ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫২ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
(৩) বনগাঁ থেকে শিয়ালদাগামী ট্রেনগুলোর কামরা এক রকম ফাঁকাই থাকে| অথচ শিয়ালদা থেকে বনগাঁর ট্রেনগুলো বাংলাদেশ থেকে আগত শরনার্থীতে ঠাসা| ডিসেম্বরের […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
(২) বাবা কলকাতায় গেলেন স্বাধীনতার কয়েক মাস পরে| তখন সবে মাত্র ভারতীয় কংগ্রেস মার্চ মাসের নির্বাচনে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে| জাতীয় […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
(১) পড়ন্ত বেলায় বাবাকে কেন দেশ ত্যাগ করতে হবে? স্বাধীনতার এত বছর পরে স্বাধীন জয়বাংলা ছেড়ে কেন যেতে হবে? এ […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
মুক্তিযুদ্ধ, শরণার্থী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নকশালদের নিয়ে লেখা ধারাবাহিক উপন্যাস
পড়ন্ত বেলায় বাবাকে কেন দেশ ত্যাগ করতে হবে? স্বাধীনতার এত বছর পরে স্বাধীন জয়বাংলা ছেড়ে কেন যেতে হবে? এ প্রশ্নগুলোর উত্তর তাঁকে কেউ দিতে পারছে না।
বাবা কবে ভারত গিয়েছিলেন আমার মনে নেই। শুনেছি দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে একবার ইন্ডিয়া গিয়েছিলেন আমার মাতৃকুলের সবাইকে জানান দিতে যে, তিনি বেঁচে আছেন| পাকিস্তানী হানাদার কিংবা দেশীয় রাজাকারের হাতে তাঁর অপমৃত্যু হয়নি| এ কথা নাকি লোকমুখে সুদূর কলকাতাতেও চাওড় হয়ে গিয়েছিল যে, মানিকগঞ্জের এক অজ পাড়াগাঁয়ের বটগাছে পাকিস্তানী মিলিটারীরা এক জনকে ঝুলিয়ে রেখেছে| কালো চেহারার ছয় ফুট মানুষটির ক্ষতবিক্ষত দেহ প্রথমে গুলি করে ঝাঁঝরা করা হয়েছে| তারপর বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে আরও বিভৎর্স করার চেষ্টা হলেও ঝুলিয়ে রাখা মানুষটিকে এলাকার সবাই চিনেছে| মৃত্যুর কথা যেমন হু হু বাতাসের বেগে চারিদিকে ছড়ায়, বাবার মৃত্যু সংবাদটিও তেমনি কলকাতা অব্দি ছড়িয়েছিল তখন|
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
মসজিদে ঢুকলে বোঝা যায় তর্জন-গর্জন কাকে বলে! আর মসজিদের মিম্বরে বসে মসজিদের কথিত-ইমাম মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে চেঁচিয়ে পারলে মাইকটা ফাটিয়ে ফেলে আরকি! এদের চিৎকারে ও চেঁচামেচিতে দেশের সাধারণ মুসল্লীদের আজ নাভিঃশ্বাস-অবস্থা। তবুও যেন এই দেশে আজ এসব দেখার কেউ নাই! এদের যন্ত্রণায় দেশের সহজ-সরল-ধর্মপ্রাণ মানুষ আজ অতিষ্ঠ। এইসব সস্তা-ইমামের মুখে যা-আসে এরা তা-ই বলে। এদের বিদ্যা-শিক্ষা, জ্ঞান, পড়ালেখা, সততা, আর চিন্তাভাবনা যৎসামান্য। কিন্তু এরা একেকজন কথা বলে একেকটি হিমালয়ের মতো। এরা এমনভাবে কথা বলে আর এরা মনে করে—এদের চেয়ে বেশিকিছু আর-কেউ জানে না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ধীরেন্দ্র পাল ছিলেন রিয়ার নানাবাড়ির পারিবারিক ডাক্তার। নিয়মিত আসতেন। কোন সমস্যা না হলেও নিজ মনে চলে আসতেন। এক নজর সবার খবর নিয়ে চলে যেতেন। রিয়ার নানী তার দেখশুনা করতেন পরম যত্ন সহকারে। হাসিখুশি প্রাণবন্ত ধীরেন্দ্র পাল অত্র গ্রামের একজন নামকরা ডাক্তার। তার একমাত্র পুত্র উপেন্দ্র পাল ডাক্তারি পড়তে যায় কলিকাতায়। পড়া শেষ করে আর কখনো ফিরে আসেনি। ওখানেই প্র্যাকটিস শুরু করে দেয় । এতে ধীরেন্দ্র পালের ভীষণ কষ্ট। ভেবেছিলেন ছেলে তার দেশে ফিরে এসে মানুষের কাছাকাছি থাকবে, সেবা ব্রতী হয়ে, কিন্তু তা আর হলো না। মানসিক একটা যন্ত্রণা নিয়ে এ বাড়ি ও বাড়ি করে চিকিৎসা সেবা দিয়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে সচেষ্ট হন ধীরেন্দ্র। কিন্তু হিন্দু-মুসলমানের বিষয়টি তাকে দিনের পর দিন ব্যাতিব্যস্ত করে তুলছে। নিজেকে বুঝাতে পারে না কেন এই মানসিকতার আবির্ভাব। সব শ্রেণির মানুষের কাছে বাংলার মাটি একটি পরম আশ্রয়স্থল। এতদিন তাই বুঝেছিলেন ধীরেন্দ্র, কিন্তু এখন কেমন করে যেন সব কিছু উলোট-পালোট হয়ে যাচ্ছে। কোন অবস্থাতেই তার জন্মভূমি, এই পূন্যভূমি ছেড়ে যেতে চান না। বাপ দাদার চৌদ্দ পুরুষের ভিটাবাড়ির মাটি কামড়ে আকড়ে পড়ে আছেন। এই মাটিতেই শুঁয়ে শেষ নিঃশ্বাসটা নিতে চান।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
০ বার পঠিত
নারীবাদ তর্জন-গর্জন দিয়ে বা অতি হঠকারী কর্মকাণ্ড দিয়ে প্রতিষ্ঠা করা যায় না। সমাজবিকাশের কোন স্তরে নারী ক্ষমতা হারিয়েছে, কেন নারী শোষণ ও বঞ্চনার শিকার, সেটা বুঝতে হবে আগে। পাঠের কোনো বিকল্প নেই। ফ্রেডেরিক অ্যাঙ্গেলস এর ‘দ্য অরিজিন অফ দ্য ফ্যামিলি, প্রাইভেট প্রোপারটি অ্যান্ড দ্য স্টেট’ না পড়লে সমাজ বিকাশের ধারা, সমাজে নারীর অবস্থান বুঝতে পারা সম্ভব নয়।
কার্ল মার্কস এর ‘ডাস ক্যাপিটাল’ দেখে যদি ভয় পান, তাহলে অন্তত ‘কমিউনিস্ট মেনিফেস্টো’ পড়ুন। জানতে হবে ক্লারা জেৎকিন, রোজা লুক্সেমবার্গ এর মতো নারীদের কথা। পড়তে হবে সিমোন বোভ্যেয়ারের ‘সেকেন্ড সেক্স’। পড়তে হবে বেটি ফ্রিডানের ‘দ্য ফেমিনিস্ট মিস্টিক’। রোকেয়া রচনাবলীও পড়তে হবে। জানতে হবে সরলা ঘোষাল, প্রীতিলতা, কল্পনা দত্ত, মনোরমা মাসীমা, ইলা মিত্র, নাদেরা বেগমদের কথা।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আমাদের দেশে একজন মেয়েও খুঁজে পাওয়া যাবেনা, যে কখনও না কখনও কোন না কোন পুরুষের লোভী হাত দ্বারা অপমানিত হয়নি। […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুনমুসলমানদের ধর্মীয় আচার, অনুষ্ঠান সামাজিক বিধান যেমন শিন্নি, দান-খয়রাত, মানত, কোরবানী ইত্যাদির মতো ‘যজ্ঞ’ প্রাচীন ভারতের আর্য জাতির একটি প্রধান সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান বিশেষ। অবশ্যই এই যজ্ঞ, বলিদান,শিন্নি, দান-খয়রাত, মানত যে, লাউ কুমড়ো, হাঁস মুরগী, স্বর্ণালংকার, শাক শব্জি, ফল মূল, গরু বাছুর, ভেড়া ছাগল, টাকা পয়সা হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। আর্য শাস্ত্র মতে–দেবতার উদ্দেশ্যে কোনো জিনিস বা দ্রব্য দানকে বলা হয় যজ্ঞ। এই দান করা হতো দেবতার অনুগ্রহ লাভের জন্য। অনেক সময় নিজের, দেশের কল্যাণ্যের জন্যও দান করা হতো। যজ্ঞের উদ্দেশ্যের বিচারে দুই ভাগে বিভক্ত ছিল।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনষ্টাইন এমন কথা কোনোদিন বলেননি। উপরে বর্ণীত কাহিনিটি সম্পূর্ণ বানোয়াট মিথ্যা। বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীদের নামে এমন অনেক মিথ্যা কাহিনি মডারেইট হিন্দুবাদীরা ছড়িয়ে দিয়েছেন অন্তর্জালে তাদের ধর্মকে বিজ্ঞান সম্মত প্রমাণ করতে।
শুধু জ্যোতির্বিজ্ঞানই নয়, বেদে জীব বিজ্ঞানও আছে। মাত্র দেড় শত বছর আগে ডারউইন ও তার সমকালীন জীববিজ্ঞানীগণ জীবের বিবর্তন বা উৎপত্তির যে থিওরি দিলেন তা বেদের ঋষিগণ নাকি পাঁচ হাজার বছর আগেই জানতেন। কীভাবে?
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন