ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫২ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হে নারী তুমি কি জান তোমাদের ধর্মগ্রন্থ বলে দিয়েছে, তোমার শিক্ষা, তোমার জ্ঞান, বুদ্ধি, প্রতিভা,তোমার সদাহাস্য চেহারা, মানুষের প্রতি তোমার ভালবাসা, শ্রদ্ধা, তোমার সমুহ মানবিক গুণাবলী থাকা সত্বেও, তুমি একজন নিম্নমানের পুরুষের চেয়ে নিকৃষ্ট। একটিই কারণ -তুমি একজন নারী।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আমি যখন রাঙ্গামাটি শহরে পৌঁছেছি তখন দুপুর। ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’ বইয়ের ‘হুলিয়া’ নকল করে এইভাবেই আমি আমার রাঙ্গামাটি যাওয়ার কথা বলি। ১৯৮১ সনের মার্চ মাসের ছাব্বিশ তারিখ ছিল। ‘হুলিয়া’ কেন নকল করি সেটাও বলে দিই। নিরমলেন্দু গুণের লাইনটা ছিল ‘আমি যখন বাড়ীতে পৌঁছলাম তখন দুপুর’। আমি প্রথম যেদিন রাঙ্গামাটি পৌঁছেছি সেদিন উপলব্ধি করতে পারিনি, কিন্তু পরে অনেক পরে বুঝতে পেরেছি রাঙা পৌঁছানো আমার জন্যে বাড়ীতে পৌঁছানোই ছিল। সময়ের হিসাবে জীবনে ছোট্ট একটা অংশ আমি রাঙায় কাটিয়েছি বটে, কিন্তু সেটাই আমার ঠিকানা, সেটাই আমার বাড়ী।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
তাহমিমা আনাম ‘গার্মেন্টস’ গল্পের জন্য সম্প্রতি ও’ হেনরি সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশি লেখক তাহমিমা আনাম। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সাময়িকীতে প্রকাশিত ইংরেজি ভাষায় লেখা গল্পের সাহিত্যমূল্যের বিচারে দেওয়া হয় এ পুরস্কার। জন আপডাইক, অ্যালিস মানরোসহ বহু বিখ্যাত লেখক পুরস্কারটি পেয়েছেন। যারা গল্পটির মূল ইংরেজি পড়তে চান তাদের জন্য পোস্টের নিচে লিঙ্ক দেওয়া হলো।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
২০১০ থেকে ২০১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তোমার অনেক রক্তের প্রয়োজন হয়েছিল। বেশিরভাগ রক্ত আমিই দিয়েছি। ডাক্তারের নিষেধ সত্বেও বছরে ৫-৬ বার পর্যন্ত রক্ত দিয়েছি। তাতে আমার শরীর একটুও খারাপ করেনি। তোমার কাছে গোপন করেছিলাম এ তথ্য। কিন্তু মা, ছোট বোন আশাসহ সকলেই জানতো এটা। তোমাকে রক্ত দেবার আগে কখনও রক্ত দিইনি আমি। তবুও কোনও ভয় পাইনি প্রথম blood bank এর বেডে যেতে। তখন কী যে শান্তি পেতাম তা বলে বুঝাতে পারবোনা বাবা।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বাপুর সাথে এমনিতে আমার খুব একটা কথাবার্তা হতো কালেভদ্রে। নিম্নকন্ঠে কথা বলতেন, বেশী কথাও বলতেন না। পড়াশুনা করতেন, লিবারেল ভদ্রলোক ছিলেন। সরকারী চাকরী করতেন, চাকরীটা ঘুষ খাওয়ার জন্যে বেশ উপযুক্ত ছিল। কিন্তু বাপু কিনা এই ব্যাপারে বিশেষ দক্ষ ছিল না, আমাদের পারিবারিক আর্থিক অবস্থা কখনোই বিশেষ ভাল ছিল না। শুধু একটা বিষয়ে আমাদের প্রাচুর্য ছিল- বই। বই আর বই, নানান বিষয়ে বিচিত্র সব বই। সাহিত্য টাহিত্য যা কিছু পড়েছি সেগুলি পিতার সৌজন্যেই বলতে পারেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ঘরছাড়া পার্টি কর্মীদের রাতের খাবার বাড়িবাড়ি থেকে তখন সংগ্রহ করতে হত। মাকে দিনের বেশিরভাগ সময়েই এই বিরাট সংসারের কাজে ব্যয় করতে দেখেছি হাসিমুখে। এখন মনেহয় আমার বাবার জনমানুষের নির্মলদা হবার পিছনে আমার মায়ের অবদান এক আবঝা পাহাড়ের মতো। এক পুত্র দাদু ঠাকুমার উজাড়করা সাপোর্ট, বাবাকে নিশ্চিন্তে দেশসেবা করতে পুরাদস্তুর সাহায্য করেছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
যে ধর্মগ্রন্থে তাদের ধর্মকে সবার ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে, আমরা কেবল সেই ধর্মই মানবো। আর বাকিগুলোর ক্ষেত্রে বুঝে যাবো, সেগুলো সবার জন্য নয়, বরং নির্দিষ্ট জাতি গোষ্ঠির জন্য সীমাবদ্ধ ধর্ম। এ বিষয়ে একমাত্র ইসলামই টিকে যাবে। আর কোন ধর্ম টিকবে না। কারণ ইসলামের ধর্মগ্রন্থ কুরআন ছাড়া আর কোন ধর্মগ্রন্থে তাদের ধর্মকে সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রেরণ করা হয়েছে কথাটি নেই। কেবল ইসলাম ধর্মের ধর্মগ্রন্থ কুরআনেই একথাটি বিদ্যমান। ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থ তৌরাত। উক্ত তৌরাতের ৫টি অংশ। যথা-পয়দায়েশ, হিজরত, লেবীয়, শুমারী ও দ্বিতীয় বিবরণ এর কোথাও মুসা আঃ ও ইহুদী ধর্ম সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রেরিত হবার কথা নেই। বরং বারবার শুধু বনী ইসরাঈলীদের কথাই বর্ণিত হয়েছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ফাদারবাবারা হলেন চার্চে চার্চে বসে খ্রিস্টান জনগণকে গাইড করার জন্য নিবেদিতপ্রাণ সাধু কাম ঈশ্বরের ম্যানেজার। আর এইসব ফাদারদের পাপা, অর্থাৎ বাপেরও বাপ হলেন পোপ। একদা এই পোপের হাতে প্রচুর ক্ষমতা ছিল, এমনকী তিনি সাত খুনের আসামীকে মোটা ডোনেশন নিয়ে ক্ষমাও করে দিতে পারতেন। তবে আজকাল তাঁর রাজত্ব ওই ভ্যাটিক্যান শহরেই সীমাবদ্ধ। আধুনিক খ্রিস্টান রাষ্ট্রগুলো তাঁকে বুড়ো-বাপের মতোই ওল্ড এজ হোমে পাঠিয়ে দিয়েছে বলা যায়। তবুও তিনি নিজের কর্তব্য নিরলসভাবে পালন করে চলেছেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
জানি না, বাবা সেদিনই দেশত্যাগের সিদ্ধান্তটি নিয়েছিলেন কীনা? তবে দেশত্যাগ করে বাবা যে ভালো নেই, সেটা তাঁর দীর্ঘশ্বাস আর হঠাৎ বদলে গিয়ে নিশ্চুপ হয়ে যাওয়া দেখেই স্পষ্ট আন্দাজ পাওয়া যায়। শিকড় ওঠানো গাছ কী আগের সজীবতা নিয়ে কখনো বেঁচে থাকতে পারে?
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বাবার স্নেহ সন্তান বুঝতে পারে বাবা মারা গেলে। তার ছোটবেলায় বাবার ছোটো ছোটো ক্রিয়াকলাপ তার স্মৃতিতে আসতে থাকে। সেগুলোর মানে বোঝে অনেক বড় হয়ে। প্রতিটি স্মৃতিতে তার চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। কিন্তু হায়, তখন তার বাবা ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন