এই শরণার্থীরা মুসলিম। তারা তাদের ধর্ম পালন করেন। সেসঙ্গে ‘ধর্মীয় বিধান নয়’, অথচ তারা মনে করেন সেটি ‘ধর্মীয় বিধান’ এমন কিছু রীতিনীতিও তারা পালন করেন যেগুলো মূলত তাদের গোত্রীয় রীতিনীতি। এর মধ্যে নারীর প্রতি নির্যাতনমূলক বেশকিছু রীতিও রয়েছে। যেমন একেবারে শিশু মেয়েকে বিয়ে দেওয়া, মেয়েদের খৎনা করা, অনার কিলিং বা পারিবারিক সম্মান রক্ষার নামে নারীকে হত্যা, মেয়েশিশুকে স্কুলে যেতে না দেওয়া, স্ত্রীকে, বোনকে, মেয়েকে প্রহার ইত্যাদি। নেদারল্যান্ডস সরকার এসব রীতিকে বাধা দিতে গেলেই শুনতে পায় এগুলো নাকি তাদের ধর্ম। ফলে এগুলোতে বাধা দিলে তাদের ধর্ম পালনে বাধা দেওয়া হবে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
