ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫৩ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
সংস্কৃত ও বাংলা বর্ণমালায় বর্ণগুলির বিন্যাস রাসায়নিক মৌলদের পর্য্যায় সারণীতে মৌলদের বিন্যাসের সঙ্গে তুলনীয়। পর্য্যায় সারণীর যেকোনো মৌল যেমন যেকোনো মৌলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যৌগ গঠন করে না, তেমনি বাংলা বর্ণমালার যেকোনো বর্ণ অন্য যেকোনো বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যুক্তাক্ষর গঠন করে না। এই ব্যাপারে কিছু নিয়মকানুন আছে। বর্ণমালার প্রতিটি বর্ণ এক একটি ক্রিয়াকে প্রকাশ করে, এই টাইমলাইনের নানা নিবন্ধে আমরা তা নিয়ে বলেছি। বর্ত্তমান নিবন্ধে বর্ণমালার রসায়ন ও যুক্তাক্ষরের নিয়ম সমন্ধে আরও কিছু কথা বলছি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
শেখাবো কি করে কামড়ে খেতে হয়
সকালের মিঠে রোদ
শেখাবো পাখিদের বুকের ভেতর
বন্দি করেও তোলা যায় অবরোধ।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
সিঁদুর পরার পেছনের সামাজিক ও ঐতিহাসিক এই সত্যকে উপলব্ধি করে যে নারী সুস্থ সুন্দর দাম্পত্য সম্পর্কের পাশাপাশি সিঁদুরকে বর্জন করেন তিনি অবশ্যই অভিনন্দনযোগ্য। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে এমন মুক্তমনা সচেতন মেয়েকে অভিনন্দন জানানোর চেয়ে আমাদের চারপাশের গড্ডালিকা স্রোতে ভেসে চলা মানুষ তাঁকে সন্দেহের চোখে দেখতে থাকে। সিঁদুর না পরা কোন বাঙালি নারী যখন ইউরোপ-আমেরিকায় যান, তখন তাঁকে এমন নোংরামির মুখোমুখি হতে হয়না। কিন্তু ভারতবর্ষের পরিবেশ-পরিস্থিতিতে একজন মুক্তমনা সিঁদুরহীন নারীকে প্রচণ্ড অপমানিত হতে হয়।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন‘নিজে শিখলেই কিন্তু হবেনা, ছানাপোনাদের-ও শেখাতে হবে‘। আশা করি এই পদ্ধতি সবার কাছেই গ্রহণযোগ্য হবে। এমনকী যে জীবনেও Fibonacci-র নাম শোনেনি সেই সব কচি-কাচাদেরও। গণিত নিয়ে কিছু লেখার চেষ্টা করছি, লিখে যাবো। কিন্তু আপনাদের বাচ্চা-কাচ্চার কাছে উপস্থাপন করার দায়িত্ব আপনারই। অঙ্ক ভালোবাসুন, অঙ্ক ভালোবাসান, অঙ্ক নিয়ে বাঁচুন। গণিত ভীতি দূর হোক।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আমাশয় শব্দে আম মানে আম্রফল নয়, বরং আমিবা দ্বারা বহিত তেজ। শরীরে এক প্রকার আমিবা (আমবাহক?) ঢুকলে আমাতিসার বা আমাশয় (অ্যামিবিয়াসিস) রোগ হয়। ওই আমিবার নাম Entamoeba। এই রোগের চিকিৎসায় মেট্রোনিডাজল (metronidazole) নামের ওষুধ ব্যবহৃত হয়। আমাশয়ের চিকিৎসায় নরফ্লক্সাসিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন ইত্যাদি ওষুধ লাগে না। শেষোক্ত ওষুধগুলি লাগে bacillary dysentery অসুখে, amoebic dysentery-তে নয়। আমাশয় রোগ প্রতিরোধ করতে হলে বাঁধের জল মুখে নেবেন না এবং পায়খানা করে সাবান দিয়ে হাত ধোবেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
যেহেতু আমি একজন নাস্তিক এবং এই পরিচয় নিয়ে কোনো লুকোছাপা করি না, অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করে- তুমি কী ভারতীয় পরম্পরা মানো না? কিংবা ভারতীয় ঐতিহ্য নিয়ে গর্বিত নও? আমি তাদের বলি যে ভারতীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির উত্তরাধিকার নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত এবং আমি তা অতি সোচ্চারে ঘোষণাও করি। তবে আপনি যাকে ভারতের পরম্পরা ও সংস্কৃতি বোঝেন বা মানুষকে বোঝানো হয়, আমার কাছে ভারতীয় ঐতিহ্য সংস্কৃতি ও পরম্পরা তার থেকে অন্যতর যা অত্যন্ত মহান ও আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছ আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন“ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ হামলার নেপথ্যে সরকারি দল ও বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের কমপক্ষে ১৮ নেতা জড়িত। মূলত তাদের ইন্ধনেই একের পর এক পরিকল্পিত এসব হামলার ঘটনা ঘটে। প্রভাবশালী একটি মহলের সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ের ওই নেতাদের সুসম্পর্ক থাকায় স্থানীয় পুলিস প্রশাসনও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে নি। পুলিস ও প্রশাসনের দূরদর্শিতার অভাব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্বের কারণে নাসিরনগরের ঘটনা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এক্ষেত্রে স্থানীয় পুলিস প্রশাসনের গাফিলতি ছিল”।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আজ যারা লিটনকে নিয়ে যৌক্তিক/অযৌক্তিক সমালোচনা করছেন কাল যদি তা আইনের মাধ্যমে ভুল প্রমানিত হয়ে তাহলে কাল মুখ কোথায় লুকাবেন!অন্যদিকে অন্যদিন কোন সত্য কিছু নিয়ে বললেও কিন্তু আপনার সংগঠনকে (ছাত্রলীগকে) এই লিটনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাচ্ছিল্য করবে।সেহেতু সাধু সাবধান।সত্য সবসময় তেতোই হয়,তবে মাঝে মাঝে টক-ঝাল-মিষ্টি সবই হতে পারে।কারণ আমি চাই না,আমার পছন্দের দলের (লীগ) উপর কোন কূদৃষ্টির আচড় লাগুক।এমনি অনেক আচড় লেগে গেছে।আর সেখানে নতুন করে আচড় লেগে ক্ষত সৃষ্টি হোক।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
০ বার পঠিত
১৯৩৮ সালেই গোলওয়ালকর তার ‘উই,অর আওয়ার নেশন ডিফাইন্ড’ নামক বইতে লিখেছিলেন,”হিন্দুস্থানের যারা হিন্দু নন, সেইসব লোকেদের বাঁচবার জন্যে দুটো পথের ভিতরে যে কোনো একটা পথকেই বেছে নিতে হবে। হিন্দুস্থানের অহিন্দুদের হয় হিন্দু সংস্কৃতি এবং হিন্দুভাষাকে মেনে নিতে হবে। তাদের হিন্দু ধর্মশিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। হিন্দুকে মর্যাদা দিতে হবে। হিন্দুকে শ্রদ্ধা করতে হবে। হিন্দু জাতি এবং সংস্কৃতির গৌরবগাঁথা ছাড়া অন্য কোনো ধারণাকে মনের ভিতরেও ঠাঁই দেওয়া চলবে না। তেমন ধারণাকে প্রশ্রয়ও দেওয়া চলবে না। খুব পরিস্কারভাবে বলতে গেলে বলতে হয়, অহিন্দুদের কোনো অবস্থাতেই বিদেশি হয়ে থাকলে চলবে না। তাদের এই বিদেশি হয়ে থাকার প্রবণতাকে এই মুহুর্তেই ছেড়ে দিতে হবে। অন্যথায় এইসব অহিন্দুরা এই দেশ থেকে চলে যেতে পারেন। এইদেশে তাদের থাকার বিন্দুমাত্র প্রয়োজন নেই। এদেশে অহিন্দুদের থাকতে হলে সম্পুর্ণভাবে হিন্দুজাতির অধীনস্থ হয়ে থাকতে হবে। এদেশের কোনোকিছুর ওপরে অহিন্দুদের বিন্দুমাত্র দাবি থাকবে না। অহিন্দুদের বিশেষ কোনো অধিকারও থাকবে না। তাদের বিশেষ কোনো সুবিধা পাওয়ার প্রশ্ন তো আসছেই না। এমনকী তাদের নাগরিক অধিকার পর্যন্ত থাকবে না“।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন