ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫২ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
বুদ্ধিবৃত্তিক দালালির ইতিহাস এ দেশে নতুন নয়। ১৯৬৭ সালে যখন রেডিও পাকিস্তান থেকে রবীন্দ্রসংগীতের প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, তখন ১৮ জন বুদ্ধিজীবী প্রতিবাদ করে এর বিরুদ্ধে একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন। মজার কথা হলো, সরকারের সিদ্ধান্ত সমর্থন করে বিবৃতি দিয়েছিলেন ৪০ জন বুদ্ধিজীবী। এঁদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, লেখক, সাংবাদিক, শিল্পী—সব ধরনের মানুষই ছিলেন। এখন এই অবস্থার হেরফের হয়েছে, তা বলা যাবে না। রাজকবি আগেও ছিল, এখনো আছে। তবে বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে প্রতিবাদী কণ্ঠ মনে হয় অনেক কমে গেছে। শাসকেরা বুঝতে পেরেছেন, বুদ্ধিজীবীদের খুব অল্পতেই তুষ্ট করা যায়। ‘ভাত ছিটালে কাকের অভাব হয় না’- এই আপ্তবাক্যটি এ দেশের রাজনীতির অভিভাবকেরা ভালোই রপ্ত করছেন। তাই সুযোগ-সুবিধা দিয়ে নানাভাবে তাঁদের আঁচলে বাঁধতে বা পকেটে পুরতে পারছেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
তিনি ছিলেন একাধারে জার্মান কবি, সাংবাদিক, গদ্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক। জার্মানির বাইরে তিনি মূলত জার্মানির বাইরে তিনি মূলত প্রথমদিকের গীতধর্মী কবিতাগুলোর জন্য জনপ্রিয় হন। তাঁর কবিতাগুলো পরবর্তীতে রবার্ট স্যুম্যান ও ফ্রেঞ্জ স্যুম্যানের মতো বিখ্যাত সঙ্গীত পরিচালকরা কম্পোজ করে সঙ্গীতে রূপান্তর করেন। তাঁর অনেক কবিতা রাজনৈতিক ব্যঙ্গ-বিদ্রূপময় হওয়ায় তৎকালীন জার্মান সরকার সেগুলো নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। তিনি তাঁর জীবনের শেষ ২৫ বছর ফ্রান্সে নির্বাসনে কাটিয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
হিন্দু পুরাণে মোহিনী দেবীর নানা দৈত্য-দানবকে ধ্বংস করার কাহিনী আছে। যেমন, বিষ্ণু পুরাণে মোহিনী কৌশলের মাধ্যমে দানব ভস্মাসূরকে ধ্বংস করে। শিবের আরাধনা করে ভস্মাসূর বর লাভ করে, সে কারো মাথায় হাত দিলে তার শরীর ছাই হয়ে যাবে। বর লাভ করার পরে ভস্মাসূর সেটা শিবের উপরই প্রয়োগ করতে চায়। এতে শিব আতংকিত বোধ করলে, সাহায্য করতে বিষ্ণু এগিয়ে আসে। বিষ্ণু মোহিনীর রূপ ধরে ভস্মাসূরকে কাবু করে ফেলে। ভস্মাসূর মোহিনীকে বিয়ে করতে চায়। মোহিনী তাতে রাজী হয় কিন্তু শর্ত থাকে, ভস্মাসূরকে মোহিনীর সাথে নাচতে হবে এবং তার সাথে নাচের মুদ্রাগুলো হুবহু অনুসরণ করতে হবে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
মূর্তি বলতে দেবতার প্রতিমাকে বোঝায়। শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হল “অবয়ব”। মূর্তি দেবতার প্রতিনিধি।সাধারণত পাথর,কাঠ,ধাতু অথবা মাটি দিয়ে মূর্তি নির্মাণ করা হয়।হিন্দুরা মূর্তির মাধ্যমে দেবতার পূজা করে থাকেন। মূর্তিতে দেবতার আবাহন ও প্রাণপ্রতিষ্ঠা করার পরই হিন্দুরা সেই মূর্তিকে পূজার যোগ্য মনে করেন। ধর্মীয় সংস্কার বা শাস্ত্রের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট দেবতার মূর্তি নির্মিত হয়ে থাকে।অর্থাৎ প্রতিমা হল মানুষ যার প্রতিকীকে সামনে রেখে আরাধনা উপাসনা করে,ইহকালে-পরকালে মঙ্গল চায়,ধর্মীয় বিধি মেনে পূজা করে ইত্যাদি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
(উৎসর্গঃ অকাল প্রয়াত বন্ধু ইমদাদুল বারী অপুকে যার কাছে আমার কষ্টের কথা আর কোনদিন বলতে পারবো না)
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
০ বার পঠিত
বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখবিরোধী পাকিস্তানের পা-চাটা গোলামচক্র দেশের সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য অনলাইনে (ফেসবুক, ব্লগ, গুগল, ইউটিউব ইত্যাদিতে) দেশের জাতীয় উৎসব পহেলা বৈশাখের বিরুদ্ধে নানাপ্রকার অশ্লীল, জঘন্য, মনগড়া, আজেবাজে, আবোলতাবোল, আলতুফালতু, উদ্ভট, মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করছে। এরা গুগুলে বিভিন্ন আজেবাজে ছবি পোস্ট করে দেশের সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছে। আবার ইউটিউবে মনগড়া ভিডিও পোস্ট করে নানারকম বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এখানে, এই বাংলাদেশবিরোধীপশুচক্রটি পরিকল্পিতভাবে ‘বাংলাদেশের প্রধান ও জাতীয় উৎসব’ পহেলা বৈশাখবিরোধী যে-সব ছবি পোস্ট করেছে তার কিছু চিত্র দেওয়া হলো:
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
০ বার পঠিত
বাবার কাছে শুনেছিলাম, বছরের প্রথম দিন গরুকে গোসল (স্নান ) করিয়ে শিঙে তৈল দিয়ে, গলায় কড়ির মালা পরিয়ে দিত। তেল কেন দিত, উত্তর পাইনি। তারপরই নিজে নিজেই বললেন, আমরা তেল দিতাম, হিন্দুরা সিন্দুর দিত। সিঁদুর যে কেবল হিন্দু নারীর বৈবাহিক চিহ্ন নয়; অন্যকিছু, এটা না জেনেই অনেকেই তীব্র সমালোচনায় মুখর হয়ে উঠেন, তাদের কাছে প্রশ্ন, তা’হলে গরুর শিঙে সিঁদুর দেয়া হত কেন? আহমদ শরীফ স্যারের ’বাউল তত্ত্ব’ -এ উত্তরটা পেয়েছিলাম, সিঁদুরের সাথে আদি কৃষির সম্পর্ক, অর্থাৎ শষ্য উৎপাদন।পহেলা বৈশাখ তো শুধু হালখাতা নয়; গ্রামের সাথে যাদের সম্পর্ক রয়েছে, খুব ভাল করেই জানেন, মেলা-কে কেন্দ্র করে, গ্রামীণ অর্থনীতিতে এর প্রভাব কত গভীর।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আমেরিকার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আদিবাসীদের মধ্যে ট্রিকস্টার চরিত্র হলো দাঁড়কাক। তবে আদিবাসীরা দাঁড়কাককে দেবতা ভাবে না। তাদের কাছে দাঁড়কাক হল পরিবর্তনের রূপকার। দাঁড়কাক কখনো উদ্দেশ্যমূলকভাবে, কখনো বা তার উদ্ভট আচার-আচরণের প্রেক্ষিতে আকস্মিক কিছু পরিবর্তন হয় যার ফল হয় চিরস্থায়ী। দাঁড়কাকের গল্পে আছে কিভাবে সে দুনিয়াতে প্রথম মাটির সৃষ্টি করে, কিভাবে মানুষকে শামুকের খোলস থেকে মুক্ত করে এবং তাদের জন্য আগুন নিয়ে আসে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
এখন প্রায়ই একটা কথা শুনা যায় চায়ের স্টল থেকে শুরু করে হাটে বিলে খাটে,ঘাটে,মঞ্চে,লঞ্চে,ট্রেনে,বাসে,নীল সাদার দুনিয়াসহ সব জাগায় যে,নেত্রী (শেখ হাসিন)যা করছে তা ভালোর জন্যই করছে এবং তা সমালোচনার উর্ধ্বে।আর যারা সমালোচনা করবে তাদের উদ্দেশ্যে চাটুকারীরা (নেতা-কর্মী) একধাপ এগিয়ে বলবে,নেত্রীর থেকে বড় দেশপ্রেম আর কারো নাই।সেহেতু সমালোচনা করা যাবে না।আরে ভাই,নেত্রী কি দেশপ্রেমের ইজারা নিছে নাকি!এখানে দেশ প্রেম কম আর বেশী কোথায় থেকে আসে।আর নেত্রী যা করছে তাই যদি ঠিক হয়,তাহলে তাকে এবার সৃষ্টিকর্তাই মেনে ফেলুন না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
চক্ষু,রেটিনা যে ভাবে কাজ করে –২৫(৫) Source of figure- http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/medicine/laureates/1967/ চিত্র– ১ বা হতে ডানে– ১)Ragnar Granit জন্ম: ৩০ অক্টোবর […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন