ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫৩ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
কান্না করিনি… বাবাইর চোখ যখন শেষবার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তখন বারোটা ত্রিশ… আমি মা আর বোন বাবাইকে ঘিরে আছি… বাবাইর কপালে হাত রেখে বলছি… বাই বাবাই! হ্যাভ আ ব্লেসড লাইফ…
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বাবার সাথে সুস্থ সম্পর্ক মানুষের শারীরিক, মানসিক এবং আধ্যাত্মিক জীবনের উন্নয়নে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফ্রয়েডিয়ান মতে ছেলে সন্তানের সাথে বাবার একটা প্রতিদ্বন্দ্বীতা আছে, কিন্তু আকার-আকৃতি শক্তি আর বুদ্ধিমত্ত্বায় কম হওয়ায় সে তার রাগ, ক্ষোভ অবদমন করে পরাজয় মেনে নেয়। বাবার প্রতি রাগ তখন সে অন্য ছোট-খাট প্রাণির উপর হিংস্রতা দিয়ে প্রকাশ করে। তারপরে আরেকটু বড় হয়ে যুবক বয়সে সে বাবার স্থান নিতে চায়। প্রাণিদের ক্ষেত্রে যেমন দেখা যায় বড় হবার পরে দ্বন্দ্বে বাবাকে হারিয়ে সন্তান নিজে পরিবার বা গোত্রের প্রধান হয়। মানুষের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, অনেক বাবা সন্তানকে এ সময় প্রয়োজনীয় স্পেস না দিলে ছেলে এবং বাবার সম্পর্ক চিরতরে নষ্ট হয়ে যায়।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
‘বাবা দিবস’ উপলক্ষে নবযুগ ব্লগের একজন ব্লগার দু’দিন আগে ইমেইল করে জানতে চান, এ উপলক্ষে নবযুগ ব্লগ থেকে কোন লেখা প্রকাশ করা হবে কীনা। তাঁর জানতে চাওয়া প্রশ্নের প্রেক্ষিতে ব্লগটিম তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেয়, এই দিনটিকে বিশেষ মর্যাদা দেয়া হবে কেবলই বাবার জন্য। ব্লগারদের অনুরোধ জানানো হয় বাবাকে নিয়ে লেখার জন্য। অনেক ব্লগারের বাবা গত হয়েছেন, এটা জানতে পেরেছি তখনই; যখন তাঁরা আবেগমিশ্রিত কণ্ঠে জানালেন যে তাদের মন এতোটাই খারাপ যে বাবাকে নিয়ে লিখবার মতো শক্তি তারা পাচ্ছেন না। একটু শোক সামলে উঠার পরে তাঁরা লিখবেন জানিয়েছেন। তা সত্বেও বেশ কয়েকজন কবি-লেখক-ব্লগার বাবাকে নিয়ে তাঁদের অনুভূতি ব্লগে লিখে শেয়ার করেছেন যা অনবদ্য। উল্লেখ্য, পরবর্তীতে বাবা বিষয়ে যেসব লেখা ব্লগে প্রকাশিত হবে, সেগুলোও এখানে সংযুক্ত করা হবে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আজ পিতৃদিবস। লিখতে গিয়ে আকাশ পাতাল ভাবতে লাগলাম। আচ্ছা, কীভাবে করি? কার লেখা কপি পেস্ট করি? এ তো এক আজব যন্ত্রণা! হঠাৎ মনে পড়ল কোনো এক কৈশোরে পড়া লেখার কিছু অংশ। একটি স্কুলে, রচনা প্রতিযোগিতা ছিল, -একজন মহাপুরুষের জীবনী। সব ছেলেরা লিখেছিল কত বড় বড় প্রাতঃস্মরণীয় মানুষদের কথা। পুরস্কার পেয়েছিল একটি সাদামাটা ছেলে, সাধারণ ঘরের। কোনো পুরস্কার পাওয়ার হিসেবের বাইরে ছিল সে। লিখেছিল ‘আমার দেখা এক মহাপুরুষ আমার বাবা‘। অসাধারণ লেখনীতে নিজের বাবা এক অগুণতি ভিড়ের অতি সাধারণ মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রম আর আত্মত্যাগ করা জীবনের সকল জীবনীশক্তি হারিয়ে ফেলা এক মানুষের এক জীবনকাহিনী দিয়ে সে শ্রদ্ধার্ঘ সাজিয়েছিল।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বাবাকে হারিয়েছি পাঁচ বছর হয়ে গেল প্রায়। সময় কিভাবে এত দ্রুত চলে যায় ঠাহর করতেপারি না।বাবা যে নাই! কোথাও নাই! এটাও পরিস্কারভাবে মনে হয় না। দীর্ঘদিন ধরেই দেশেরবাইরে আছি। দু‘চার বছরে একবার দেশে গেলে সবার সাথে দেখা হয়। এটাতেই অভ্যস্ত হয়েপড়েছি। এখনও মনে হয় বাবা দেশেই আছে। গেলেই দেখা হবে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আমার দৃষ্টিতে আর সকলের মতোই আমার বাবাও একজন ভালো মানুষ – সৎ মানুষ। তবে, পরিচিত গন্ডিতে আমার বাবাকে সবাই একজন “বোকা মানুষ” বলেই জানেন। তার শত শত বোকামিরর জন্য আমি-আমরা অনেক ভুগেছি-ভুগছি আজও; যদিও সাধারণ্যে এটি “সততা” হিসাবে চিহ্নিত হলেও আড়ালে-আবডালে সেই তারাই এটি নিয়ে হাস্যরসও করেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
হাসপাতালে বাবা মৃত্যুশয্যা অবস্থায় সব ভাইবোনকে ডেকে একটি কথাই বিশেষভাবে বলেগেছেন; যেনো, আমরা মা’য়ের কোনো অমর্যাদা না করি, অবাধ্য না হই। আরো বলেছিলেন, ” আমি যদি সাতাশবছর সংসার করে যেতে পারি, তোরা কেনো পারবিনা তোর মা’কে সহ্য করতে! ও তো তোদের মা, তোদের জন্মদাত্রী। পারবি না বল, পারবি না!” কথাগুলো বলেই মুখের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়েছিলেন। আমরা সবাই বাবাকে কথা দিয়েছিলাম। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, বাবার মৃত্যুর পর আমার মা কেমন যেন বদলে গেলেন!
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বাবা, তুমি যখন চলে গেলে তখন আমার বয়স কতইবা। আমি তখন ১১ বছরের শিশু। যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম দেখতাম বন্ধুদের বাবারা চিঠি পাঠায়। সেখানে মাসের খরচের টাকার কথা থাকে, গ্রামের বাড়ির খোজ খবর থাকে। মায়ের শরীরের কথা থাকে,শুধু বাবার শরীর কেমন আছে সেগুলো থাকে না। বাবারাই এমনই। আমার তখন ভিষন কস্ট হোত। মনে হোত, তুমি যদি বেঁচে থাকতে তাহলে আমাকে চিঠি লিখতে। তোমার হাতের লেখা এতো সুন্দর।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনএইসব হারিয়ে, একলা পড়ে থাকার মত করে ভালোবাসার পাঠ আমায় শিখিয়েছেন বাবা। কিন্ত সমস্যা হচ্ছে ঠিক কবে কীভাবে শিখিয়েছেন সেটা বলতে পারব না। মনে নেই। বাবা যে কিছু শেখাবে আমায় সেটা ছোটবেলায় ভাবাটাই এক রকমের অবিশ্বাস্য বিষয় ছিল। বাবার সাথে দেখা হতো রোববারের সকালে গান শেখার সময়, আর সপ্তাহের বাকি দিনগুলি বাবাকে পেতাম মায়ের অভিযোগ-অনুযোগে, বিকেল ৬টায় দূরদর্শনের গানের অনুষ্ঠানে বা ভাগ্য ভালো থাকলে রাতে ঘুমাতে যাবার কয়েক ঘণ্টা আগে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আমার বাবা শুধু আমার জনক নন। তিনি আমার আদর্শ। তার কাছেই শিখেছি মানুষকে শুধুমাত্র মানুষ হিসেবে শ্রদ্ধা করতে। তিনি আমাকে গীতা, ত্রিপিটক, বাইবেল, কোরান এবং মার্ক্সবাদ পড়িয়েছেন। নারী-পুরুষ তো বটেই সকল মানুষের সাম্যতে বিশ্বাস রাখতে বলেছেন। তিনি বলতেন প্রতিটি মানুষের নিজের প্রতি, পরিবারের প্রতি এবং সমাজ ও বিশ্বপ্রকৃতির প্রতি কর্তব্য রয়েছে। নারী বা পুরুষ যাই হোক তাকে শুধু নিজের পরিবার, টাকা উপার্জন বা নিজের নাম খ্যাতি নিয়ে থাকলে চলবে না। তাকে সমাজ ও প্রকৃতির প্রতিও দায়িত্ব পালন করতে হবে। এটাই মানবধর্ম।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনই-মেইলে যোগাযোগ করুন