ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫২ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
“এই মল্লিকা, এদিকে আয়। দেখ! কে এসেছে? আমার অনেক দিনের পুরনো বন্ধু।”
“নমস্কার আঙ্কল” বলে সাধুবাদ জানিয়ে কাছে এসে বসল মল্লিকা। জবাবে আমি দিলাম ‘সালাম’।
সালাম শুনে কিছুটা অপ্রস্তুত মনে হলো মল্লিকাকে।
“তুমি সালাম দিলে কেন আঙ্কল? তুমি কি মুসলিম? তুমি কি সন্ত্রাস করো?”
“তুমি আমার ঘরে জম্মালে সালামই দিতে, মল্লিকা,” বললাম আমি।
“তা হয়তো করতাম। আমিও মুসলিমই হতাম,” মল্লিকার উত্তর।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
শান্তনু রাজার পুত্র বিচিত্রবীর্য যক্ষারোগে আক্রান্ত হয়ে অপুত্রক অবস্থায় মারা যান। ফলে তার মাতা মৎস্যগন্ধা (পরবর্তীকালে সত্যবতী) বংশরক্ষার জন্য চিন্তিত হয়ে পড়েন। এমতাবস্থায় তিনি স্বপত্নী গঙ্গার পুত্র ভীষ্মদেবকে আহ্বান করেন এবং কনিষ্ঠ পুত্র বিচিত্রবীর্যের দুই বিধবা স্ত্রী যথাক্রমে অম্বিকা ও অম্বালিকার গর্ভে পুত্রোৎপাদনের প্রস্তাব করেন। ভীষ্মদেব ইতিপূর্বে কোনো কারণে জীবনে বিবাহ করবেন না বলে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। তাই পুত্রোৎপাদনে ভীষ্মদেব অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন। অনন্যোপায় হয়ে সত্যবতী অবিবাহিত অবস্থায় পরাশর মুণির ঔরসে কৃষ্ণদ্বৈপায়ন (আরেক নাম বেদব্যাস) নামে যে তার (জারজ?) সন্তান হয়েছিল তাকে আহ্বান করেন। কৃষ্ণদ্বৈপায়ন মায়ের আদেশ পালনার্থে তাতে সম্মতি জানান এবং তার দুই ভ্রাতৃবধু ও তাদের দাসীর গর্ভে একটি একটি করে মোট তিনটি পুত্রের অর্থাৎ ধৃতরাষ্ট্র, পাণ্ডু এবং বিদুরের জন্ম দান করেন’।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
এমন কি বর্তমানেও হিন্দু ধর্মানুসারীদের জন্য প্রয়োগযোগ্য রাষ্ট্রীয় যে বিশেষ আইন যেখানে ‘হিন্দু আইন অনুযায়ী’ শব্দ-সমষ্টি দ্বারা ট্যাগ করা হয়ে থাকে তার অন্যতম উৎস হিসেবেও মনুসংহিতাই প্রধান। অর্থাৎ এটি সমাজ-উদ্ভূত বিশেষ আইনশাস্ত্র হিসেবেও প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। অথচ মজার ব্যাপার হলো, চা থেকে যেমন পেয়ালা গরম হয়ে থাকে তেমনি বেদের সহনীয় নিরপেক্ষতার চাইতেও কথিত বেদাশ্রিত মনুসংহিতার আরোপিত অনুশাসনগুলো শতগুণ কট্টর বর্ণবাদী, বৈষম্যমূলক ও তীব্র অমানবিকই শুধু নয়, অদ্ভুত বর্ণাশ্রম প্রচলনকারী এই শাস্ত্রগ্রন্থে বস্তুত মানবিক সত্তাময় মানুষের উপস্থিতি নাই বললেই চলে। আর নারী তো সেখানে মানুষই নয়, হয়তো অন্যকিছু”।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
তুমি ভালবাসতে চেয়েছিলে।
আমিও।
হয়নি।
তুমি
অনেক দূর অবধি চলে এসেছিলে।
আমিও।
হয়নি আর পথ চলা।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
দ্রৌপদীর এই আকুল আহ্বানে শ্রীকৃষ্ণ সাড়া না দিয়ে পারলেন না। তিনি অন্তরীক্ষ থেকে বিচিত্র সুবস্ত্রে তাঁর অঙ্গ ঢেকে দিতে লাগলেন। শ্রীকৃষ্ণের আদেশে বিচিত্র বস্ত্র শয়ে শয়ে আবির্ভূত হতে লাগল। এই অদ্ভুত ঘটনা দেখে সভার মধ্যে ভয়ানক হৈ চৈ বেঁধে গেল। সভামধ্যে শতচেষ্টা করেও দুঃশাসন দ্রৌপদীকে বিবস্ত্র করতে পারল না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ অনুসারে, বিষ্ণুর তিন স্ত্রী ছিলেন– লক্ষ্মী, গঙ্গা ও সরস্বতী। তাঁরা সবসময় পরস্পর কলহ করতেন বলে বিষ্ণু লক্ষ্মীকে নিজের কাছে রেখে শিবকে গঙ্গা ও ব্রহ্মাকে সরস্বতী দান করেন। হিন্দু মহাকাব্য মহাভারত অনুসারে, বশিষ্ট কর্তৃক অভিশপ্ত বসুগণ গঙ্গাকে তাঁদের জননী হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
দেবী হিসেবে দুর্গার গায়ের রং অতসী ফুলের মতো সোনালি হলুদ। তিনি তাঁর ১০ হাত দিয়ে দশদিক থেকে অকল্যাণ দূর করেন এবং আমাদের কল্যাণ করেন। দেবী দুর্গার ডান দিকের পাঁচ হাতের অস্ত্রগুলো যথাক্রমে ত্রিশূল, খড়্গ, চক্র, বাণ ও শক্তি নামক অস্ত্র। বাঁ দিকের পাঁচ হাতের অস্ত্রগুলো যথাক্রমে শঙ্খ, ঢাল, ঘণ্টা, অঙ্কুশ ও পাশ। এসব অস্ত্র দেবী দুর্গার অসীম শক্তি ও গুণের প্রতীক।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বিবৃতিতে বলা হয়, সঠিক শিক্ষা কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে একটি জাতির অগ্রযাত্রার গতিপথ নির্মিত হয়। শিশু শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন, ব্যক্তিত্ব ও চেতনা গড়ে তোলায় শৈশবের শিক্ষার প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় জাতিসত্তার শিক্ষাসাধন ও বিশ্বদরবারে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন৫৫তমপর্ব। কী আবিস্কার করিয়া Yoshinori Oshumi ২০১৬ সনেমেডিসিন অথবা ফিজিওলজীতে নোবেল বিজয়ীহলেন? আপনি কি একটা সুস্থ দীর্ঘায়ূ জীবন পেতে ইচ্ছুক? […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ঋগ্বেদে দুই ধরনের সরস্বতীর উল্লেখ আছে। একটি ত্রিলোক্য ব্যাপিনী সূর্যাগ্নি, অন্যটি নদী। ঋগ্বেদে এবং যর্জুবেদে অনেকবার ইড়া, ভারতী, সরস্বতীকে একসঙ্গে দেখা যায়। বেদের মন্ত্রগুলো পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, সরস্বতী মূলত সূর্যাগ্নি। দেবীভাগবতে সরস্বতী জ্যোতিরূপা। ভৃগুপনিষদে জ্যোতির্ময়ী সরস্বতী ও জলময়ী সরস্বতীর সমীকরণ করা হয়েছে। এই উপনিষদে জলে জ্যোতি প্রতিষ্ঠিত, জ্যোতিতে জল প্রতিষ্ঠিত। রামায়ণ রচয়িতা বাল্মীকি যখন ক্রৌঞ্চ হননের শোকে বিহবল হয়ে পড়েছিলেন, সে সময় জ্যোতির্ময়ী সরস্বতী তার ললাটে বিদ্যুৎ রেখার মত প্রকাশিত হয়েছিলেন। ঋগ্বেদে ইন্দ্রের সঙ্গে সরস্বতীর সম্পর্ক যেমন ঘনিষ্ঠ তেমনি ঘনিষ্ঠ মরুদ ও অশ্বিনীদ্বয়ের সঙ্গে। সরস্বতী কখনো ইন্দ্রের পত্নী আবার কখনো শত্রু, কখনো-বা ইন্দ্রের চিকিৎসক।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন