ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫৩ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
উস্কানিমূলক কথা বা ইশারা পুরুষের কাছ থেকেই আসে বেশি। নারী যে একেবারে এসবের ঊর্ধে তা নয় কিন্তু। নারীর মধ্যেও এমন যন্ত্রণার কাহিনী অনেক আছে। তবে প্রকৃতির স্বভাবটাই এমন যে পুরুষের যৌনলিপ্সা অগ্রভাগে এবং তা অতিমাত্রায় প্রকাশ পায়। নারীকে আকর্ষণ করার জন্যে যতরকমের কলাকৌশল বা কুটকৌশল পুরুষ সময়, সুযোগ এবং পরিস্থিতি দেখে প্রকাশ করে। সেখানে নারী যদি উপযাচিকা হয়ে এসব বিষয়ে উসকিয়ে দেয়, তাদের ভাবা উচিত পরবর্তীতে এর ফল কি হবে! আমরা যেভাবে বড়ো হয়েছি ছোটকাল থেকে ছেলেদের উত্তেজক কোনো কথাবার্তা শুনা বা ইশারা দেখামাত্রই এড়িয়ে অন্যপথ ধরে হেঁটে চলেগেছি। এমনও হয়েছে, অনেক ঘনিষ্ট বন্ধু বা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকেও পেয়েছি এমন আচরণ।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, এ আইনের দ্বারা বাল্যবিবাহকে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। এই বিশেষ প্রেক্ষাপটের কোনো ব্যাখ্যা নেই। একে যে কেউ যেকোনো প্রেক্ষাপট বানিয়ে ব্যবহার করবে। এর নাম হতে পারত বাল্যবিবাহ উদ্বুদ্ধ বা জায়েজ আইন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
হস্তী, অশ্ব, সিংহ, মহিষ, মৎস্য এবং চম্পা – এই ছয়টি বাংলা শব্দের হিমালয় প্রমাণ অর্থ এবং পাশাপাশি উইঢিপি সমান অর্থের যৎসামান্য নমুনা এখানে উপস্থাপন করা হল। আমাদের পূর্ব্বসূরী জ্ঞানীগুণী মানুষেরা নজর করেছিলেন, আমাদের ভাষার শব্দার্থের এই দুইরকম রূপ সবাই ঠিকঠাক বুঝতে পারেন না। যাঁরা অদৃশ্য ও দৃশ্য উভয় প্রকার অর্থ বা হিমালয়-স্বরূপ অর্থ ও উইঢিপি-স্বরূপ অর্থ এই দুই প্রকার অর্থ ঠিকঠাক অনুধাবন করে ধারণ করতে পারেন, আমাদের প্রাচীন জ্ঞানীগুণী মানুষেরা তাঁদের নাম দিয়েছিলেন ‘উত্তম-অধিকারী’; আর, যাঁরা কেবল দৃশ্য অর্থ বা উইঢিপি-স্বরূপ অর্থটুকু অনুধাবন করে ধারণ করতে পারেন, তাঁদের নাম দিয়েছিলেন ‘নিম্ন-অধিকারী’।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আলমের চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে, মাথা উঁচু করে যদি দেশ থেকে বের হতে না পারে তবে এভাবে চোরের মতো কেন!? কেন, এভাবে অন্যদেশে এসে লুকিয়ে পালিয়ে থেকে নিজ দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে? এখানে অর্ধাহারে অনাহারে পালিয়ে লুকিয়ে থাকার চেয়ে নিজ দেশের আলোবাতাস খেয়ে মাথা উঁচু করে চলাটা কি শান্তির ছিল না?
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতির একটি উক্তি প্রকাশিত হয়েছে যুগান্তরে (১১.০৫.২০১৭)। তিনি বলেছেন, ‘দেশের কোনো ধর্ম থাকতে পারে না। রাষ্ট্রেরও ধর্ম থাকতে পারে না।’ তিনি এমন একটি দেশের প্রধান বিচারপতি যেখানে সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর জোরে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কাজেই তার এ বক্তব্যের বিরুদ্ধে এখন চারদিকে তোলপাড় সমালোচনা শুরু হওয়ার কথা। এ সমালোচনা সরকারও করতে পারে। কারণ এর দ্বারা প্রধান বিচারপতি সংবিধানের পরিপন্থী অবস্থান গ্রহণ করেছেন। সরকার ছাড়াও এ সমালোচনা আরও জোরেশোরে হওয়ার কথা, যেসব প্রতিক্রিয়াশীল ধর্মীয় সংগঠনের সঙ্গে এখন সরকার হাত মিলিয়েছে, তাদের পক্ষ থেকে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
নরেন্দ্র মোদির কৌশল এক্ষেত্রে হলো, দলিতদেরকে মুসলমানদের থেকে শুধু সরিয়ে রাখা নয়। তাদের মধ্যে শত্রুতা তৈরীর চেষ্টাও তিনি করছেন। এই দলিতরা যতদিন পর্যন্ত তাদের জাত শক্র নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর দল বিজেপির পক্ষে থাকবে। ততদিন বিজেপির শক্তি খর্ব হবে না। এজন্য নরেন্দ্র মোদিকে ও তাঁর হিন্দুত্বের রাজনীতিকে পরাজিত করার জন্য অপরিহার্য প্রয়োজন দলিতদের থেকে তাকে বিচ্ছিন্ন করা। দলিতদের মধ্যে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বিকাশ ঘটানো। নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপি যে তাদের জাত শত্রু এটা তাদেরকে নোতুন করে শেখানো। এর জন্য বর্ণপ্রথা ও জাতিভেদের বিরুদ্ধে ধমীয় ও রাজনৈতিক লড়াই করা। কিন্তু এভাবে ভারতে কিছুই হচ্ছে না। নরেন্দ্র মোদি নিজেদের স্বার্থে সঠিক কৌশল অবলম্বন করে রাজনৈতিক আন্দোলন করছেন, কিন্তু কমিউনিস্টসহ কোন গণতান্ত্রিক শক্তিই দলিতদের বিভ্রান্তি দূর করে, তাদেরকে বর্ণপ্রথার কাঠামো থেকে বের করে আনার জন্য কোন রাজনৈতিক আন্দোলন করছে না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
নকশালবাড়ির ৫০ বছর উপলক্ষে সিপিআই (এম-এল)-লিবারেশন এর সাধারণ সম্পাদক কমরেড দীপঙ্কর ভট্টাচার্য- কর্তৃক ইংরেজি ভাষায় লিখিত নিবন্ধের বাংলা রূপান্তর।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ভয়ংকার হুংকার ছেড়ে তেড়ে এলো লরেন্স। দৃশ্যমান অথবা অদৃশ্য প্রতিপক্ষের উদ্দেশ্যে সাধারণত রাজনৈতিক নেতা বা নেত্রীরা এ রকম হুংকার ছুড়ে […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
যারা সাহিত্য বোঝে না, সাহিত্যপাঠের অযোগ্য, তারাই কোনো কোনো কবি-লেখকের রচনাবলী পাঠের আগে-পরে প্রশ্ন তোলে, তিনি কোন ধর্মের কবি, লেখক? তিনি হিন্দু না মুসলমান, নাকী খ্রিস্টান? নাকী তিনি অন্যকোনো ধর্মাবলম্বী? আর এসব প্রশ্নের মধ্য দিয়েই তাদের মূর্খতা একেবারে ষোলোআনা প্রকাশ পায়।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
লিখেছেন: অজয় দাশগুপ্ত।
এমন গোলমেলে রাজনীতির সমাজে দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর ফাঁসি হবে না; হতে পারে না। আর সেই শাহবাগের নেতারা ও এখন গৃহবন্দি ঘরজামাই। কারো শক্তি নেই সামনে এসে দাঁড়ায়। কেবল কিছু অসহায় মানুষের মুখ, পরদেশে পালিয়ে বাঁচা মানুষ, পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া ঘরবাড়ি, মাটিতে মুখ লুকিয়ে পড়ে থাকা মূর্তি আর চেতনাবাহী জনগণের ভাঙা মন কেঁদে বেড়ায়। তারা জানতে চায় এ কোন লীলাখেলা? মুক্তিযুদ্ধের চেতনার এ কোন ধরনের পরিচয়? স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে সমঝোতা ও আপসের দলীয় রাজনীতি এখন গদি ছাড়া আর কিছুই বোঝে না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন