ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫২ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয় এদেশের নারীদের পোশাকে আমি স্বাধীনতার ছিটেফোটাও দেখিনা, দেখিনা নারী-পুরুষের সম-অধিকারের কোন ছাপ। এদেশে পোশাক মানুষকে ধনী-দরিদ্র, উচু-নিচু, নারী-পুরুষের ক্যাটাগরিতে ফেলার পাশাপাশি আরেকটি প্রধান যে ক্যাটাগরিতে ফেলে সেটি হলো ‘ভালো এবং মন্দ’ ক্যাটাগরি। পুরুষশাসিত, ধর্মান্ধ বাঙালি সমাজ এই ক্যাটাগরিটি মূলত নারীদের জন্যই বিশেষভাবে তৈরি করেছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনসম্প্রতি শ্যামাসঙ্গীত রচনার কারণে ভারতের আরএসএস নজরুল ইসলামকে ‘ভালো হিন্দু’ বলেছেন। এটা ভারতের সাম্প্রদায়িক, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির ঘৃণ্য চক্রান্ত। আমরাও একই দোষে দুষ্ট, নজরুলকে মুসলিম বানিয়ে ছেড়েছি, তবে নতুন করে আমরা যেন সে ফাঁদে পা না দিই। আমাদের ট্যাগিং এ নজরুল বা তাঁর মত মহতীদের কিছুই হবে না, এতে কেবল আমাদের হীনমন্যতাই প্রকাশ পাবে। অনেকের কাছে কবি-সাহিত্যিকদের এভাবে সাম্প্রদায়িক পরিচয়ের বৃত্ত থেকে না চিনলে নিজের মনে হয়না। কিন্তু এতে ওই কবি বা সাহিত্যিকের প্রতি অবিচার করা হয়। সমাজে সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়ানো ছাড়া এসবের ফল ভাল কিছু হয় না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
অনুসন্ধানী তথ্যে জানা যায়, হেফাজত এখন শাপলা চত্বরেই আরেকটি বড় সমাবেশের ছক আঁকছে। সরকারের সমঝোতা উদ্যোগকে কাজে লাগিয়ে তারা সমাবেশ করার অনুমতি আদায় করার জন্য ইতোমধ্যে দেনদরবারও শুরু করেছে। এ লক্ষ্যে সংগঠনের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বেশ কয়েকদফা নিজেদের মধ্যে গোপন বৈঠকও করেছে। এসব বৈঠকেই হেফাজতের আসল চেহারা বেরিয়ে আসে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিবারের ব্রাহ্মধর্ম মুসলমান প্রভাবিত নয়। মুসলমানেরা তখন শাসনক্ষমতায় নেই, সমাজে তাদের প্রভাব-প্রতিপত্তিও কমতির দিকে। এতো শতাব্দী পাশাপাশি থেকে যখন তাদের অনুকরণ করেনি, তখন সনাতন সমাজ কেন নতুন করে মুসলমানদের দেখে একেশ্বরবাদী ব্রাহ্ম হবে? তাছাড়া, একেশ্বরবাদের জন্য হিন্দুদের কেন মুসলমানের কাছে হাত পাততে হবে? প্রাচীন বেদগ্রন্থ একেশ্বরবাদী, হিন্দুদের ষড় দর্শনের বেদান্তদর্শন অদ্বৈতবাদী, যোগদর্শন একেশ্বরবাদী। তাই মনে করা হয় ইংরেজি শিক্ষিতদের মাঝে খ্রিস্টধর্মের প্রসার ঠেকাতে রামমোহন, কেশব সেন, দেবেন ঠাকুর এরা ব্রাহ্মধর্ম চালু করেন। খ্রিস্টধর্মের অনুসারীরা যেমন গির্জায় সমবেত হয়ে ধর্মসঙ্গীত গেয়ে থাকেন, তেমনি ব্রাহ্মরাও তাদের মন্দিরে একসাথে গান করেন। ব্রাহ্মধর্মের জন্য রবীন্দ্রনাথ অনেক গান লিখেছেন, যেগুলো তারা তাদের প্রার্থনাসভায় গাইতেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
টগবগে কবি থেকে গোধূলিনারী
প্রকাশনী থেকে শেষঅব্দি নামলো কৃষি
কোজাগরী স্নোফল হোলো শুরু
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
প্রচলিত যে কোন ধর্ম কিংবা ধর্মবিশ্বাসীদের নিয়ে লেখা ভয়ঙ্কর রকমের ঝুঁকিপূর্ণই শুধু নয় ভয়াবহ বিপদজ্জনকও। এ ভয়াবহ ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনরবিবারের নির্বাচনে ফ্রান্স ইউরোপের জনজীবনে আবার আনন্দের উচ্ছলতা আর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আশার আলো ছড়িয়ে দিলো। এমন ভাবে কি বাংলাদেশে চিন্তা করা যায় যে, দেশের সর্বোচ্চ পদের জন্য নির্বাচন হচ্ছে অথচ আওয়ামী লীগ বা বিএনপি কেউ সেই পদ পেলেন না, পেলেন উদার পন্থী কোনো এক দলের ৩৯ বছরের এক তরুণ রাজনীতিবিদ?
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
০ বার পঠিত
প্রতিবছর বর্ষায় কোটি কোটি গ্যালন জল আছড়ে পড়ে হিমালয় সহ্যাদ্রি নীলগিরি বিন্ধ্যাচলে। কোটি কোটি গ্যালন জল ভাসিয়ে দেয় ভারতবর্ষের বিস্তীর্ণ সমভূমি, মালভূমি। তারপর সেই জল বেয়ে চলে অসংখ্য ছোটো বড় নদ নদী। ভাসিয়ে দেয় দুই কূল। কতো জনপদ ধ্বংস হয়, কতো প্রাণহানি, কতো শস্যক্ষয়, কতো স্বপ্নের সমাপ্তি। অথচ কতো অমৃতময় এই জলধারা। সুপেয়, কৃষিকাজে সবচেয়ে উপযুক্ত। বহু মানুষকে কাঁদিয়ে এই জলরাশি মেশে সমুদ্রে। তখন আর সে জল কোনো কাজেই লাগে না। শিল্প কৃষি ব্যবহার- সবকিছুরই অনুপযুক্ত।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ধান থাকে ধান্যতে। তার মানে হল সতুষ তণ্ডুল। সেই তুষ ছাড়িয়ে দিলে যেটি থাকে, তাকে অতএব ধান বলা চলে। বাস্তবে কিন্তু তা বলা হয় না, বলা হয় চাল। খোসাসুদ্ধ চালকেই ধান বলা হয়ে থাকে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
অপ্রিয় হলেও সত্য যে, এখনো পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ ভিন্ন ভিন্নরূপে অলৌকিক শক্তিধর ঈশ্বরে বিশ্বাস করে থাকেন। শুধু ঈশ্বরে বিশ্বাসই নয়, জাগতিক সুখ-সমৃদ্ধি-সমাধান-সমর্থনের জন্যে ঈশ্বরের কৃপালাভ করতে চান। জগতে তো বটেই, মৃত্যুর পরে আরও বেশি সুখি হতে চান। এ পৃথিবীর অপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে চান মৃত্যুর পরে। এককথায় সুখের সাগরে অনন্তকাল ভাসতে চান। আর তার জন্যে উপায় যার যার ঈশ্বরের কৃপা পাওয়া। ঈশ্বরের কৃপালাভের জন্যে যুক্তি-তর্ক এমনকী কাণ্ডজ্ঞান বিসর্জন দেয়ার মানুষেরও কমতি নেই।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন