ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫২ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
পাঠকেরা বইটি কীভাবে নিবে সেটা দেখা যাবে। কিন্তু এ বই লেখিকার আগের উপন্যাস ‘গড অফ স্মল থিংস’ এর চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের সেটা বুঝা যাচ্ছে। লেখিকা স্বীকার করেছেন, তিলোত্তমার সাথে আগের উপন্যাসে এস্থা আর রেহেলের সম্পর্ক আছে। তারপরেও এ বইটি ভিন্ন ধরনের, এ বই লেখিকার রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে উৎসারিত। এতে এক্টিভিস্ট হিসেবে তাঁর দু’দশকের অভিজ্ঞতা উঠে এসেছে। ভারতীয় সমাজে আজকে যারা নির্যাতিত, নিপীড়িত, দলিত, মুসলিম, সমকামী, হিজড়া এদের সবাইকে নিয়ে লেখিকা গল্প ফেঁদেছেন, যেটা মধ্যবিত্ত পাঠককে নাড়া দিবে বলে আমার বিশ্বাস।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনজীন প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রাণের প্রকাশের উপর নির্বিচার অত্যাচারের কারণে বর্তমান বিশ্বে জীন প্রযুক্তির থাবা থেকে মুক্ত উদ্ভিদ অথবা প্রাণীর সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে। জীন প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদিত ফসল এবং উৎপাদনের জন্য সার, কোম্পানি নির্দিষ্ট বীজ ও কীটনাশক প্রাণের প্রতি ভয়াবহ হুমকি। আমাদের লোভের কারণে সুস্থ, স্বাভাবিক, প্রাকৃতিক ও নিরাপদ খাদ্য-শৃঙ্খল ধ্বংস হচ্ছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
কিসের ওপরে এই বই? কে এই হেনরিয়েটা ল্যাকস? আমি জানি হয়তো বিশ্বের অধিকাংশ চিকিৎসকেরাও জানেন না, যে পোলিও ভ্যাক্সিন দিয়ে বিশ্বের কোটি কোটি শিশুকে পঙ্গুত্ব থেকে বাঁচানো হয়, যে জিন ম্যাপিং করে মানুষের রোগের কারণ, প্রতিরোধ নির্মাণ হচ্ছে, বিজ্ঞানের বিষ্ময় যে ক্লোনিং করে একই রকমের প্রাণি বানাতে পারছে মানুষ, এর সব কিছুর জন্য আমরা এই হেনরিয়েটা ল্যাকস নামের এই মানুষটির কাছে ঋণী।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
দেশের ৫৫টি ব্যাংকে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে খেলাপি ঋণ গ্রহিতার (ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে) সংখ্যা ২ লাখ ২ হাজার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
কালে কালে একসময় নানা কারণে মহর্ষি আপন সম্প্রদায়ের কিছু দাসকে অন্য সম্প্রদায়ের হাতে তুলে দিতে বাধ্য হন, এবং তাদের গোত্রান্তর হয়ে যায়। [ নারীদের এই গোত্রান্তর আজও প্রচলিত রয়েছে বলেই বিয়ের পর মেয়েদের পদবী স্বামীর পদবীতে বদলে যায় ]। মানুষকে দাসে পরিণত করার বা কৃতদাস প্রথার সেই সূত্রপাত। ঠিক তার পিছু পিছু আসে ‘ক্রীতদাস’ প্রথা।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
“বিশ্বাস”-এর জন্য প্রমাণের প্রয়োজন, কিন্তু “ঈশ্বর বিশ্বাস” কোনো প্রমাণের ধার ধারেনা। এটা অনুমান, সন্দেহ, সংশয় থেকে অর্জিত অশিক্ষিত (আদিম) অজ্ঞান মানুষের এক শক্ত বোধ, যা সুপ্রাচীনকাল থেকেই সহজে সংক্রমিত হয়ে এসেছে মানবজাতির পরম্পরায়, প্রাকৃতিক ধারায়। অন্য দিকে “অবিশ্বাস” সে রকম কোন বোধ নয়, এটা জ্ঞানের একটা স্তর, অজ্ঞানতাকে অস্বিকার করার চেতনা, বাস্তবতাকে উপলব্ধি করার অনুভুতি। তাই এই ক্ষেত্রে অবিশ্বাস অর্থে অবিশ্বাস নয়, মিথ্যা বিশ্বাসকে অস্বিকার।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
এদিকে রাধিকার শুভ জন্ম-মহোৎসব উপলক্ষ্যে আমন্ত্রিত হয়ে স্ত্রী ও পুত্রসহ নন্দ মহারাজ বৃষভানু রাজার রাজপুরীতে এসে উপস্থিত হন। তাঁরা পরস্পরে আনন্দে কোলাকুলি করছিলেন,তখন এক ফাঁকে কৃষ্ণ অন্তঃপুরে রাধার পালঙ্কের কাছে এসে তাঁর চোখ খুলে কৃষ্ণের দিকে তাকালেন। এভাবেই উভয়ে উভয়কে দর্শন করে দিব্য আনন্দে নিমগ্ন হন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বিজ্ঞানের জগতে শুন্যের আবিষ্কার গণিতের জগতে ভারতবর্ষের অন্যতম উপহার। গণিতে আর কোন কিছু না দিলেও শুধুমাত্র শূন্যের আবিষ্কারের জন্য ভারত গণিতের ইতিহাসে চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছে। আজকের আরবী সংখ্যা পদ্ধতি (এরাবিক নিউমেরাল) নামে পরিচিত দশভিত্তিক গণনা পদ্ধতি আসলে ভারতীয় গণনা রীতি। প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদেরা এত বড় বড় সংখ্যার ব্যবহার করত তা আজো ভাবলে আশ্চর্য হতে হয়। আগেকার আরো অনেক সভ্যতার মতো ভারতের সময়ের ধারণাও চক্রাকার, আজকের আধুনিক মানুষের ক্রমবর্ধমান সরলরৈখিক সময়ের থেকে তা ভিন্নধরণের। পদার্থবিজ্ঞানী কার্ল সাগান তার ‘কসমস’ এ ভারতের সময় এবং গণনা পদ্ধতির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
এই বচনানুসারে পরমেশ্বর ব্রহ্মার হৃদয়ে বেদোপদেশ প্রদান করিয়াছিলেন। তাহার পর পুনরায় অগ্নি ইত্যাদি ঋষিদের আত্মায় করিলেন কেন?
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
মানবাধিকারের পক্ষে সোচ্চার সুলতানা কামাল বরাবরই ন্যায় ও প্রগতির পতাকা ঊর্ধ্বে ধরেছেন যা সত্য মনে করেছেন, জোরালো ও স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন। এখনো বলছেন। ২০০৬ সালে ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে যখন দেখলেন, প্রধান উপদেষ্টার দলবাজির কারণে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করা যাচ্ছে না, তখন আরও তিন উপদেষ্টার সঙ্গে তিনি পদত্যাগ করেছিলেন।রামপাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সুন্দরবনকে যে ভয়াবহ ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে তা মানুষ কে সজাগ করেছেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন