ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫৩ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
ট্রেন থেকে মালপত্তরসমেত নেমে ইমিগ্রেশনে দাঁড়াতে হবে, এটাই নিয়ম। ঘরটার বড় খোলা দরজার দু‘পাশে দুই পুলিশ দাঁড়িয়ে। মাঝের ফুট দেড়েক জায়গা দিয়ে গিজগিজ করে লোকজন ঢুকছে। পুলিশদ্বয় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাইকে গায়ে হাত দিয়ে ভেতরে ঠেলে দিচ্ছে! কাউন্টারের কাজ শেষ হওয়ার পর আরও একটি কলাপসিবল গেটের সামনে শত শত মানুষ গিজ গিজ দাঁড়িয়ে! গরম ও উত্তেজনায় দর দর করে ঘামছে সবাই। প্রায় সবারই পিঠে, হাতে, কাঁধে ব্যাগ। নারীদের হাতে/ঘাড়ে ব্যাগের সাথে বাচ্চার হাত। গেট খুলছে না। কারণ? কারণ সবাই মালপত্তর নিয়ে নেমেছে কী না সেটা চেক করার জন্য পুলিশ/ কাস্টমসের লোকজন ট্রেন চেক করতে গেছে! চেক শেষ হলে তারা এসে তবেই গেট খুলে মালপত্তর চেক করবে!
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
খাগড়াছড়ির স্বনির্ভর পাড়ার ওখানে একটা ছোট্ট মিছিল বের করেছে হিল উইম্যান ফেডারেশনের মেয়েরা। কেন এই মিছিল? কল্পনা চাকমার অপহরণ মামলার বিচারের একটি পদক্ষেপ নিয়ে এই মিছিল। খুব বেশী লোকজন যে ছিল তা নয়। পুলিশ আর বিজিবি মিলে একটা বিশাল যৌথ বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়েছে সেই মিছিলে। বলতে খারাপ লাগছে, কিন্তু এ যেন হায়েনারা ঝাঁপিয়ে পড়েছে নিষ্পাপ মেশশাবকদের পালে। কোনপ্রকার বাছবিচার ছাড়া মেয়েদেরকে বেদম মারধোর করছে ব্যাটাছেলে পুলিশ আর বিজিবির দল। সামান্য সৌজন্য, সামান্য সম্মান, সামান্য সহানুভূতি কিছুই ওরা দেখানোর দরকার মনে করেনি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
কিছুদিন আগে দেশের নামকরা একটি প্রতিষ্ঠানের আইটি বিভাগের প্রধানকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে ইসলামি জঙ্গী সংগঠন আইএসের […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
অতি সম্প্রতি ইজিপ্টের একজন গুরুত্বপূর্ণ মাওলানা, যিনি মোটামুটি মডারেট মুসলিম হিসেবেই পরিচিত, এররকম একজন ব্যক্তি ন্যাশনাল টেলিভিশনে সরাসরি এই কথা বলেন আমাদের নবী মোহাম্মদ(সাঃ ) বেহেস্তে ভার্জিন ম্যারিকে বিয়ে করবেন
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
অন্যদিকে মাবিয়াসহ কয়েকটি প্রদেশের গভর্নর আলীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করলেন, তাঁরা আলীকে সাফ জানিয়ে দিলেন যে, যতোদিন না ওসমানের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তি না দেওয়া হবে; ততোদিন আলীকে ইসলামি সাম্রাজ্যের খলিফা হিসাবে মানবেন না। আলী কারও কথায় কান দিলেন না। উল্টো যেসব গভর্নর ওসমানের হত্যাকারীদের শাস্তির ন্যায়সঙ্গত দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন তাঁদেরকে গভর্নর পদ থেকে অপসারিত করলেন। ফলে সমগ্র সাম্রাজ্য জুড়ে শুরু হলো গৃহযুদ্ধ। এই যুদ্ধে মুহাম্মদের সবচেয়ে প্রিয় পত্নী আয়েশাও অংশ নিয়েছিলেন। তিনি আলির বিরুদ্ধে একটা যুদ্ধে নের্তৃত্বও দিয়েছিলেন। যে যুদ্ধটি ইতিহাসে জামালের যুদ্ধ নামে অভিহিত। তবে আলীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহে প্রধান ভুমিকা নিয়েছিলেন মাবিয়া। আলী ও মাবিয়ার মধ্যে বহু ও ব্যাপক যুদ্ধ হয়েছিল। এইসব যুদ্ধে হাজার হাজার মুসলমান প্রাণ হারিয়েছিলেন। আলীর খেলাফতকাল মাত্র চার বছরের, তিনিও ওমরের মতো গুপ্তঘাতকের হাতে ছুরিকাহত হয়ে মারা যান। আলি ও মাবিয়ার মধ্যে চার বছর ধরে যে যুদ্ধ হয়েছিল তাতে কেউ জয়ী বা পরাজিত হয় নি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনশাহবাগ ও গণজাগরণ মঞ্চ বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন,
“যাদের তিনি জিরো থেকে হিরো বানিয়েছিলেন তারা এখন আন্দোলন করছেন। তারা কী ভুলে গেছেন শাহবাগে তাদের যখন হেফাজতিরা তাড়া করেছিল তখন তাদের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বাঁচিয়েছিল। ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মকে অস্বীকার করা নয়। শূকরের মাংস, মদ ও গাঁজা খেয়ে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা যারা বলেন, তারা পারভারটেড। আমি অনেক অপমান সহ্য করেছি। এখন যারা এর বিরোধীতা করছেন আর যারা পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন আমি দু’পক্ষের কারও পক্ষে থাকবো না। তারা আগে মারামারি ও মল্লযুদ্ধ করে শক্তির পরীক্ষা করুক। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও এ ব্যাপারে দু’পক্ষ মুখোমুখি হলে কিছু করতে মানা করে দিয়েছি। দু’পক্ষের শক্তির পরীক্ষায় যারা আহত হবেন তাদের চিকিৎসা দেয়া হবে।“
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
গ্রিনহাউস গ্যাস পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়াচ্ছে, ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বাড়ছে। এতে করে পৃথিবীর নীচু অঞ্চল এবং দ্বীপরাষ্ট্রগুলো সমুদ্রগর্ভে তলিয়ে যাবার আশংকা বাড়ছে। অপরদিকে নাইট্রোজেন এবং সালফারের অক্সাইডগুলো এসিডিক, ফলে নানা জায়গায় এসিড বৃষ্টি হচ্ছে, বাতাস, পানি এবং মাটির স্বাভাবিক ক্ষারতা নষ্ট হয়ে উদ্ভিদ প্রাণিজগতের বাসভূমি, জীবনাচরণ পালটে যাচ্ছে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব হিসেবে প্রকৃতি থেকে খুব দ্রুতগতিতে উদ্ভিদ এবং প্রাণিরূপে প্রাণের নানা প্রকাশ চিরতরে হারিয়ে যাচ্ছে। খুব সম্ভবত আমরা প্রকৃতির ষষ্ঠ এক্সটিংশান প্রত্যক্ষ করতে যাচ্ছি, দুখঃজনক ব্যাপার হলো আমরা মানুষেরাই এটা শুরু করেছি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বয়সজনিত কারণে ১১৮২ সালের দিকে ইবনে তোফায়েল রাজ-চিকিৎসকের পদ থেকে অবসর নেন, কিন্তু তার রাজ-উপদেষ্টার পদ বহাল থাকে। ইবনে রূশদ তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। বছর দুয়েকের মধ্যে খলিফার মৃত্যু হয় এবং তাঁর ছেলে আবু ইউসুফ আল মনসুর ক্ষমতা নেয়। বাপের মতো ছেলেও দর্শনশাস্ত্রে খুব আগ্রহী ছিল, কিন্তু সেটা কেবলমাত্র দরবারের শিক্ষিত, গণ্যমান্যদের সাথে। সাধারণ জনগণের ওপর তার শাসন ছিল তার বাবার চেয়েও কঠোর। আবু ইউসুফ আল মনসুর আফ্রিকা এবং স্পেনে তৎকালীন বিখ্যাত আইনের অনেক বই পুড়িয়ে ফেলেন। সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে যুক্তি এবং মুক্তচিন্তা তার কাছে অসহ্য মনে হতো। তার মতে তারা শুধু ‘বিশ্বাস ও মান্য করবে’, আর তাদের জন্য যত নিয়ম-কানুন দরকার সব কোরান এবং হাদিসেই আছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
পাকিস্তান সেনাবাহিনী কি সেই রাতে শেখ মুজিব ছাড়া একজনও কোন আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছিলো? ঢাকা শহরের ফুটপাতে দোকানপাটে, রাজারবাগ পুলিশ লাইনে, ইপিআর ব্যারাক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হলগুলিতে তারা কোন আওয়ামী লীগ নেতাকে হত্যা করেছিল, গ্রেফতার করেছিল?
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আমাদের সৌভাগ্য জাহানারা ইমাম এখন বেঁচে নেই। নইলে আজ তাকেও দেশপ্রেমের প্রমাণ দিতে বলা হতো। ৯১ সালে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ঘাড়ে পা দিয়ে ৯৬ সালে মসনদে বসেছিলেন। ২০১৩ সালের গণজাগরণ মঞ্চের ঘাড়ে পা দিয়ে ফের মসনদ পাকা করলেন। তারপর যখনই মনে হলো জনগণের ভিন্ন একটা প্রতিবাদের প্লাটফর্ম খাড়া হয়ে যাচ্ছে তখনই সেটা গাজাখোরদের আস্তানা হয়ে গেলো। জাহানারা ইমামের ডাকে যে সমুদ্র গর্জন জেগে উঠত নিশ্চিত করেই সেটা তাকে আতংকিত করত। অপমান অবজ্ঞার হাত থেকে ‘আম্মা’ মারা গিয়ে যে রেহাই পেয়েছেন সেটাই এখন স্বস্তি…। সুফিয়া কামাল, নীলিমা ইব্রাহিম… আপনারা মরে গিয়ে বেঁচে গেছেন…।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন