ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫২ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
পহেলা বৈশাখের ওপর একটি লেখা তৈরি করার জন্য ইউটিউব ঘাঁটছিলাম। কারণ, আমাদের সমাজের ফতোয়াবাজরা পহেলা বৈশাখ নিয়ে খুব বাড়াবাড়ি করছে। আর এদের বাড়াবাড়িটা আজকাল ধৃষ্টতার সীমাঅতিক্রম করে রাষ্ট্রদ্রোহিতার পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। এরা আজ সবকিছুতে হিন্দুয়ানির গন্ধ খুঁজে পাচ্ছে। আসলে, এদের নাকে লেগে আছে পাকিস্তানীদের মূত্রঘ্রাণ! তাই, এরা বাঙালি-জনসমাজের সবকিছুতেই হিন্দুয়ানির গন্ধ খুঁজে পায়। ওদের আদিপিতা পাকিস্তানীজেনারেলগণও বাঙালির সবকিছুতে হিন্দুয়ানির গন্ধ খুঁজে বেড়াতো। এরা তো তাদেরই বংশধর। নিজদেশের সমাজ, রাষ্ট্র, সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এরা আজ এতোটাই উন্মত্ত ও অসভ্য হয়ে উঠেছে যে তা ভাষায় প্রকাশ করা দুরূহ। আর এরা দিন-দিন খুব বেশি হিংস্র ও জংলী হয়ে উঠেছে। এদের মুখোশউন্মোচনের জন্য একটি লেখা তৈরি করার কথা ভাবছিলাম।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
মৎস্যজীবী নরওয়ের মানুষের জন্য মাছ ধরতে শেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার এবং ট্রিকস্টার লকি সেটা আবিষ্কার করে। প্রথম মাছ ধরার জাল তাই লকির আবিষ্কার, এবং দেবতারা যখন তাকে ধরতে এসেছিল তখন সে তার জালের একটা খুঁত খুঁজে বের করার চেষ্টা করছিল। বাড়ির বাইরে অপ্রস্তুত লকি যখন তার আবাসস্থলের প্রমাণ নষ্ট করতে ব্যস্ত তখন দেবতারা হাজির হওয়ায় আতংকিত লকি জালটাকে আগুনে ছুঁড়ে ফেলে। কিন্তু দেবতারা আগুনে জালের অবশিষ্টাংশ পেয়ে তা থেকে নিজেরা একটা জাল বানিয়ে নেয়, এবং জলপ্রপাতের কাদা ছেঁনে তারা লকিকে ধরতে সক্ষম হয়।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ইবনে ইশাক তার সিরাতে শুধুমাত্র মুহম্মদের জীবনের প্রতিটা গুরুত্বপূর্ন ঘটনা বর্ননা করেননি, তার সাথে কোন মাসে ঘটনাটা ঘটেছিল প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে তার উল্লেখ করেছেন। মূলত এই কারণে এখনও ইবনে ইসাকের বিবরণ সাধারণভাবে ইতিহাস গ্রন্থের মর্যাদা পায়। ইসলাম-পূর্ব যুগের আরবরা ইসলামিক যুগের মতোই চান্দ্র ক্যালেন্ডার ব্যাবহার করত। এতে বছর ছিল ৩৫৪ দিনের, সৌরবছরের মতো ৩৬৫ দিনের নয়। প্রতি তিন বছর অন্তর একটি অধিমাস (leap Month) যোগ করে নেওয়া হত। এই ব্যাবস্থা ৬২৯ পর্যন্ত্য চলেছিল। তারপর কোরানের আল্লা নাকি বিরক্ত হয়ে আয়াত নাজিল দ্বারা এই পদ্ধতি রদ করেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
এই ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের সরকারি প্রকল্পে এইজাতীয় পুজোর পরিকল্পনা কারা প্রথম উত্থাপন করেন ও কীভাবে তা অনুমোদন পায়? এরজন্য অর্থ বরাদ্দ হয় কোন খাতে? মেট্রো রেলের গঙ্গাপুজোর জন্য খাস বেনারস থেকে আনা হয়েছিল পুরোহিতদের। অবশ্যই তারা হিন্দু ধর্মের উচ্চবর্ণ ব্রাহ্মণ। এক্ষেত্রে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের মধ্যে বর্ণভেদ প্রথাকে স্বীকার করে তার অনুমোদন দিচ্ছেন না কী? খবরে জানা যায়, ৬জন পুরোহিতের বৈদিকমন্ত্র উচ্চারণে সাতসকালেই গঙ্গার পাড় হয়ে উঠেছিল আস্ত এক পূজাঙ্গন’। ‘ব্যাদে সবই আছে’, বিজ্ঞানী মেঘনাথ সাহার এই ব্যঙ্গ রসিকতায় ভরসা রেখে খুব জানতে ইচ্ছা করে, সেখানে গঙ্গার তলা দিয়ে মেট্রোরেল সুড়ঙ্গ তৈরির জন্য কোন যজ্ঞের কথা লেখা আছে কীনা।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
কিন্তু দ্বিতীয় খণ্ডটি প্রকাশের পর প্রকাশক পাকিস্তান সরকার ও সামরিক মহলের চাপে পড়েন এবং গ্রন্থটির প্রকাশনা চালিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানান। সম্ভবত অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী কীভাবে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছিল এর বিস্তারিত বিবরণই ছিল এই চাপের কারণ। সেই থেকে গ্রন্থটি আউট অব প্রিন্ট। বাংলাদেশে গ্রন্থটির অল্প কয়েকটি কপি এসেছে। সম্প্রতি এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ,কে খন্দকার এর গ্রন্থ ‘১৯৭১: ভেতরে বাইরে’ প্রকাশিত হবার পর ১৯৭১ এর ঘটনাবলী সম্পর্কে আগ্রহ, বিশেষ করে সত্য জানার আগ্রহ, সমাজে আমরা লক্ষ্য করছি। এই পরিপ্রেক্ষিতে বদরুদ্দীন উমরের The Emergence of Bangladesh: Rise of Bengali Nationalism (1958-1971) এর শেষ তিনটি অধ্যায় অনুবাদ করে প্রকাশের সিদ্ধান্ত। এই পর্বে Surrender of Sheikh Mujib অধ্যায়ের অনুবাদ প্রকাশ করা হলো।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আদিবাসীদের উপর এই নির্যাতন চলছে ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমল থেকেই। কাপ্তাই বাঁধের মাধ্যমে ঢাকাকে আলোকিত করতে গিয়ে ডুবিয়ে দেওয়া হয় আদিবাসীদের ভূমি ও রাজপ্রাসাদ। অথচ এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্প করা যেত অন্য জায়গাতেও। আদিবাসীদের পাহাড় বিক্রি করা হয়েছে বাঙালি সেটেলারদের কাছে জলের দামে। বংশানুক্রমিক ভূমির অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে আদিবাসীদের। আদিবাসীরা দরিদ্র। তারা অনেকেই মৌজা, দাগ নম্বর ইত্যাদি ভক্কর-চক্কর বোঝে না। সেই সুযোগে তাদের জমি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। তারা সরল ও দরিদ্র। তাই তাদের উপর চলেছে নিপীড়ন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ওকলাহমায় সাংবাদিকতা ক্লাসে একবার চমৎকার একটি বিষয় শেখানো হলো। সেটা হলো কমিউনিকেশন বিষয়ক। দুটি টিম করা হলো। একটিতে শুধু আমি এবং রোজিনা। আরো দুটি টিমে ৪ জন করে। আমাদের দুজনকে বলা হলো আমরা কোনো কথা বলতে পারবো না। অন্যরা কথা বলতে পারবে। আমাদের তিনটি দলকে বলা হলো কাগজ, কাঠ ইত্যাদি দিয়ে একটি ব্রিজের মডেল বানাতে। দেখা গেল সবচেয়ে আগে বানাতে পেরেছি আমরা দুজন। এটা প্রমাণ করে যে কখনও কখনও বেশি মতামত, বেশি কথা কাজকে বাধাগ্রস্ত করে। নানা মুনির নানা মত যে সত্যিই কাজ নষ্ট করে তার প্রমাণ পেলাম হাতে-কলমে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
চে,
তুমি এখন দীপ্ত ভঙ্গিতে টানছো চুরুট
কোথায় কোন্ দুর্ভেদ্য ধূসর ক্যাম্পে?
আমরা তোমাকে খুঁজে খুঁজে ক্লান্ত…
বলিভিয়ার গভীর অরণ্যে, অন্ধকারের উদরে
তুমি প্রস্তুতি নিচ্ছো কী
পৃথিবীকে আরেকটা বিপ্লবের মুখোমুখি
দাঁড় করিয়ে দেবার জন্যে?
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
যারা একদা আমার জীবনে
ছিল উজ্জ্বল তারকা,
তারা ফিরেও তাকায় নি আর
এমনকী একটি কথাও নয়।
কেবলি একমুখী পথেই
বছর দিন কেটে গেছে অনন্ত যন্ত্রণায়।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আজ জাতির শিক্ষাব্যবস্থা সার্টিফিকেটসর্বস্ব। তবুও যারা পড়ালেখা করে এই অমূল্য সার্টিফিকেট অর্জন করছে—আজ তাদের অবস্থা শোচনীয় হতে চলেছে। অতিসম্প্রতি সরকারিভাবে আত্মস্বীকৃত কওমীমাদ্রাসার ‘দুই-নাম্বারি’ সনদকে ‘মাস্টার-ডিগ্রী’র সমমান দেওয়া হয়েছে—যা দেশের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও সংবিধানবিরোধী। আর এটি জাতির জন্য চরম অপমানজনক। কওমীমাদ্রাসার ‘দুই-নাম্বারি’ সার্টিফিকেট কখনওই দেশের প্রচলিত সাধারণ শিক্ষার সমকক্ষ বা এর সমতুল্য হতে পারে না। এদের এস.এস.সি., এইচ.এস.সি., বি.এ., বি.এ. অনার্স-সমমানের সার্টিফিকেটের কোনো স্বীকৃতি নাই! কিন্তু হঠাৎ একঠেলায়-একলাফে-একঘোষণায় একেবারে সাধারণ শিক্ষার ‘মাস্টার-ডিগ্রী’র সমমান! এটি সম্পূর্ণ অবৈধ, আইনবহির্ভূত ও অগণতান্ত্রিক। তাই, এই নিম্নমানের ও অবৈধ ঘোষণাটি অনতিবিলম্বে-জরুরিভিত্তিতে বাতিল করা প্রয়োজন। আর এব্যাপারে রাষ্ট্র কখনও আপস করতে পারে না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন