ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৫৫৬ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
প্রাক ইসলাম যুগে আরবে নারী আজকের মুসলিমদের তুলনায় অনেক বেশী স্বাধীনতা ও অধিকার ভোগ করতো এবং অনেক বেশী সম্মান ও […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন১৮৩৪ বার পঠিত
একটা বসন্ত বাউরি ডাকছে বাইরের গাছটাতে। ওর ফটো তুলতে যাবো? না, থাক। এই পাখিগুলি বড়ই শয়তান। খালি এইটা সেইটা আলাপ […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৯৯৬ বার পঠিত
গতকালের ঘটনা। বাস থেকে নামতে যাচ্ছিলাম। স্টপেজ বলে কিছু নেই। দৌড়ে বাসে উঠতে হয়, লাফিয়ে নামতে হয়। সবটাই চলন্ত […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২০৭৭ বার পঠিত
সরস্বতী সম্বন্ধে ভাল করে না জেনে হুজুগে মেতে সরস্বতী পূজা এবং ভক্তিহীন সরস্বতীপূজা করা অর্থহীন। এই নিয়ে একটা গল্প বলছি। বছর দশেক আগে এক সরস্বতী পূজার দিনে আমি একটি কলেজে (কলেজটার নাম উহ্য রইল) জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ে একটি সেমিনার করতে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি ছাত্রছাত্রীদের সেমিনারের দিকে মন নাই, সবাই উসখুস করছে, যেন কোনো তাড়া আছে। তাড়ার কারণটা একটু পরেই বোঝা গেল…
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২০৬১ বার পঠিত
গার্মেন্টস মালিকরা বাংলাদেশে অনেক ক্ষমতাবান। আমাদের সরকার থেকে শুরু করে সকল প্রতিষ্ঠান ওদের কথায় ওঠে আর বসে। ওদের গাফিলতির জন্যে আমাদের দেশে কতো শ্রমিক প্রাণ দিয়েছে তার গোনাগাথা নাই। পায়ের তলে পিষ্ট হয়ে, আগুনে পুড়ে, ভবনের নিচে চাপা পড়ে কিট পতঙ্গের মতো শ্রমিকরা মরে। কোনোদিন কোনো মালিকের জেল হয়না, বিচার হয়না। সরকার থেকে শুরু করে সবাই ব্যস্ত হয়ে যায়, মালিকদের লোকসান কীভাবে পুষিয়ে দিবে তার জন্যে। শ্রমিকের প্রাণের দাম ওদের কাছে কিচ্ছু না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন১৪৫১ বার পঠিত
১২ বছর থেকে বা ১৩ বছর থেকে বা ১৪ বছর থেকেই একজন নারীশিশুর মধ্যে যৌন আকাঙ্খা, যৌন চাহিদা – এসব তৈরি হতে পারে, প্রেম ভালোবাসার সাথে সাথে যৌন আনন্দ উপভোগের ব্যাপারটিও চলে আসতে পারে, ফলে এই বয়সেই সে স্বেচ্ছায় যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হতে পারে। সেক্ষেত্রে এই প্রশ্নটি খুব স্বাভাবিক যে, যে সম্পর্ক সে নিজে থেকে ও নিজ উদ্যোগে করেছে সেটির জন্যে আরেকজনকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় কী না, দোষী সাব্যস্ত করা হলেও তার জন্যে তার শাস্তি, আরেকজন যে সম্পূর্ণ জোর করে মেরে পিটে ধর্ষণ করছে তার সমান হতে পারে কী না- এসব প্রশ্নের জবাবে আমি কিছুটা রিলাক্টেন্টই হতে চাইবো।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনএইভাবে অন্ততপক্ষে দশজন নিকট আত্মীয়ের পক্ষেই মুহাম্মদকে হত্যা করার কারণ এবং সুযোগ ছিল। যার মধ্যে তিনজন ছিলেন খলিফা পদের সম্ভাব্য অধিকারী বা অধিকারীর পরিবারের লোক। বিবিরা সকলেই ভয় করতেন, কখন মুহাম্মদ তাঁদের তালাক দিয়ে বসেন। এই অবস্থায় মুহাম্মদের মৃত্যুর সম্ভাবনার দায় কেবলমাত্র ইহুদিদের ওপর চাপানো অজ্ঞতার নামান্তর। নবি মুহাম্মদের খুন হবার বাঁকি সম্ভাবনাগুলিও মাথায় রাখা প্রয়োজন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনপাইথাগোরাস মনে করতেন ‘এক’ দিয়ে বা ‘এক’ হতেই জগতের সৃষ্টি। একের জন্য এত বড় মর্যাদাকর অবস্থান এর আগে আর কখনো আসেনি। কিন্তু খুব শীঘ্রই পাইথাগোরাসের সমগ্র বিশ্বাসের মূলে কুঠারাঘাত নেমে আসে এবং খুবই বিয়োগান্তক ভাবে সেটা আসে ত্রিভুজ থেক। যে ত্রিভুজ তাঁকে জগদ্বিখ্যাত করে সেই ত্রিভুজই তার জীবন ও দর্শনের গতিরোধ করে দাঁড়ায়। সবকিছুর মূলে যদি এক থাকে, তাহলে ত্রিভুজের মূলেও এক সংখ্যা থাকবে। কিন্তু সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে পাইথাগোরাস প্রত্যেক বাহুকে একটি একক সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করতে চেষ্টা করতে ব্যর্থ হন। তার এক শিষ্য পাইথাগোরাসকে এ বিষয়টা অবগত করালে পাইথাগোরাসের সমর্থক গোষ্ঠী তাঁকে ডুবিয়ে মেরে ফেলে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৪৬ বার পঠিত
আনিসুল হকের লেখা আর মোস্তফা সারোয়ার ফারুকী‘র পরিচালনায় ব্যাচেলর নামক ছবিটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয় মধ্যবিত্ত দর্শকদের কাছে। ব্যাচেলর সিনেমার ভাষারীতির দ্বারা তরুণ সমাজ ব্যাপক প্রভাবিত হন। প্রমিত ভাষার পরিবর্তে উঠতি লেখকরাও ফারুকী ভাষা ব্যবহারে উৎসাহী হয়ে ওঠেন। নগরজীবনে, স্কুল-কলেজে, নাটকে-সিনেমায় এই ভাষাটির প্রচলন শুরু হয়। সুশীল সমাজে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত মধ্যবিত্তের জীবনের কোথাও এই ভাষারীতিটি রয়ে যায়। এসময় ঢাকাই বাণিজ্যিক ছবি কাজী হায়াৎ এর আম্মাজানও বেশ সাড়া তোলে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন১৫০৫ বার পঠিত
বাংলাদেশের গৃহবধূরা যে স্বামীর নির্যাতনের শিকার তার একটি মূল কারণ হলো অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা। তিনি পদে পদে স্বামীর উপার্জনের উপর নির্ভরশীল। তার শ্রম তিনি দিচ্ছেন কিন্তু তার উপযুক্ত মূল্য পাচ্ছেন না। তবে বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক যে নারী অর্থ উপার্জনের সঙ্গে জড়িত, যারা কাজ করছেন কলে কারখানায়, অফিসে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, হাসপাতালে ও অন্যান্য স্থানে, যারা যুক্ত রয়েছেন বিভিন্ন পেশায় তারা কি পারিবারিক নির্যাতন থেকে মুক্ত হতে পেরেছেন? না তা পারেননি। পারেননি কারণ তারাও অসম সামাজিক অবস্থানের শিকার।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন১৭৮৯ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন