ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫৩ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
আমরা জানি, একটি সমস্যাকে যতো গভীরভাবে অনুভব করা যায়, দার্শনিক স্তর তথা উৎপত্তিগত স্তর থেকে বোঝা যায় ততো তার সমাধানের সম্ভাবনা বাড়ে। গণিত সম্পর্কে যাদের একটু ধারনা আছে তারা বেশ বুঝবেন। গণিতের সমস্যাটার রহস্য বুঝতে পারলে তার সমাধান তো সময়ের ব্যপার মাত্র। হ্যা, এখানেও ঠিক তেমনি জাতপাত সমস্যার সমাধান করতে গেলে সমস্যাটির রহস্য উন্মোচন করতে হবে, গভীরভাবে উপলব্ধি করতে হবে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
০ বার পঠিত
বিবাহিতা নারীদের সিঁদুর পরাকে অনেকেই আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় পরিচয়ের অঙ্গীভূত হিসেবে গণ্য করেন। খাওয়া-দাওয়া, পোশাক-আশাক, আচার-অনুষ্ঠান, গান-বাজনা, ইত্যাদি নানা কিছু নিয়ে বিশেষ জনগোষ্ঠীর যে তথাকথিত নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বেড়ে উঠে, তার একটি ক্ষুদ্র অংশ এই সিঁদুর পরা। এই সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ছবি চিরন্তন কিছু নয়। সময়ের সঙ্গে তা পাল্টায় এবং একসময় অপ্রাসঙ্গিক ক্ষতিকর হয়ে উঠলে তা সক্রিয়ভাবে পাল্টানো উচিত। সিঁদুর পরার ক্ষেত্রে ব্যাপারটিকে এভাবে পরিবর্তিত বা অবলুপ্ত করার প্রয়োজনীয়তা সার্বিকভাবে অনুভূত নয়। তাই তা লোকাচার বা লোক সংস্কৃতি, যেভাবেই হোক না কেন টিকে আছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনভারতবর্ষে বামপন্থার ভূত ভবিষ্যৎ কী! বিশ্বের আদি বাম কে ছিলেন? বামেরা বামন হলেন কীভাবে? প্রকৃত কিংবা ভেকধারী বামাচারিদের চেনার উপায় কী? বামনাবস্থা থেকে পরিত্রাণের পথ কী? কতটা বিপরীত বা বিকল্প আজকের হতোদ্যম বামেরা? এইসব প্রশ্নের ইঙ্গিত অনুসন্ধানের প্রয়াস এই লেখায়।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
শ্রদ্ধাবনত হই বিশ্বকে এক হ্যাচকা টানে বদলে দেয়া এই মহান নেতার প্রতি। যতদিন এই প্লানেটে মানুষ মানুষকে শোষণ করবে, শাসন করবে, উদ্বৃত্ত মূল্য নিয়ে পুঁজি ফুলে-ফেঁপে উঠবে, মানুষের মানবিক সকল গুণাবলি শোষণ আর বঞ্চনায় কর্পূরের মত উবে যেতে থাকবে, সাম্যের আকাঙ্খায় মানুষ এক থেকে দুই হবে, দুই থেকে দু’লক্ষ হবে, তারপর কোটি কোটি হবে। তারা জীবনকে হাতে নিয়ে অন্য জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসবে। মরবে, বাঁচবে, ফের মরবে এবং জীবনীশক্তি থাকা অবধি লড়াই চালিয়ে যাবে, ততদিন আপনার অমোঘ ব্রম্মাস্ত্র ‘ডাস ক্যাপিটাল’ তাদের পাথেয় হয়ে থাকবে। সেই সাথে শোষকের দিকে তাক করা থাকবে অপরিমেয় অজেয় শক্তির আধার হিসেবে। জয়তু কার্ল মার্কস।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
জীবনে চলতে চলতে নানা সময় নানা অভাব, শোক, মনোবেদনা, সম্পর্কের জটিলতা, বন্ধু বিচ্ছেদ, সম্পত্তিগত ঝামেলা ইত্যাদি আসবে। অবশেষে আসতে পারে অবসাদ। এর জন্য সঠিক পরামর্শদাতা বা মনোবিদের সাহায্য নিন। সুফল পাবেন। তা না করে, আপনি যদি কোন ধর্ম, ঈশ্বর, প্রার্থনা, তান্ত্রিক, যোগগুরু, প্লানচেট, ভুডু, শব সাধনা বা আধ্যাত্মিক উপায়কে অবলম্বন করেন, তাহলেই সর্বনাশ। যে ‘সর্বনাশ’ ঘটেছে কলকাতার তথাকথিত শিক্ষিত একটি পরিবারে। ‘ধর্ম’ ও ‘আধ্যাত্মিকতা’ নামক এক জগাখিচুড়ী মার্কা অপবিজ্ঞান এবং তারই উপজাত ‘তন্ত্রমন্ত্র’ কীভাবে মানুষকে তার মানবিক গুণগুলো থেকে বিমুখ করে তোলে তার জ্বলন্ত উদাহরণ কঙ্কালকাণ্ডের ‘দে পরিবার’। যেখানে ‘যোগ’এর নামে শান্তি খোঁজার চেষ্টায় এমন বিয়োগান্তক পরিণতি!
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আসলে ধর্ম বা ধর্মের সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই সহজ নয়। তবে সম্ভব। সেটা কীভাবে তা বুঝা অপরিহার্য। ধর্মের উদ্ভব ও বিকাশের সঙ্গে সভ্যতার উদ্ভব ও বিকাশের গভীর সম্পর্ক আছে। সভ্যতা নির্মাণ তথা সভ্য সমাজ গঠন করতে গিয়ে মানুষ যে সব সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে সেগুলিকে মীমাংসা করতে গিয়ে মানুষ ধর্ম নির্মাণ করেছে। সুতরাং ধর্ম-মুক্ত সমাজ ও সভ্যতা নির্মাণ করতে হলে সমাজ ও সভ্যতার সমস্যাগুলিকে বুঝতে হবে। সভ্যতার প্রয়োজনে মানুষ যেমন ধর্ম নির্মাণ করেছে তেমন সভ্যতার আরও অগ্রগতির প্রয়োজনে ধর্মের বিলয়ও মানুষই ঘটাবে। মানুষের সমাজ ও সভ্যতা এগিয়ে যাবে। পিছনে পড়ে থাকবে একটা কালের স্মারক হিসাবে ধর্মগুলি, আগামীতে যেগুলিকে নিয়ে কেউ আর মাথা ঘামাবে না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
কোরানের ভাষা কি রকম স্পষ্ট তা এমনকি যে কোরানের মূলানুগ অনুবাদও পড়ার চেষ্টা করেছে সেই জানে! গবেষকরা জানাচ্ছেন কোরানের প্রতি পাঁচটার বাক্যের অন্তত একটির কোনই অর্থ খুঁজে পাওয়া যায় না (ভাষাবিদ গার্দ-র পুইনের মত, অধিকাংশ অমুসলিম স্কলার সমর্থন করেছেন)। আজ্ঞে হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন পরিস্কার আরবী ভাষায় লিখিত আল্লার বাণী কোরানের অন্তত পাঁচভাগের একভাগ সম্পূর্ণ অর্থহীন। অত্যন্ত যৌক্তিক যে প্রশ্নটি সামনে আসে তা হল কোরানের এই বিশাল ভাষাগত অসংলগ্নতার কারণ কি? ঠিক এইখান থেকেই আমরা আমাদের অনুসন্ধান শুরু করব। কারণ এইখানেই ইসলামী ইতিহাসের প্রবল তাৎপর্যপূর্ণ অথচ প্রায় অনোলোচিত বিষয় লুকিয়ে আছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনসাহিত্যের আবার ধর্ম কী? সাহিত্য হিন্দু না, মুসলমান না, বৌদ্ধ না, খ্রিস্টান না। তাহলে, সাহিত্যের ধর্ম কী? আসলে, সাহিত্যের নির্দিষ্ট কোনো পোশাকি-ধর্ম নাই। তাই, সাহিত্যের একমাত্র ধর্ম মানবতা আর সার্বজনীন মনুষ্যত্বের জাগরণ। আর কবি, লেখক ও সাহিত্যিকদের একমাত্র ধর্ম হলো মানবধর্ম। আর এই মানবধর্মেরই জয়গানে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে সারাটি জীবন শব্দের মালা গাঁথেন কবি, লেখক ও সাহিত্যিকগণ। সাহিত্য শুধু মানুষের—আর কবি, লেখক ও সাহিত্যিকরাও মানুষের বন্ধু। তাঁরা জীবনব্যাপী মানুষের জন্য সৃষ্টিধর্মী-চিন্তাভাবনায় ডুবে থাকেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
যদি তোমাকে পেতাম কখনো
এমন কোন আশ্চর্য রাতে,
বিষন্ন বিস্ময়ের বেড়াজাল ভেঙ্গে হয়তো
খুঁজে পেতাম জীবনের সুচারু মানে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন