ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫২ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
বিনা দোষে নিরীহ পাহাড়ি গ্রেফতার, নির্যাতন ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমানে নিত্যনৈমিত্ত্যিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন অবিলম্বে নিরীহ পাহাড়িদের বিনা দোষে গ্রেফতার, নির্যাতন ও বাড়িঘরে তল্লাশী বন্ধ, আটককৃতদের মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং রমেল চাকমার পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানেরও দাবি জানিয়েছেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির সংমিশ্রিত পরিবারে জন্ম নিয়েও রবীন্দ্রনাথ কখনোই ভিন্ন ভিন্ন ধর্মকে একটি একীভূত মিলিত ধারায় প্রবাহিত দেখতে আগ্রহী ছিলেন না। এক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের শেষ জন্মদিনের কিছু আগে লিখিত প্রবন্ধ, যা তাঁর সর্বশেষ প্রবন্ধ‘,‘সভ্যতার সঙ্কট‘-সেখানে তিনি সুস্পষ্টভাবে বলেছেন কীভাবে ধর্মের নামে ভারত হিন্দু-মুসলিম দুইভাগে ভাগ হয়ে গেছে। তবুও তিনি নিজে উদ্যোগী হয়ে কখনোই এ ধারা দু’টো সংমিশ্রণের চেষ্টা করেন নি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
হোমারের ওডেসিতে জিউস ওডেসিয়ুসকে বর্ণনা করে, মনের দিক থেকে সে অন্য সব মানুষের সীমার বাইরে। ওডেসিয়ুস এর আরেক নাম ইউলিসিস। পণ্ডিতদের মতে গ্রিক বীরদের মধ্যে সে একমাত্র ট্রিকস্টার চরিত্র। হোমারের ইলিয়াড এবং ওডেসিতে তার সম্বন্ধে জানা যায়, এতে তাকে চালাকি,দেবতাদের সাথে তার সম্পর্ক এবং অন্যান্য চারিত্রিক গুনাবলী থেকে তাকে ট্রিকস্টার চরিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
মনে মনে ভাবছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা। নব্বই দশকে কলাভবনে ক্লাস রুমের চরম সংকট। সবার আগে দৌড়ে গিয়ে রুম দখলের স্মৃতি মনে পড়লো। আর এখানে? এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিশ্চয়ই কোনোদিন ক্যাডার, টিয়ার গ্যাস, হরতাল, ধর্মঘটের নামও শোনেনি। সেশন জটের খপ্পরেও নিশ্চয়ই পড়েনি কখনও। হায় আমার দুঃখিনী জন্মভূমি। তবু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমার অতি প্রিয়, অতি আপন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
কারণ ব্রিটিশ শাসকরা রাষ্ট্র শাসন থেকে বিদায় নিলেও তারা তাদের যে গোলামদের হাতে রাষ্ট্র দেখার ভার দিয়ে গিয়েছিল সেই গোলামরাই এখন পর্যন্ত উপমহাদেশের রাষ্ট্রগুলির দেখাশুনা করে যাচ্ছে। গোলাম তো গোলামই! তার গায়ের রং, ভাষা, চেহারা, ধর্ম যেমনই হোক। আগে মালিক ছিল ব্রিটেন, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর থেকে সেই মালিকের জায়গাটা নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে সেটা রাজনৈতিক যতটা, ততটা জ্ঞানতাত্ত্বিক নয়। জ্ঞানতাত্ত্বিক প্রভুত্ব বা মালিকানার জায়গাটা এখনও প্রধানতই ব্রিটেনের হাতে রয়েছে। বলা চলে ইঙ্গ-মার্কিন প্রভুদের দাসরাই এখন উপমহাদেশের সব জায়গার সংস্থাপন বা স্ট্যাবলিশমেন্ট দখল করে আছে। কারণ এখানে কোথায়ও প্রকৃত অর্থে জাতীয় বিপ্লব হয় নাই।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ইকটমির অনেকরকম ক্ষমতার কথা জানা যায়। সে তার জাল দিয়ে মানুষকে পুতুলের মতো নাচাতে পারে। সে এমন ঔষধ বানাতে পারে যা দিয়ে মানুষ, এমনকী দেবতাকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। লাকোটা পুরাণ জীবন্ত, তাদের বিশ্বাস ইকটমি একদিন সারাপৃথিবীতে তার জাল বিছিয়ে দিবে। আদিবাসীদের কাছে ইকটমি নতুন নতুন প্রযুক্তির আবিষ্কর্তা, ভাষার আবিষ্কার থেকে শুরু করে আধুনিক নেটওয়ার্কিং ইকটমির আবিষ্কার বলে তারা মনে করে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
নেই বৃষ্টি, নেই কুয়াশা,
শুধু প্রতিবাদী ভাষা;
শুধুই তারুণ্যের ঝড়,
নবজাগরণে দীপ্ত শাহবাগ চত্বর।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করার জন্য সার্টিফিকেট আর টাকাপয়সা দিয়ে একটি অনুগ্রহজীবী গোষ্ঠী তৈরি করা হচ্ছে। ১৯৯১ সালে সরকার গঠন করে খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় বানালেন। রাষ্ট্রের সব কাজকর্ম থেকে মুক্তিযুদ্ধকে বিসর্জন দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের নামে আলাদা কুঠুরি তৈরি হলো। তাদের হয়তোবা মনে হয়েছিল, আওয়ামী লীগ কেন মুক্তিযুদ্ধের ওপর একচ্ছত্র আধিপত্য করবে? মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করার আমাদেরও তো অধিকার আছে। বিএনপি সরকারের আরও অনেক খারাপ কাজের মতো এটিও আওয়ামী লীগ সরকার এটা চালু রেখেছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
যে কোনো জায়গা থেকে চলে আসার সময় আমরা খুঁজে দেখি কিছু ফেলে যাচ্ছি কি না। কিন্তু সর্বত্রই আমরা স্মৃতি ফেলে আসি। কোনো জায়গায় কিছুদিন থাকলে মায়া পড়ে যায়। সেই মায়া কাটিয়ে চলে আসতে কষ্ট হয় বৈকি। ম্যারিয়টস ইনের সেই দিনগুলো ছিল দারুণ ‘মায়া জাগানিয়া’। আজও তার মায়া জেগে আছে স্মৃতির ফোল্ডারে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
নিজেদের ব্যবসার স্বার্থে এই দেশে ধর্মপ্রিয় মানুষের সংখ্যা অনেক। আর এদের দুর্বলতার সুযোগে এই দেশে রাতারাতি ভূঁইফোঁড়ের মতো গজিয়ে উঠছে একশ্রেণীর পীর। এখানে, ধর্মচাষ করা খুব সহজ। আসলে, ধর্মচাষ করে নিজের আখের গুছিয়ে নেওয়াটা অধিকতর সহজসাধ্য। তাই, এখানে পীরালী-ব্যবসাটাও খুব জমজমাট। এরা নিজেদের স্বার্থে যখন-তখন ধর্মের অপব্যাখ্যা দিতে পারে এবং তা দিয়েও থাকে। আর এব্যাপারে তারা সিদ্ধহস্ত। এই দেশে এখন হারিকেন জ্বালিয়ে খুঁজলেও হাতেগোনা কিছুসংখ্যক মানুষ ছাড়া ধার্মিক খুঁজে পাওয়া খুবই দুঃসাধ্য কাজ।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন