অন্যদিকে মাবিয়াসহ কয়েকটি প্রদেশের গভর্নর আলীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করলেন, তাঁরা আলীকে সাফ জানিয়ে দিলেন যে, যতোদিন না ওসমানের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তি না দেওয়া হবে; ততোদিন আলীকে ইসলামি সাম্রাজ্যের খলিফা হিসাবে মানবেন না। আলী কারও কথায় কান দিলেন না। উল্টো যেসব গভর্নর ওসমানের হত্যাকারীদের শাস্তির ন্যায়সঙ্গত দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন তাঁদেরকে গভর্নর পদ থেকে অপসারিত করলেন। ফলে সমগ্র সাম্রাজ্য জুড়ে শুরু হলো গৃহযুদ্ধ। এই যুদ্ধে মুহাম্মদের সবচেয়ে প্রিয় পত্নী আয়েশাও অংশ নিয়েছিলেন। তিনি আলির বিরুদ্ধে একটা যুদ্ধে নের্তৃত্বও দিয়েছিলেন। যে যুদ্ধটি ইতিহাসে জামালের যুদ্ধ নামে অভিহিত। তবে আলীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহে প্রধান ভুমিকা নিয়েছিলেন মাবিয়া। আলী ও মাবিয়ার মধ্যে বহু ও ব্যাপক যুদ্ধ হয়েছিল। এইসব যুদ্ধে হাজার হাজার মুসলমান প্রাণ হারিয়েছিলেন। আলীর খেলাফতকাল মাত্র চার বছরের, তিনিও ওমরের মতো গুপ্তঘাতকের হাতে ছুরিকাহত হয়ে মারা যান। আলি ও মাবিয়ার মধ্যে চার বছর ধরে যে যুদ্ধ হয়েছিল তাতে কেউ জয়ী বা পরাজিত হয় নি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২০৮০ বার পঠিত
