাকারের হাতে তাঁর অপমৃত্যু হয়নি| এ কথা নাকি লোকমুখে সুদূর কলকাতাতেও চাওড় হয়ে গিয়েছিল যে, মানিকগঞ্জের এক অজ পাড়াগাঁয়ের বটগাছে পাকিস্তানী মিলিটারীরা এক জনকে ঝুলিয়ে রেখেছে| কালো চেহারার ছয় ফুট মানুষটির ক্ষতবিক্ষত দেহ প্রথমে গুলি করে ঝাঁঝরা করা হয়েছে| তারপর বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে আরও বিভৎর্স করার চেষ্টা হলেও ঝুলিয়ে রাখা মানুষটিকে এলাকার সবাই চিনেছে| মৃত্যুর কথা যেমন হু হু বাতাসের বেগে চারিদিকে ছড়ায়, বাবার মৃত্যু সংবাদটিও তেমনি কলকাতা অব্দি ছড়িয়েছিল তখন|
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন