ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫২ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
ট্রিকস্টার পুরাণে মানুষের চেতনার আদিম অবস্থার যে চিত্র আমরা দেখি তা হাজার হাজার বছরের সৃষ্টি। এ দীর্ঘসময় ধরে সে তার প্রাচীন বৈশিষ্ট্যসমূহ ধরে রেখেছে, পরবর্তীকালের জটিল সূক্ষ মানসিক উপাদানের প্রভাব থেকে নিজেকে রক্ষা করেছে। এসব পুরাণ আমাদের অতীত স্মৃতির অবশেষ, যা আমরা অজ্ঞানভাবে বহন করে চলেছি। প্রশ্ন হল, এসব পুরাণ শুধুমাত্র অতীতের বস্তু হলে এরা কেনো হারায় না ? কেন এখনো বর্তমানের জটিল সভ্য মানুষের কাছে তাদের প্রভাব অনুভূত হয়?
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
এটা খুব লক্ষ্যণীয় যে মুসলিম শাসন পূর্ববর্তী ভারতবর্ষের বৃহৎ নির্মাণ যাকিছু আজ অবধি টিকে আছে সেগুলির অধিকাংশ হিন্দু দেব–দেবীদের মন্দির। সম্রাট অশোক নির্মিত স্তম্ভগুলি কিংবা আরও পরবর্তীকালের লৌহ স্তম্ভেরকথা বাদ দিলে উল্লেখ করার মত নির্মাণ আর কয়টা আছে? এটা ঠিক যে বৌদ্ধদের কিছু বৃহৎ নির্মাণ ছিল। বিশেষত তাদের মঠ এবং বিশ্ববিদ্যালয়, যেগুলির অনেক কয়টিই মুসলমান আক্রমণকারীদের দ্বারা ধ্বংস প্রাপ্ত হয়েছে, যেমন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়। অবশ্য মুসলিম পূর্ব যুগে অনেক উন্নত নগর ছিল যেগুলির প্রায় সবই আক্রমণকারী মুসলমানদের দ্বারা নিশ্চিহ্ন হয়েছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বিদ্যাসাগর মহাশয় ধর্ম্ম নিয়ে মাতামাতি করেন নি, আবার আজকাল যেমন অনেকে ধর্ম্মের পিছনে উঠেপড়ে লেগেছে সেটাও তিনি করেন নি। আজকাল কেউ কেউ বিদ্যাসাগরকে নাস্তিক বলেন। প্রকৃতপক্ষে তাঁকে নাস্তিক বললে ঠিক বলা হয় না। তিনি বলতেন ঈশ্বর ‘অবাঙ মানসগোচর’। এর অর্থ হল বাহ্যজগতে ঈশ্বরকে দেখা না গেলেও এবং ঈশ্বর সম্বন্ধীয় জ্ঞান বাক্যে প্রকাশ করা না গেলেও মনোজগতে ঈশ্বরের ধারণা করা সম্ভব। তাঁর এই কথার মধ্যে কোনো ভুল নাই। তবে মনোজগতে ঈশ্বরের ধারণা (‘অবাঙ মানসগোচর’) করাটাও খুব শক্ত কাজ ; সেটা যে বিজ্ঞানবিরোধী হবে তা নয়, কিন্তু খুব অল্প লোকেই সেটা পারেন। প্রসঙ্গত, ঈশ্বর সম্বন্ধে পদার্থবিজ্ঞানী রিচার্ড ফেইনম্যানও অনুরূপ কথা বলেছেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
১। “এই যে ঠাস করে একটা মেয়েকে ছুঁড়ে দেওয়া। এই যে তোমাকে নেবো না, ওকে নেবো। এটা ধর্ষণ করার চেয়েও বেশি। যারা ধর্ষণ করে তাদের আমরা ধর্ষণকারী বলি। এদেরকে কি বলবেন! এরা আরো খারাপ। এদের কোনো নাম নেই সমাজে।“
২। “বিয়েটাকে গোপন রাখা শুধু কী ক্যারিয়ারের জন্য নাকী গোড়া থেকেই এই বিয়েকে অস্বীকার করার দূরভিসন্ধি নায়ক সাহেবের মনের ভিতরে ছিল? বিয়েকে গোপন রেখে নিজেকে ব্যাচেলর দেখিয়ে অন্য অনেক নারীর সঙ্গে ফষ্টি নষ্টি করার খায়েশ থেকেই তিনি এই পথ অবলম্বন করে ছিলেন কীনা সেটাও ভেবে দেখার বিষয় বৈকী”।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
এই ঘটনা থেকে নারীরা সাবধান হোন। কাপুরুষ ও নষ্ট পুরুষদের সঙ্গে গোপন বিয়েতে যাবেন না। যে প্রকাশ্যে বিয়ে করতে পারে তাকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিন। একই কথা পুরুষের বেলাতেও প্রযোজ্য। তবে বিশেষ করে নারীদের এই কথা বলার কারণ হলো ব্যতিক্রমী কিছু ক্ষেত্র ছাড়া সাধারণত যে কোনো প্রেমজ সম্পর্কের মাশুল নারীকেই গুণতে হয় আমাদের সমাজে। অপুর প্রতি আমার আহ্বান থাকবে, ওই ভ- স্বামীর পুরো মুখোস উন্মোচন করুন। যাতে অন্যরা সাবধান হতে পারে। আর নায়কবেশী খলনায়কদের উদ্দেশ্যে ঘৃণা ছাড়া আর কিছুই প্রকাশের নেই।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
উইনেবাগো ট্রিকস্টার চক্রের মূল কথা, মানুষ প্রকৃতির অধীন, কখনই ভাবা উচিত নয় যে আমরা প্রকৃতির নিয়মের উর্ধ্বে। ছোট ছোট এ গল্পগুলো ছেলেবুড়ো সকলের জন্য। এসব গল্প শুনে তারা তাদের সমাজের নিয়ম-কানুন, শিকারের কৌশল, প্রকৃতির সাথে একাত্ম হয়ে থাকা, সর্বোপরি আত্মরক্ষার উপায় জানতে পারে। এর মধ্যে বিনোদন আছে, হাস্যরস আছে, অশ্লীলতা আছে (আমাদের দৃষ্টিতে), সর্বোপরি গল্প আছে। দিনশেষে কত্থকের চারপাশ ঘিরে আদিবাসী নারী-পুরুষ সকলে গোল হয়ে বসে এসব গল্প শুনত। এভাবে মুখের কথায়, গল্পবলার ভঙ্গীতে গোত্রের সবার জন্য শিক্ষণীয় বিষয়গুলো চক্রাকারে আসত আর বংশ পরম্পরায় সেসব জ্ঞান পরিবাহিত হতো।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
০ বার পঠিত
বাংলা তালেবান হইবার উপক্রম হইলে নাকী সে সকল অগ্রজেরাই প্রতিরোধের দু্র্মর প্রাচীর গড়িবেন এমন স্বপ্ন দেখাইয়া ল্যাজসমূহ কী প্রকারে এবং কোথায় গুটাইলেন তাহাও সে ঠাহর করিতে পারিতেছে না। জয় বাংলাস্তান। জয় তালেবাংলা।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্ব অপরিমেয়। কিন্তু ইতিহাস-ঐতিহ্যের সবকিছু গ্রহণযোগ্য নয়। অনেক কিছু পরিত্যাজ্য বা বর্জনীয়। ধর্মের অলৌকিকতা, দেবতা-ঈশ্বর-আত্মা কিংবা জন্মান্তরবাদ ইত্যাদিতে বিশ্বাসের যৌক্তিকতা বা অযৌক্তিকতা নিয়ে আলোচনা না করেও বর্ণজাতিভেদের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে আমরা নিঃসংশয়ে বলতে পারি যে এটার এক কালে যতটুকুই সামাজিক উপযোগ থাকুক বহুকাল ধরে এটা হিন্দু সমাজের জন্য অভিশাপ।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আমার সেই ‘সফিকা বেটি‘ (আমরা এই নামেই তাঁকে ডাকতাম) আজ আর নেই। তাঁর শেষকৃত্যে আমি যেতে পারি নি। কারণ ধর্মবাজদের ফতোয়া রয়েছে আমার মাথার ওপর। আমি মুর্তাদ, কাফের; তাই আমার শাস্তি হল মৃতুদণ্ড। আমার প্রাণ, আমার সন্তানের পির্তৃহীনতা, আমার স্ত্রীর বৈধব্য, আমার মায়ের সন্তান হারানোর যন্ত্রণার বিনিময়ে তারা স্বপ্ন দেখে জান্নাতুল ফেরদৌস।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন