ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫২ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
ভারত নামের অর্থও জানা দরকার। যে দেশ পুত্ত্র, প্রজা ও জ্ঞানীদের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেয় তাকে ভারত বলে। ভারত শব্দটি আসে ভৃ ধাতু থেকে। ভরণপোষণের জন্য সরকার ভুরি ভুরি সম্পদ বর্ষণ করে বলে দেশটিকে ভারতবর্ষও বলে। রাজ্যের ভরণপোষণ করার জন্যই রামায়ণের ভরতের নাম ভরত হয়েছিল (কৃত্তিবাসী রামায়ণে বিষয়টি উল্লিখিত হয়েছে)। এখানে একথা বুঝে নিতে হবে যে রামায়ণ ক্রিয়াভিত্তিক ভাষায় লিখিত এবং ভরত মানে আসলে ভরণপুঁজি (Subsistence money)। ভরতের অন্নপ্রাশনের সময় দশরথ তার ঐ নাম রেখেছিলেন বলে ভাবলে নামকরণের স্বার্থকতার কারণ বোঝা যাবে না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
১৯৮৭ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সতীত্বের পরীক্ষা দিয়েছিলেন রাজস্থানের ১৮ বছরের তরুণী রূপ কানোয়ার। তবে অনেকেই বলেন‚তরুণী রূপকে জোর করে স্বামীর চিতায় তুলে দেওয়া হয়েছিল। | বিহারের সহর্ষ জেলার পারমানিয়া গ্রামেও গাহওয়া দেবী নামের এক মহিলা স্বামীর চিতাতেই পুড়ে মারা গেছেন। সহর্ষর জেলা সদর থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরে পারমানিয়ার বাসিন্দারা কিন্তু এই সহমরণের ঘটনায় রীতিমতো গর্বিত বোধ করেছেন। কেউ কেউ রাজস্থানে রূপ কানোয়ারের ঘটনার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এক গ্রামবাসী যেমন বলেছিলেন,‘বছরকয়েক আগে রাজস্থানে যে-ঘটনার কথা শুনেছিলাম,আজ আমাদের গ্রামেও সেই একই জিনিস ঘটল। এ থেকে বোঝা যায় ওই দম্পতির মধ্যে কী গভীর প্রেম ছিল’।
এ সব উন্মাদনার প্রেরণাটা আসে কোত্থেকে? এ ছাড়া হিন্দু ধর্মের বর্ণ প্রথা, বর্ণ বিদ্বেষও যে হিন্দু সমাজে আজও রয়েছে তা অস্বীকার করার উপায় আছে কি?
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বাংলাদেশের আদিম জনগোষ্ঠির উপাস্য ছিল নারী শক্তি। কালী,দুর্গা,মনসা,বিশালাক্ষী,লক্ষ্মীর মতো লোকজ দেবীরা পরবর্তীতে পিতৃতান্ত্রিক আর্য সমাজের পুরাণে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সময় কোন না কোন পুরুষ দেবতার স্ত্রী বা কন্যায় পরিণত হয়েছেন।বিশ্বের বিভিন্ন পুরাণকাহিনি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় নারী শক্তি এবং পুরুষ শক্তির মধ্যে একটি দ্বন্দ্বের ইংগিত সর্বত্রই রয়েছে। সমাজ যখন নারী-শাসন থেকে ধীরে ধীরে পুরুষ শাসনে রূপ নিয়েছে তখন পুরাণ কাহিনিতেও ধীরে ধীরে নারীদেবরা পুরুষদেবদের অধস্তন অবস্থানে চলে গেছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন৯৯৪ বার পঠিত
আমাদের সর্ব শরীর চর্ম দ্বারা আচ্ছাদিত। এই কর্ণিয়াটাও যদি চর্মের মত একটি অসচ্ছ পদার্থের অংশ বিশেষ দ্বারা তৈরী হত, তাহলে চক্ষুর অভ্যন্তরে সব কিছু সঠিক থাকা সত্বেও আমাদেরকে আজীবন অন্ধ ভাবে থাকতে হতো। অর্থাৎ কর্ণিয়াটাকে সব সময় বা আজীবন থাকতে হবে একটি জানালার গ্লাসের ন্যায় একেবারেই স্বচ্ছ, কিন্তু একই সংগে জীবন্ত ও। কিন্তু শরীরের একটি জৈব অংশকে কী করে এভাবে সচ্ছ রাখা সম্ভব? এটাতো আর জানালার গ্লাসের ন্যায় জড় পদার্থ নয়, যে একবার গ্লাসটি লাগিয়ে দিলেই সমস্ত ল্যাঠা চুকে গেল? আর মাঝে মধ্যে একটু পরিস্কার করলেই হয়ে গেল?
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বর্ষণমুখর দিনে বর্ষ-সেরা বর এসেছিল,ভাষাকে বরণ করে, বরেণ্য হবে বলে।বর্ণ-চোরার মত লুকিয়েছিল, একাকী,ব্যঞ্জন বর্ণের ঘরে, কেউ দেখেনি তাকে;স্বর বর্ণের এই […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ভাষাদিবস উপলক্ষে শ্রীরবি চক্রবর্ত্তী ও শ্রীকলিম খানের সাথে ঐতিহাসিক যে আলোচনা হয়েছিল, তা বাংলা ভাষানুরাগী পাঠকদের জানানোর জন্যই এই প্রয়াস। পুরো আলোচনাটি অনেক দীর্ঘ হবার কারণে আলোচনাটি নবযুগ ব্লগে একসাথে পোষ্ট করলে পাঠকদের কষ্ট হবে বিধায় সেটি ২ পর্ব্বে বিভক্ত করে এখানে পোস্ট করা হলো। সাক্ষাৎকারপর্ব্বে প্রশ্ন করেছেন সর্ব্বশ্রী জয়দেব দাস, রাজু দেবনাথ এবং নারায়ণচন্দ্র দাস।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ভাষাদিবস উপলক্ষে শ্রীরবি চক্রবর্ত্তী ও শ্রীকলিম খানের সাথে ঐতিহাসিক যে আলোচনা হয়েছিল, তা বাংলা ভাষানুরাগী পাঠকদের জানানোর জন্যই এই প্রয়াস। পুরো আলোচনাটি অনেক দীর্ঘ হবার কারণে আলোচনাটি নবযুগ ব্লগে একসাথে পোষ্ট করলে পাঠকদের কষ্ট হবে বিধায় সেটি ২ পর্ব্বে বিভক্ত করে এখানে পোষ্ট করা হলো। সাক্ষাৎকারপর্ব্বে প্রশ্ন করেছেন সর্ব্বশ্রী জয়দেব দাস, রাজু দেবনাথ এবং নারায়ণচন্দ্র দাস।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
প্রত্নতত্ত্ব থেকে এটা অনুমান করা যায় যে, সিন্ধু সভ্যতার রাষ্ট্র-শাসকদের জীবনাচরণ ছিল কঠোরভাবে সংযত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ। বলপ্রয়োগ ও স্বেচ্ছাচারিতা নির্ভর সভ্যতা না হওয়ায় সেখানে শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠানের একটা বড় শর্ত ছিল সম্ভবত সমাজ বা জনগণের নৈতিক আনুগত্য লাভ। এর জন্য শুদ্ধাচার, সংযম, মিতব্যয়ী জীবন যাত্রা ইত্যাদির চর্চা হয়ত শাসকদের জন্য বাধ্যতামূলক ছিল। সে ক্ষেত্রে ব্যাপারটা এমন হতে পারে যে, সমাজ থেকে উঠে এলেও সমাজ বা সাধারণ মানুষদের থেকে শাসক শ্রেণীর কিংবা শাসনের প্রতিষ্ঠানের একটা দূরত্বও থেকে গিয়েছিল। এ সম্পর্কে ধারণা করা দূরে থাক তথ্যের অভাবে এখন পর্যন্ত অনুমান করাও কঠিন। তবু সত্যটাকে ধরবার জন্য আমরা চেষ্টা করে যেতে পারি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
এই ‘দিশা থেকে বিদিশায়’ পড়ার পর আর এক জন ব্যক্তির জীবনেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে – কলিম খানের সহযোগী হিসেবে এঙ্গেলস-এর ভূমিকয় আবির্ভূত হন বিশিষ্ট শিক্ষাব্রতী, ভাষা-বিশেষজ্ঞ ও অধ্যাপক (শ্রীরামপুর কলেজ) শ্রী রবি চক্রবর্ত্তী। আর তারপর থেকে আমরা পেয়ে যাই কলিম খান ও রবি চক্রবর্ত্তীর যুগলবন্দীতে সৃষ্ট একের পর এক রচনাসমূহ – প্রাচ্যের সম্পদ ও রবীন্দ্রনাথ, বাংলা বানান বাংলা ভাষা, বঙ্গীয় শব্দার্থকোষ – প্রথম খন্ড ও দ্বিতীয় খন্ড, অবিকল্পসন্ধান – বাংলা থেকে বিশ্বে, সুন্দর হে সুন্দর, সরল শব্দার্থকোষ ইত্যাদি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
এটা বুঝা যায় সিন্ধু সভ্যতায় কল্পস্বর্গীয় সাম্যবাদ ছিল না। তাহলে সভ্যতা নির্মাণ করা যেত না। কিন্তু প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনাদি দ্বারা এটাও স্পষ্ট যে, সভ্যতায় শ্রেণী বিভাজন ও বৈষম্য থাকলেও ক্ষমতা এবং সম্পদের বৈষম্য খুব বেশী প্রকট বা ভারসাম্যহীন ছিল না। অন্তত নগরগুলির চিত্র থেকে সেটা স্পষ্ট। বাসগৃহের আকার-আয়তনে কিছু পার্থক্য থাকলেও হরপ্পা-মহেঞ্জোদাড়োসহ সব নগরে প্রতিটা মানুষ থাকত ছোট বা বড় যেমন হোক ইটের তৈরী বাড়ীতে। সভ্যতার নিদর্শন থেকে সম্পদের আড়ম্বর কিংবা ক্ষমতার দম্ভ প্রকাশ করে এমন কোনও বিরাটায়তন এবং আকাশচুম্বী নির্মাণ বা মহানির্মাণের চিহ্ন আমরা কোথায়ও দেখি না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন