ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫২ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
এই আম্মাকে দিলরুবা চেনে না। সে মনে মনে অসহায়বোধ করে, অদ্ভুত এক অনুভূতি। যেমনটি আগে কখনও হয়নি ওর। আম্মাকে জড়িয়ে ধরে বুকে মুখ লুকোতে ইচ্ছে করে তার… অজানা এক লজ্জা এসে বাঁধা দেয় সে ইচ্ছেতে! দিলরুবা অনভ্যস্থ ধীর পায়ে বেরিয়ে যায় ঘর থেকে, মাথায় নানারকম ভাবনার ভিঁরে এখন তার প্রধান ভাবনা হচ্ছে এতোসব ভয়াবহ তথ্য রুখশানার কাছ থেকে কীভাবে সে গোপন রাখবে?
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
জঙ্গিদমন করা এমন কোনো কঠিন কাজ নয়। বিশেষতঃ যেকোনো গণতান্ত্রিক-রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এটি একটি সহজসাধ্য কাজ। আর রাষ্ট্রের অন্যান্য সাধারণ কাজের মতো এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এক্ষেত্রে, রাষ্ট্র ও তার নির্বাচিত-সরকারকে শুধু আন্তরিক, সাহসী ও নিরপেক্ষ হতে হবে। তাহলেই ‘জঙ্গি’ নামক একশ্রেণীর ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ, পোকামাকড় ও আরশোলাগুলো এদেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হবে। আর যেকোনো রাষ্ট্রের জন্য এর সন্ত্রাসীগোষ্ঠীকে দমন করা অত্যন্ত সহজসাধ্য। তার কারণ, রাষ্ট্র হচ্ছে একটি বৃহৎপ্রতিষ্ঠান—আর এর অভ্যন্তরে সংগঠিত জঙ্গিগোষ্ঠী হচ্ছে ক্ষুদ্রঅপশক্তি। এদের সঙ্গে কথা না বলে রাষ্ট্র ‘জঙ্গি’ নামক পশুদের মুগুর-পেটা করবে। আর রাষ্ট্র এভাবেই তাদের নিয়মিত মুগুর-পেটা করে ধ্বংস করে ফেলবে। আর এভাবেই তাদের মানুষ আর মানবতার স্বার্থে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। এখানে, নমনীয়তা কিংবা সহনশীলতাপ্রদর্শনের কোনো সুযোগ নাই। কারণ, জঙ্গিরা কোনো মানুষ নয়। তাই, এদের সমূলে উৎখাত ও চিরতরে ধ্বংস করা রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য। আধুনিক গণতান্ত্রিক-রাষ্ট্র কোনোভাবেই এই দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না। আর তাই, বাংলাদেশে চিরস্থায়ীভাবে জঙ্গিদমনে-জঙ্গিধ্বংসে দেশ-জনতার পক্ষে এখানে ভেবেচিন্তে কার্যকরী ২১টি দফা-ঘোষণা করা হলো:
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
এরপরে নায়কের রূপান্তরের জন্য তাকে নানা পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। অনেক সময় নায়ক এক বা ততোধিক পরীক্ষায় ফেল করে। এসময় সে উপলদ্ধি করে তাকে কেউ একজন সবসময় সাহায্য করছে সেটা গুরুর উপদেশ হতে পারে, অথবা তার দেয়া কোন চিহ্ন, প্রতীক নায়ককে সাহস এবং শক্তি জোগাতে পারে। যেমন, হগওয়ার্টস এর প্রথমদিকে হ্যারি এবং তার বন্ধুদের নানান পরীক্ষার মাঝ দিয়ে যেতে হয়, এতে করে তারা ভাল যাদুকর হিসেবে গড়ে ওঠে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বিশ্বব্যাপী জ্বালানী তেলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং জীবাশ্ম জ্বালানীর ওপরে নির্ভরশীলতা কমাতে বিজ্ঞানীরা নবায়নযোগ্য জৈব উৎস থেকে জ্বালানী তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই লক্ষ্য থেকে আমরা বাংলাদেশ থেকে পাটখড়ি আনাই। আমার ছোটভাই আতিক লক্ষীপুর সদর থেকে পাটখড়ি সংগ্রহ করে আমায় পাঠায়। সে পাঠখড়িকে হ্যামার মিলের সাহায্যে ৩ মিলিমিটার সাইজ করে আমরা পাইরোলাইসিস বা উচ্চতাপে বিশ্লিষ্ট করে অপরিশোধিত জ্বালানী তৈল তৈরি করি। এ তেল সরাসরি বাড়িঘর গরম করার ফার্নেসে ব্যবহার করা যাবে। আর পরিশোধন করলে যেকোন পরিবহণ ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। আমার জানামতে, এ পর্যন্ত কেউ ক্যাটালাইটিক ফাস্ট পাইরোলাইসিস প্রক্রিয়ায় পাটখড়ি থেকে জ্বালানী তেল প্রস্তুত করে নি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বাংলাদেশে শিল্প সংস্কৃতি ও শিক্ষায় অসংখ্যবার সরকারি হস্তক্ষেপের ইতিহাস রয়েছে। ৫০ এর দশকে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষার মর্যাদা না দেওয়ার ফলে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, ইংরেজি হরফে বাংলা লেখার সরকারি উদ্যোগ, নানা নামে নানা আবরণে আমরা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিপন্ন করার প্রস্তাবনাও দেখেছি। বাংলাকে ইংরেজি বা আরবি হরফে লেখার প্রস্তাবের পাশাপাশি বাংলা হরফের সংস্কারের প্রস্তাবও আমরা প্রত্যক্ষ করেছি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আমাদের দেশে মিলনাত্মক চলচ্চিত্র মানে শেষে নায়ক নায়িকার বিয়ে বা বিয়ের পথে সকল বাধা অপসারণ। আর বিয়োগান্তক মানে নায়ক নায়িকার বিয়ে হলো না বা মৃত্যু হলো। অর্থাৎ তারা বিচ্ছেদের কারণে একত্রে জীবন পার করতে পারল না। সত্যিই কি তাই? সকল সুখের চাবিকাঠি কি প্রেম ও বিয়ে? বাল্যবিবাহের যাঁতাকলে পিষ্ট নারী জানে বিয়ের পর কিভাবে যন্ত্রণার শুরু হয়। কারণ ‘অতঃপর তাহারা সুখে শান্তিতে বাস করিতে লাগিল’ রূপকথার এই শেষ লাইনটি একেবারেই রূপকথা।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
০ বার পঠিত
সাগরপাড়ে এসে দিগন্তে চোখ তুলে তাকাতেই মায়া আবিস্কার করে নিজেকে, একঅন্য মায়াকে। এই বিশালতার মাঝে মায়া হাত বাড়িয়ে দেয়, ধরতে চায় কমলকে। দেখে আশেপাশে কমল নেই। কমল হাঁটতে হাঁটতে একাকী অনেক দূর চলে গেছে! এমন বিশালতার মাঝে এলে মানুষ বুঝি নিজেকে হারিয়ে ফেলে! যেমনটি হারিয়েছে মায়া নিজেকে! এমন দিগন্তে যেন দুটো মানুষ ভিন্নরূপ নেয়। দুটো স্বত্বা ছিটকে যায় দুদিকে, দূর…থেকে দূরে, বহুদূরে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথার পরিবর্তে পিতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথার সূচনা লগ্নেও কিন্তু নারী পুরোপুরি পুরুষের অধীনে ছিল না। তখন বিয়ে এবং পরিবার প্রথার সূচনা হয়েছে। কিন্তু নারীর যৌনতা এবং সন্তান জন্মদানের ক্ষমতার উপর তখনও পুরুষের একচেটিয়া অধিকার কায়েম হয়নি। একজন পুরুষের বিবাহিত স্ত্রী হলেও নারী কোন পুরুষের সন্তানকে গর্ভে ধারণ করবে তার নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই নারীর হাতে ছিল। তখনও গোষ্ঠিতান্ত্রিক সমাজ কাঠামো বিদ্যমান ছিল।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন১৪২১ বার পঠিত
চিলের সোনালি ডানায় উড়ে
চলে গেছ দূরে অনেক দূরে
আকাশের উপরে আকাশলীনার নীড়ে;
ফিরে এসো কবি কার্তিকের ভোরে
এই বাংলায় ধানসিড়িটির তীরে
বুনো হাঁস আর বকেদের ভীড়ে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন