ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫২ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
গীতায় কৃষ্ণ অর্জ্জুনকে যুদ্ধে প্ররোচনা দিয়েছেন বলেও কেউ কেউ অভিযোগ করতে পারেন। সে অভিযোগ চলতেই পারে। একইভাবে মার্কসের শ্রেণী সংগ্রামের তত্ত্বটির বিরদ্ধেও অনেকে অভিযোগ করেছেন এবং সে অভিযোগ অসঙ্গত কিছু নয়। রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম আমরা অনেকেই মানতে পারি না। তবু এখানে গীতাকারের বক্তব্যটাও বোঝার চেষ্টা করতে হবে। সেটা হল অপশাসনের অবসান ঘটাতেই হবে, এজন্য সব রকম মোহ পরিত্যাগ করা ও পুরুষকার অবলম্বন করা দরকার। বিবেকানন্দ বলেন, ''গীতা পাঠ অপেক্ষা ফুটবল খেলিলে তোমরা স্বর্গের অধিকতর নিকটবর্ত্তী হইবে।'' কিন্তু তার পরের লাইনটা অনেকেই জানেন না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
সেদিন হয়তো আর বেশি দূরে নয়, যেদিন এই দেশটাতেও ইসলামের চাঁদ ওঠবে। চোখ বন্ধ করে ভাবতে ভাবতে, ইসলামের চাঁদ দেখার জন্য আকমল হোসেন চোখের পাতা খুলেন। চাঁদ নয়, অসংখ্য টুপি তারার মত ফুটে আছে। খুশির জোয়ারে ভাসতে ভাসতে, মুসুল্লিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বেন কি-না, বুঝতে পারেন না। উচ্ছ্বাসের তীব্রতায়, আকমল হোসেন বিড়বিড় করে জপতপ করতে করতে, নিজেকে ঝাঁপিয়ে পড়া থেকে বিরত রাখেন। এটা বেলেল্লাদের দেশ।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
কথা হলো ফোনেফোনে। তুমি মেঘলাদিনের কথা বলো, বলো পলাশফুলের কথা, দোয়েল কোয়েল কত পাখির ওড়াওড়ি সেখানে! আবার কখনও নদীকে নিয়ে আসো আমার কাছে। স্মৃতির ভারে নদীতে তুমি আমি দুজনেই ডুবে যাই। আচ্ছা তোমার মনে পড়ে, সেই বৃষ্টিভেজা এক সকালের কথা! তুমি বলেছিলে, ‘এসো, এসো এই বৃষ্টিতে’। আমার ভীষণ মনে পড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া সেই পাতা বাহারের গাছটা আর দোলনাটা!
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আমার মুক্তি ঘটলো চীন দেশে গিয়ে। সেখানে গিয়ে প্রথম শুনলাম আমি ‘ফিয়াওলিয়াং’মানে সুন্দর। হিল ছাড়াই সুন্দর। কেডস পায়েই সুন্দর। সেখানে গিয়ে শুনলাম আমার চোখ, ঠোঁট, নাক সুন্দর। শুনলাম আমার গড়ন সুন্দর। শুনলাম, সব পোশাকেই আমি সুন্দর। শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, প্যান্ট, শার্ট, শর্টস, সুইমিং কস্টিউম, চীনা পোশাক সবকিছুতেই নাকি আমাকে দারুণ মানায়। একথা বললেন চীনারা। বললেন ইংরেজ, জার্মান, ফরাসিরা। আর আমার সেরা বন্ধু আমাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুললেন। বললেন, আমি লম্বা না বেঁটে তাতে কী আসে যায়! লেনিন, নেপোলিয়ন, শচীন টেন্ডুলকারের উদাহরণ দিলেন। মানুষের সৌন্দর্য তো তার দৈহিক উচ্চতায় নয়, সৌন্দর্য তার মানসিক উচ্চতায়।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
(দুই) বিড়ালটা যেন কাঁদছে ! এমন স্বরে আগে কখনো বিড়ালের মিউমিউ শুনেছে বলে দিলরুবা মনে করতে পারে না । ওর […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
‘সংস্কৃতভাষা’ শব্দটিই আমাদের বলে দেয়, সে এমন একটি ভাষা যাকে সংস্কার করে বানানো হয়েছে। রান্নার আগে গিন্নী-মায়েরা যেমন রান্নার নিমিত্ত প্রাপ্ত উপকরণগুলিকে বেছে সাফসুফ করে কেটে কুচিয়ে ধোয়াধুয়ি করার মাধ্যমে সংস্কার করে নিয়ে তবেই রান্না চড়িয়ে ব্যঞ্জন প্রস্তুত করেন, তেমনি নিশ্চয় নানা প্রকার প্রাপ্ত ভাষিক উপকরণকে সংস্কার করেই সংস্কৃতভাষা বানানো হয়েছিল । প্রশ্ন হল, সেই ভাষিক উপকরণগুলি কী? সংস্কৃতকারগণ সেগুলি কোথা থেকে পেয়েছিলেন?
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বাংলা বর্ণমালায় বর্ণগুলির একটি নির্দিষ্ট ক্রম রয়েছে, যার বাস্তবসম্মত ও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে। কোনো শব্দের অন্তর্গত বর্ণগুলি তার অর্থকে ধরে রাখে। শব্দার্থও ক্রিয়াভিত্তিক-বর্ণভিত্তিক হয় তা এবং যুক্তিসম্ম্ত উপায়ে বোঝা সম্ভব। শব্দার্থ এলোমেলো ক’রে দিলে সমাজে দুর্দিন ঘনিয়ে আসে। বর্ণমালায় বর্ণবিন্যাস এবং শব্দার্থের দর্শনটা বুঝলে সমাজের হযবরল অবস্থা দূর করার একটা উপায় পাওয়া যায়। ভর্ত্তৃহরি প্রমুখ বৈয়াকরণের মতে শব্দতত্ত্ব থেকে সমস্ত জগৎ বিবর্ত্তিত হয় (‘বিবর্ত্ততে অর্থভাবেন প্রক্রিয়া জগতো যত’ — ‘বাক্যপদীয়’, ১.১, উপরে মৎকৃত বঙ্গানুবাদ দ্রষ্টব্য)। যদিও আজকাল আমরা অনেকেই এসব ভুলে গেছি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
যারা সুরা (ধন) পান করেন তারা সুর, আজকের ভাষায় বলতে গেলে ওরা ধনতান্ত্রিক। যারা সুরা পান করেন না (ধনসম্পদ পেলেন না) তারা অসুর। আজকের ভাষায় বললে ওদের সমাজতান্ত্রিকদের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
অনেক গবেষক উল্লেখ করেন, নারীকে ‘আপন ভাগ্য’ জয় করবার অধিকার কেন দেয়া হবে না- এ প্রশ্ন উত্থাপন করেছিলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনতুমি আহ্লাদে, খুশিতে অন্যরকম হয়ে যেতে
আমি তখন খুঁজে পেতাম সুখের ঠিকানা,
মুঠোফোনের দিনগুলি বড়ই দীর্ঘ ছিল
রঙিন ছিল তার রাতগুলি।
০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন