ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫২ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
যুক্তিপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে বুঝতে গেলে কালী বলতে শ্রমজীবী জনতাকে বা proletariat-দের বুঝতে হবে, কারণ এই ‘labor force’-ই কালের পরিচালক। বিখ্যাত ইউরোপিয় তান্ত্রিক সাধু, সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা মান্যবর কার্ল মার্ক্স মহাশয় শ্রমজীবীদের জয়গান গেয়েছেন। আমাদের মার্ক্সবাদী বন্ধুরা যখন শ্রমজীবীদের জাগানোর চেষ্টা করেন তখন ওরা কার্ল মার্ক্স-এর মতানুসারে কালিপূজা করেন। স্বামী বিবেকানন্দও কালিপূজা করতেন, কিন্তু মূর্ত্তিপূজা যে আসলে প্রতীকী তা তিনি বুঝতেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
স্পস্টতই দেখা যাচ্ছে যে সহিহ হাদিস সংকলকদের প্রায় সকলেই মুহাম্মদের কথিত সময়কালের দু’শতক পরের মানুষ। ইসলামিক সূত্র প্রথম হাদিস সংকলক হিসাবে মালিক ইবনে আনাস (৭১৭-৭৯৫)এর নাম উল্লেখ করে। যার সংকলিত মুয়েত্তা এখনও ইসলামি আইনের-কানুনের প্রামাণ্যগ্রন্থ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। আব্বাসিয় খলিফা আল-মনসুর (৭৫৪-৭৭৫) এর আমলে সংকলিত এই মুয়েত্তা মুহাম্মদের কথিত মৃত্যুর অন্তত চৌদ্দ দশক পরে রচিত হয়েছিল। এর অর্থ হাদিসগুলি এর আগে কোন লিখিত আকারে প্রচলিত ছিল না, মানুষের মুখে মুখে হয়তো প্রচলিত ছিল। যে কোন ঐতিহাসিক ঘটনা পৌরাণিকরূপ পরিগ্রহ করার পক্ষে দেড় শতাব্দী যথেষ্ট ভাল সময়। ফলে মুহাম্মদ যদি ঐতিহাসিক চরিত্র হয়েও থাকেন, দেড় শতাব্দী পরে লোকমুখে প্রচারিত গল্পের মাধ্যমে পৌরাণিক নবি হিসাবে পরিগণিত হতে তাঁর বিন্দুমাত্র অসুবিধা হয়নি। এই গাল-গল্পগুলিই পরবর্তীকালে হাদিস হিসাবে স্থান পেয়েছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
১৫ শো বছর পরে আজও তারা মাজহাবি, লা-মাজহাবি, শিয়া সুন্নি, আহমেদিয়া, চিশতিয়া, কাদেরিয়া, কাদিয়ানি, বাহাই, ওয়াহাবি, আহলে সুন্নাত, আহলে হাদিস বিভিন্ন নামে শতধারায় বিভক্ত হয়ে খুনোখুনিতে লিপ্ত রয়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে। এই তারাই অন্ধকারে নিমজ্জিত ইউরোপে শান্তি ও সভ্যতার আলো ছড়াতে এসেছিলেন তা এক ডাহা মিথ্যে কল্পনা ছাড়া আর কিছু নয়। গ্রিক ও পারসিয়ানদের সংস্পর্শে এসে যে কয়জন মুসলমান লব্ধবিজ্ঞান ও দর্শনের আলো মুসলিম বিশ্বে জ্বালাতে সচেষ্ট হয়েছিলেন, তাদেরকে নির্যাতন নিপীড়নের মাধ্যমে আর অনেককেই খুন করে সেই আলোটুকুও চিরতরে নিভিয়ে দিয়েছিলেন ক্ষমতশীন মুসলিম শাসকরা।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
চেতনার ফেরিওয়ালার বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারীরা এখন ক্ষমতায়। মুক্তিযোদ্ধা স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসীরা ক্ষমতায় সেটা তারা বলেন না। শব্দ দু’টি অত্যন্ত শ্রুতি মধুর। ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ শুনতে ভালই লাগে। কিন্তু এই চেতনার নেপথ্যে রয়েছে অনেক রহস্য। কারণ মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ‘র’-এর তৈরি মুজিব বাহিনীর মতপার্থক্য ছিল শুরু থেকেই।
প্রবাসী সরকারের নিয়ন্ত্রণে গড়ে উঠেছিল মুক্তিবাহিনী। এই বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন আতাউল গণি ওসমানি। তারপরেই ছিলেন ১১জন সেক্টর কমান্ডার। যাদের সবাই ছিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষিত অফিসার। এটাই বাংলাদেশ সরকার এবং সর্বজনস্বীকৃত ও অনুমোদিত মুক্তিবাহিনী। এই বাহিনীর বাইরে প্যারালাল আরেকটি বাহিনী গোপনে তৈরি করেছিল ইন্ডিয়া। সেটার নাম ‘মুজিববাহিনী’। এই বাহিনী গড়ে উঠেছিল সম্পুর্ণভাবে ‘র’-এর তত্ত্বাবধানে। মুজিব বাহিনী গঠন করা হয় প্রবাসী সরকারকে না জানিয়ে, অত্যন্ত গোপনে। টেনিং ও সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন ইন্ডিয়ান গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-কাউন্টার ইন্টিলিজেন্স বিভাগের প্রধান জেনারেল ওভান।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
দক্ষিণ মধ্য আমেরিকার এই স্টেটে লালমানুষ বা আদিবাসী আমেরিকানদের আধিক্যের জন্যই এই নাম। চেরোকি, চোকতাও ইত্যাদি ট্রাইবের লোকজন বাস করে এখানে। একসময় খুব নিষ্ঠুরভাবে আদিবাসীদের দমন করা হয়েছিল। তাদের হত্যা করা হয়েছিল। তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল মরুভূমির দিকে। তাদের আহার্য বাইসনকেও ইচ্ছাকৃতভাবে মেরে ফেলা হয় পালে পালে। যাতে ট্রাইবাল মানুষ না খেয়ে মরে। বস্তুত এসব ইতিহাস পড়লে শ্বেতাঙ্গদের দিকে তাকাতে ইচ্ছা করে না। তাদের মুখে মানবতার বাণী শুনলেও হাসি পায়।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বিশ্বস্ত সূত্রমতে, সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে নির্মিত ন্যায়বিচারের প্রতীক জাস্টিশিয়ার ‘ভাস্কর্য’ অপসারণ হচ্ছে না। তবে বিকল্প সিদ্ধান্ত নিয়ে হেফাজতে ইসলামের দাবি আংশিক মেনে নেওয়া হচ্ছে। জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজের সময়ে বা ধর্মীয় কোনও আয়োজনের সময়ে ভাস্কর্যটি ঢেকে রাখা হবে। তবে ‘ভাস্কর্য’ সরবে কী সরবে না, এর এখতিয়ার সুপ্রিম কোর্টের। তাই এ ব্যাপারে তারাই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন বলে মনে করে সরকার।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
কুরআনে সুরা আহযাবের ৫০ নম্বর আয়াতে কাজিন বিয়ে করার অনুমতি দেয়া আছে। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান যেখানে একই বংশধারার মধ্যে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে সন্তান বিকলাঙ্গ হবার আলামত পেয়ে গেলো সেটা কেন সেই ১৪শ বছর আগেই আল্লাহপাক বলে দিতে পারলেন না? বা এভাবে প্রশ্ন করা চলে, রক্ত সম্পর্কের মধ্যে সেক্স করলে যদি সন্তান জিনগত ত্রুটি নিয়ে জন্মাবেই তাহলে কেন আল্লাহ মুসলমানদের জন্য কাজিন বিয়েকে বৈধ করতে গেলেন? আল্লাহ কী মানব বংশগতি জিনতত্ত্ব জানতেন না?
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ফলে আমরা অতীত থেকে বিচ্ছিন্ন। নব্য মুসলমান, আমরা না মধ্যপ্রাচ্যে; না নিজের মাটিতে। নিজভূমিতে উদ্বাস্তু। উৎসকে বহন করে নিয়ে চলা উৎসব নিয়েও আমাদের মধ্যে ঢুকে গেছে পাপপুণ্যের ভয়-লোভ।অনেকে এই দিনটিকে শুধু হালখাতার হিসাব আর খাজনা আদায়ের দিন বলেই ধরে নিয়েছেন। কথা সত্য, সন্দেহ নেই। এও সত্য, এই দিনটিকে ঘিরে গ্রামীণ জীবনে মাসাধিকাল ধরেই চলত; মেলার প্রস্তুতি। কামার-কুমারের উৎপাদিত পণ্য থেকে আরম্ভ করে, হেন পণ্য নেই, যার আগমন ঘটত না মেলায়। গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রাণ সঞ্চারিনী এই দিকটিকে ভুলে গিয়ে, একে অধর্ম্মের কাতারে ফতোয়া দিয়ে, নিষিদ্ধ করে দেশটাকে মরুভূমি বানিয়ে দেবার যজ্ঞে সামিল হল, সরকারের জবরদস্তিমূলক ফতোয়া। অর্থাৎ মঙ্গল শোভাযাত্রা। শুভকে আইন করে মানতে বাধ্য করলে, তা যে অশুভ হয়ে যায়, এ কথা ভুলে গিয়ে, দু’টো কৃত্রিম বিভাজন অর্থাৎ নিষেধ অথবা মানো-এর বৃত্তে আজ আমরা বন্দী।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
‘জাস্টিশিয়া’ এখন অপমানিত ও পরাজিত। তার পোশাকি আবরণ লুণ্ঠিত হয়ে পড়েছে। সে ফিরে চলে যাচ্ছে, তার হাতের বিচারের নিক্তি এখন আর সমান্তরাল নেই, বিচারের খড়গ এখন তার নিজের কাঁধেই বসিয়ে দিয়েছে ওরা। যে দেশে ন্যায়বিচারের প্রতীককে মূর্তিপূজার সাথে এক করে দেখা হয়, বিনা বিচারে ব্লগার হত্যা করা হয় সে দেশে জাস্টিশিয়া’র প্রয়োজন নেই।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
নায়েকের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারির পর বিচারিক কার্যক্রমে সহায়তার অনুরোধ জানিয়ে সৌদি আরবে চিঠি পাঠাবে ভারত। দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের রাজস্ব বিভাগের এনফোর্সমেন্ট অধিদপ্তর এজন্য আদালত থেকে অনুরোধপত্র জোগাড় করার চেষ্টা করছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন