ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫২ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
সুইডেনে, বিশেষ করে অবিবাহিত যুবতীরা বিশ্বাস করে যদি এই উৎসবের প্রথম রাত্রে (যদিও অন্ধকার রাত হয়না তবুও) ঘুমানোর সময় ৭ টি বিভিন্ন ধরনের ফুল বালিশের নিচে রেখে ঘুমায়, তাহলে স্বপ্নে যে রাজপুত্রকে দেখবে সে-ই তার জীবনসঙ্গী হবে ও তার সাথেই পরের দিন-রাত নাচে গানে কাটিয়ে দিতে হবে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ধর্ষণ একটা ভয়ংকর সামাজিক ব্যাধি। এটা কোনো ব্যক্তি বিশেষের ইন্দ্রিয়লিপ্সা বা পদস্থলন বা অপরাধী মনের ফসল নয়। এই ব্যাধি থেকে সমাজকে মুক্ত করতে হলে সামগ্রিকভাবে গোটা বিষয়টা নিয়েই ভাবতে হবে, সক্রিয় হতে হবে। কোনো ঘটনায় অতি সক্রিয় আবার কোনো ঘটনায় শীতঘুমে চলে যাওয়ায় অবস্থার কোনো হেরফের হবে না। গ্রামে আগুন লাগলে দেবালয়ও ছাড় পাবে না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনইসলামের নবি হযরত মহম্মদ নিজে উপবাস পালন করতেন ঘরের ভিতরে ওরফে মদীনা মসজিদের মধ্যে, নিরিবিলিতে। সত্যিই তিনি সারাদিন কী খেয়েছেন, কী দিয়ে ইফতার করেছেন এসব কেউ কোনদিন চোখেও দেখতে পেতো না। অন্য মুসলমানদের মতো সকাল থেকে সন্ধ্যা নয়, তিনি প্রায়ই টানা কয়েকদিন উপবাসে থাকতেন। তাঁর সাহাবীরা যখন রাসুলের অনুকরণে লম্বা উপবাস করতে শুরু করল তখন তিনি তাতে বাধা দিয়ে বললেন, “তোমরা কেউ আমার মতো নও। নিজের সাধ্যমতো আমল করবে”। অর্থাৎ উপবাসের কোনো নিয়ম নেই যা সকলের জন্য একই। সাধ্য অনুসারে পালন করলেই হবে। আমরা এই আলোচনায় দেখব যে, মুহাম্মদ নিজেই কোনোরকম সময়বিধি না মেনে কখনও টানা ৪০ দিন-রাত উপবাস করেছেন, আবার কখনও রমজান মাসের মাঝামাঝি সময়েই দিনেদুপুরে উপবাস ভঙ্গ করেছেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
কিন্তু মদিনার মানুষ তাঁদের ভুল প্রমাণিত করে মাবিয়া ও এজিদের পাশে প্রকাশ্যেই দাঁড়িয়ে যান। মদিনার মানুষ বোধহয় ওসমানকে যখন বিদ্রোহীরা হত্যা করে তখন ওদের ভুমিকা দেখে যে কষ্ট পেয়েছিলেন তা বোধহয় ভুলতে পারেন নি। মদিনার মানুষের এই ভুমিকায় হোসেন ও তাঁর বাকি তিনজন সঙ্গী মানসিকভাবে ভীষণ কষ্ট অনুভব করেন এবং হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েন। তাই তাঁরা শুধু সভাস্থলই ত্যাগ করেন নি, অচিরেই মদিনা ত্যাগ করে মক্কা চলে যান। ইতিহাসের কী নির্মম পরিহাস, মানুষের সমর্থন না পেয়ে প্রবল হতাশা নিয়ে ৫৬/৫৭ বছর পূর্বে মুহাম্মদ, আলি, আবু বকর, ওমর এবং আবু যুবাইয়েরদের মক্কা ত্যাগ করে মদিনা এসে আশ্রয় নিতে হয়েছিল, আর আজ তাঁদেরই উত্তরসূরিরা মানুষের সমর্থন হারিয়ে মদিনা ত্যাগ করে মক্কার পথে পাড়ি দিলেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনযে ‘হনুমান’জীর পূজা করা হয়, তিনি কে? কী তাঁর পরিচয়? – [ বঙ্গযান ] সম্প্রতি ‘হনুমান’জীকে নিয়ে প্রশ্ন […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
হিমালয় ছেড়ে উইঢিপি। – বঙ্গযান। বিগত ১০.০৫.২০১৭ তারিখের ‘বঙ্গযান’-এ “যে হনুমানজী’র পূজা করা হয় তিনি কে?” – নিবন্ধে ‘হনমান’ […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ভারতবর্ষের জনসাধারণ কিন্তু নিজেদের ভাষার বিপুল বৈভব বিসর্জ্জন দিয়ে, নিজেদের মানসিক সর্ব্বনাশ মেনে নিতে রাজী হননি; তা সে শব্দ-ব্যবহারের বহুকাল ক্রমাগত প্রথা মেনে চলার কারণে হোক কিংবা সচেতনভাবেই হোক। তার অনিবার্য্য ফল হয় এই যে, বাংলাভাষা কার্য্যত দু’টি পৃথক ধারায় প্রবাহিত হতে শুরু করে দেয় – আধুনিক বাংলা ও চিরাচরিত বাংলা। একদিকে প্রশাসনে ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার দুনিয়ায় বা অ্যাকাডেমীতে যে বাংলাভাষার চর্চ্চা হয়, তার অধিকাংশ বৈভব বিসর্জ্জিত হতে থাকে এবং আজ, ২০১৭ সালে, ঐ বাংলাভাষা ইংরেজী ভাষার মতো প্রায় একার্থবাচক হয়ে, সম্পূর্ণভাবে উইঢিপি-বাহক নিম্ন- অধিকারীর ভাষায় পর্য্যবসিত হয়ে গেছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
কওমীমাদ্রাসার পাতিহুজুররা বাংলাদেশের সবকিছুতে হিন্দুয়ানি খুঁজে পায়। আর পাকিস্তানী সবকিছুতে আবিষ্কার করে ইসলাম। সেই হিসাবে এরা পাকিস্তানের মদ্যপায়ী জেনারেলদেরকে এখনও নবী-রাসুলের চেয়ে বেশি মান্য করে—ভক্তি করে থাকে। এদের ঈমানের মূলস্তম্ভ পাকিস্তান। আর একমাত্র পাকিস্তানই এদের জীবনের সকল সুখ-আহ্লাদ। এরা জীবনের সর্বক্ষেত্রে পাকিস্তানকে ভালোবেসে এখনও পাকিস্তানের স্বপ্ন দেখে। তাই, এদের কাছে বাংলাদেশের কোনোকিছুই ভালো লাগে না। এরা কওমীমাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সেই পাকিস্তানী বিজাতীয়-অপআদর্শে অমানুষ করছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
রুদ্রর দিকে তাকিয়ে আমি চমকে উঠলাম। ওকে দেখে আমার বুক ভেঙে আসছিল। ওর নাকেমুখে অনেক নল ঢুকানো। কথা বলা বন্ধ। খাওয়াও নল দিয়ে। আমাকে দেখে চোখের ইশারায় কাছে ডাকল। আমি এগিয়ে কাছে যেতে ওর চোখজোড়া স্থির হয়ে গেল। তারপর সেই স্বপ্নবান চোখজোড়ায় অঝোরে জল গড়াতে লাগল। দেখে আমার বুক ফেটে কান্না উঠে আসতে লাগল। ওর মতো তেজি তরুণের চোখে জল—নিশ্চয়ই ওর ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। সেই কষ্ট যেন আমাকেও ছুঁয়ে যেতে লাগল। আমিও চোখের জল ধরে রাখতে পারলাম না। আমাদের নীরব কান্না পুরো কেবিনটাকে বেদনায় ভারাক্রান্ত করে তুলল। ওর কষ্ট আমি সহ্য করতে পারছিলাম না। আমার মনে হচ্ছিল, আমি যেন কোথাও পালিয়ে যেতে পারলে বাঁচি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
রাষ্ট্রক্ষমতার চাবিটি হাতে পাওয়া এ জন্য খুবই জরুরি। এ ক্ষেত্রে ক্ষমতা হলো মাধ্যম বা হাতিয়ার, যা লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করবে। অন্যদিকে ক্ষমতা পাওয়াটাই যদি লক্ষ্য বা অভীষ্ট হয়ে দাঁড়ায়, তখন দলের মধ্যে মনোজাগতিক পরিবর্তন ঘটে যায়। একটানা ক্ষমতায় থাকলে একটি দলের মধ্যে এ ধরনের প্রবণতা দেখা যায়। তাদের মাথায় একটা চিন্তা ঢুকে পড়ে, তাদের বুঝি কোনো বিকল্প নেই, তারা অপরিহার্য।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন