ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫৩ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
অতি সম্প্রতি আহমেদ শফির একটি বক্তব্য নিয়ে ফেইবুকে অনেক তোলপাড় হয়েছে। নিঃসন্দেহে এই তোলপাড় যতোটা না সামাজিক তার চাইতে বেশি রাজনৈতিক। আহমেদ শফির এই ধরনের বক্তব্য এটাই প্রথম নয়। যতো ওয়াজ-মাহফিলের বক্তব্য শফির চাইতে কোন অংশে উন্নত মানের নয়। অথচ শত শত বছর ধরে এই অশ্লীলতাকে হাততালি দিয়ে উৎসাহিত করা হয়েছে। বাংলাদেশের সমাজ একটি উগ্র পুরুষতান্ত্রিক সমাজ। নারী এখানে শুধু নিষ্পেষিতই নয়, বরং তারা যেন এই অবস্থা থেকে বের হতে না পারে সেই প্রচেষ্টাটি সর্বত্র বিদ্যমান।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
কোন একটিমাত্র গ্রন্থকে বিশ্বের সব জ্ঞানের ভাণ্ডার এবং সর্বশ্রেষ্ঠ এরকম প্রমাণের চেষ্টার মতো অবৈজ্ঞানিক কোন কিছুই আর নেই। এই বাড়াবাড়ি না করেও ধর্ম পালন করা যায়। নিজেদেরকে মানুষ হিসাবে উন্নত করা যায়। ধর্ম হোক সেই নিজেকে উন্নত মানুষ করার হাতিয়ার, আর কিছুর দরকার আছে কি?
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
তেমনি মুসলিম শাসন তথা মুঘল ও নবাবী আমলেও এ রকম বিভিন্ন প্রশাসনিক ইউনিট বিদ্যমান ছিল। এ সময়ে মধ্যবর্তী স্তরে সামন্ত বা জমিদার ব্যবস্থার পত্তন হতে দেখা যায়। বাবর সামন্ত অধিপতিদের ওপর স্থানীয় প্রশাসন পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন। সামন্ত অধিপতিগণ নিজ নিজ অঞ্চলে প্রায় অর্ধ স্বাধীন রাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং নিজস্ব আইন অনুযায়ী শাসন করতেন। তবে একথা স্পষ্টভাবে বলা যায় যে, সামন্ত অধিপতি বা জমিদারগণ ছিলেন কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন। কিন্তু কেন্দ্রীয় বা মধ্যবর্তী, কেউই গ্রাম-প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করেনি, গ্রাম-প্রশাসনে কোন পরিবর্তন সংঘটিত হয় নি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
লেখাটির লেখকের নাম লিখে গুগল সার্চ করতেই সব মনে পড়লো। ‘শাহমিকা আগুন‘। তিনি কিছুদিন আগে অটিজমকে শুধুমাত্র পুষ্টিজনিত রোগ দাবী করে একটি অসত্য, অপরিপক্ক ও অপমানসূচক লেখা দিয়েছিলেন যেটির ভুল ধরিয়ে দিয়ে আমি লিখেছিলাম ‘অটিজম: কিছু কারণ, কিছু ভুল ধারণা ও কিছু করণীয়’। সেই একই লেখক এবারও পুষ্টি নিয়ে গালভরা ভুলেভরা লেখা লিখেছেন। তার লেখার সারাংশ হচ্ছে যে আয়োডিনের অভাবে (বিশেষত অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে) বাঙালি জাতি বিলুপ্ত হতে চলেছে বা হবে!
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আধুনিক বিজ্ঞান যার হাত ধরে পূনর্জাগরিত হয় সেই নিউটন নিজে ছিলেন একজন আলকেমিস্ট। গ্রিক ডেমোক্রিটাস নয়,আধুনিককালে নিউটন প্রবর্তিত কণার ধারণাই ইওরোপে আলোড়ন তুলেছিল, যা পরবর্তীতে ডাল্টনের পরমাণুবাদে স্থানলাভ করে। আধুনিক বিজ্ঞানের আবির্ভাবের পূর্বে আলকেমিস্টরা মন এবং বস্তুকে পৃথক ভাবেনি, তাদের কাছে উর্ধ্বজগত, অধোঃজগত মিলে একটাই জগত। আলকেমিস্টের কাজ বিজ্ঞানীর মত নৈর্ব্যক্তিক নয় বরং তার সকর্মক কর্তাসত্তা আছে, ফলে বস্তুর পরিবর্তনে সে তার নিজের পরিবর্তনও আশা করতো।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
অন্যদিকে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর জিহাদ ভীষণ লাভজনক পেশা হয়ে উঠেছিল। জিহাদে অংশগ্রহণকারীগণ সমস্ত লুণ্ঠিত দ্রব্যের (টাকা-পয়সা, ঘোড়া-উট, বন্দী নারী-পুরুষ প্রভৃতি) বখরা (ভাগ) পেতো। ইসলামের পরিভাষায় লুণ্ঠিত দ্রব্যগুলি গণিমতের মাল। গণিমতের মাল হিসেবে বন্দী নারীদের শরীর ভোগ করাকে ইসলাম আল্লাহর নামে বৈধতা দিয়েছে। পুরুষ-বন্দীরা ক্রীতদাস এবং নারী-বন্দীরা ক্রীতদাসী- এই ছিল আল্লাহর নামে মুহাম্মদের বিধান। এসব কারণে রাষ্ট্রীয় সৈন্যবাহিনীতে নাম লেখানোর জন্যে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলে দলে মদিনায় এসে ভিড় করতো যাদের মধ্যে এমনকী অনেক বিধর্মীরাও থাকতো।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনঅবশ্য এই সঙ্গে ধর্মের ভূমিকাকেও আমাদের হিসাবে নিতে হবে। ইসলাম মূলত সামরিক বৈশিষ্ট্যমূলক রাজনৈতিক ধর্ম হওয়ায় ইসলামী সমাজে ঐতিহ্যগতভাবে সেনাবাহিনীই রাষ্ট্রশাসনে প্রধান নির্ধারক শক্তি হয়। পাশ্চাত্য আধিপত্য এই অবস্থায় কিছু পরিবর্তন আনলেও ইসলামের মূল প্রবণতা অনুযায়ী সমাজ যে কোনও সময় রাজনৈতিক দলের শাসন থেকে সেনা শাসনে চলে যেতে পারে। যেহেতু সমাজ তথা জনমানস বেসামরিক এবং রাজনৈতিক শাসন কিংবা গণতন্ত্রের অনুকূল নয় সেহেতু রাজনৈতিক শাসন ব্যবস্থা হয়ে থাকে দুর্বল, অস্থিতিশীল এবং ভঙ্গুর। সমাজে মোল্লা তথা ধর্মীয় শক্তি এবং ধর্মের প্রভাব বৃদ্ধির সমান্তরালে যে কোনও ধরনের অসামরিক কর্তৃত্বের দুর্বলতা ও অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পায়। পাকিস্তান এর একটা মূর্ত দৃষ্টান্ত। বিশেষত মোল্লা এবং মসজিদগুলিকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সেনাবাহিনী সেখানে জনগণকে নিয়ন্ত্রণের সহজ উপায় দেখতে পায়।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনধর্ম শুধু সংযমের বাতাবরণ। ধর্মকে বৈষয়িক, সামাজিক ও রাজনৈতিকক বিষয়ে গুলিয়ে জীবনকে এমন জটিল করার অর্থ কি! অবশ্য বাস্তবে ধার্মিকদের অনেকেই উন্নত জীবনযাপন করছেন, নিচ্ছেন বিশ্বায়নের সকলরকমের সুযোগ সুবিধা, কিন্তু মস্তিষ্কে বয়ে নিয়ে চলেছেন সেই অন্ধকার যুগের ধ্যানধারণা। ফলে এদের মানসিক বিকাশ তো দূরের কথা, বোধের এবং ভাবের গভীরতাও আটকে থাকে ধর্মের বেড়াজালে। শিল্পের নন্দনতত্ত্ব বোঝা তখন তাদের কাছে কঠিন বস্তু হয়ে দাঁড়ায়। মূলতঃ এদেরকেই আমি প্রতিক্রিয়াশীল বলি। যারা প্রগতির পথে বিরাট অন্তরায়।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
১৮০০ শতক থেকে পাশ্চাত্য সভ্যতার উত্থান এবং রাজনৈতিক প্রতিপত্তি বৃদ্ধির সাথে সাথে মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীনতা বাড়তে শুরু করে। তারওপর মধ্য এশিয়াতে কোনো আধুনিক গণতন্ত্রভিত্তিক মুসলিম রাষ্ট্রই সফল হয়নি। রাজনৈতিক অস্থিরতা ধর্মীয় কূপমণ্ডুকতার সৃষ্টি করতে থাকে, পরিণামে মুসলিম মৌলবাদের উত্থান। বইটিতে মৌলবাদের ওপরেও একটি সম্পূর্ণ পরিচ্ছেদ আছে। যেখানে ইসলামি মৌলবাদের উৎপত্তির বিভিন্ন কারণ বর্ণনা করা হয়েছে। পাশাপাশি এটাও দেখানো হয়েছে যে, এমন নয় যে, কেবল ইসলামেই মৌলবাদীদের আনাগোনা রয়েছে। সকলের বইটি পড়া উচিত।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনখলিফা ওমর কিন্তু কমিটির সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত বলে জানিয়ে দিলেন এবং খেলাফতের দায়িত্ব ওসমান গণির হাতে সঁপে দিলেন। তৃতীয় খলিফা এই ওসমান গণিও ছিলেন মুহাম্মদের আর এক জামাই। তৃতীয় খলিফা হিসেবে ওসমান গণিকে আলী একেবারেই মেনে নিতে পারেন নি। ওসমান গণির খেলাফতকালে নানাভাবে ওসমানকে সমস্যায় ফেলার চেষ্টায় আলী নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। এরই ফলশ্রুতিতে ওসমানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ দানা বাঁধে এবং শেষঅবধি বিদ্রোহীদের হাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনই-মেইলে যোগাযোগ করুন