ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫২ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
মনে পড়ে ,তোমার সাথে প্রথম দেখা হয়েছিল ,কুয়োর জলে।নাছোড় বান্দা তুমি,আঁকড়ে ধরেছিলে জোঁকের মত,অনেক চেষ্টা করেও ছিঁড়তে পারিনি সে-বাঁধন।তারপর অনেক কথা……। […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
প্রতিবছর আমাদের দেশে বাংলা একাডেমীসংলগ্ন ‘একুশের বইমেলা’ নামে একপ্রকার বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়। আসলে, এটি একুশের বইমেলা নয়। বরং এটিকে একুশের নাম-ব্যবহার করে কিছুসংখ্যক পুস্তকব্যবসায়ীর ‘রমরমা বই-ব্যবসা’ বলা যেতে পারে। আর এরা একুশে ফেব্রুআরির কথা বলে দেশের সাধারণ মানুষকে নিয়মিত ধোঁকা দিচ্ছে মাত্র। আর এটি কোনোভাবেই আজ একুশের বইমেলা নয়। এটি হলো একুশের নাম বেচে খাওয়ার একটি ধান্দা মাত্র। আর প্রতিবছর ফেব্রুআরি-মাস এলেই বাংলাদেশের একশ্রেণীর ধান্দাবাজ-পুস্তকব্যবসায়ীচক্র নিজেদের স্বার্থহাসিলের ব্যবসা শুরু করে দেয়। আর এইসব প্রকাশক একেবারেই ভণ্ড। এদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো: একুশে ফেব্রুআরির নামটা ব্যবহার করে নিজেদের ফায়দা লোটা। আর তাদের এই লাভ-কারবারির (লভ্যাংশ-লাভের অংশীদার) বাংলা একাডেমী। আর লাভের হিসাব কষতেই এখন এটিকে ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’ বলে বাংলা একাডেমী চাপাবাজি করে থাকে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বাংলা একাডেমীর বইমেলা শুরু হয়েছিলো সৃজনশীল-পুস্তক-প্রকাশনার জন্য। আর একটা সময় বইমেলায় সৃজনশীল-বই-ই প্রকাশিত হতো। এখন দিনকাল বদলে গেছে। অনেক আগাছা-পরগাছাও এখন লেখক হওয়ার জন্য হন্যে হয়ে ছুটছে। লেখক হওয়ার প্রচেষ্টা দোষের কিছু নয়। কিন্তু লেখকের থাকতে হবে মৌলিক-প্রতিভা। কিন্তু এরা চৌর্যবৃত্তিতে পারদর্শী। চুরিই এদের একমাত্র সম্বল। এরা লেখক হওয়ার যোগ্য নয়। তবুও এরা জোড়াতালি দিয়ে লেখক হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। একশ্রেণীর তস্কর এখন লেখক হওয়ার সর্বাত্মক-প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর এদের মদদদাতা হচ্ছে একশ্রেণীর টাকালোভী-প্রকাশক।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
নেদারল্যান্ডস বেড়াতে গিয়ে আমস্টারডামের ক্যানেল ক্রুজ বা নৌবিহারে যাননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আমি যদিও বেড়াতে যাইনি, গেছি বেশ গুরুত্বপূর্ণ কাজে। তবুও ক্যানেল ট্রিপে অংশ নেব না তা তো হয় না। এমনকি আমি চাইলেও ডাচরা ছাড়বে কেন! ক্যানেল ট্রিপ বা ক্যানেল ক্রুজ হলো আমস্টারডামের ঐতিহ্য। সাধে কি আর এই নগরীকে বলা হয় ‘উত্তরের ভেনিস’।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বস্তুজগত বিজ্ঞানের সূত্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, আমাদের শরীর স্থান-কালে অবস্থিত এ বস্তুজগতের অংশ। সুতরাং সূক্ষভাবে বলতে গেলে আমাদের স্বাধীন ইচ্ছা বলে কিছু নেই। কান্টের মতে বস্তু যেমন আছে (থিং ইন ইটসেলফ) তেমনভাবে জানা আমাদের পক্ষে অসম্ভব। অর্থাৎ মানুষের পক্ষে বস্তুর প্রত্যক্ষ জ্ঞান অসম্ভব। জ্ঞানের কতগুলো সূত্রের মাধ্যমে মানুষ বস্তুকে জানতে পারে। এ সূত্রগুলো মানুষ অভিজ্ঞতা-পূর্বরূপে লাভ করে। স্থান-কাল,সম্পর্ক,কার্য-কারণ, অনন্যতা ইত্যাদি মানুষের জ্ঞানসূত্র। পদার্থবিজ্ঞানী আইনস্টাইনের উপরে কান্টের বিশাল প্রভাব ছিল, স্থান-কাল নিয়ে তার দর্শন আইনস্টাইনকে আপেক্ষিকতা তত্ত্ব গঠনে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
এটা আমরা অনুমান করতে পারি যে, সিন্ধু সভ্যতার সমাজ ও রাষ্ট্রের মূল নিয়ন্ত্রণ ছিল উৎপাদন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে উদ্ভূত শ্রেণী বা গোষ্ঠীগুলির হাতে। যেমন বণিক, কারখানা মালিক, ভূমিমালিক, প্রকৌশলী ইত্যাদি পেশা বা বৃত্তির অধিকারী ব্যক্তি এবং গোষ্ঠীসমূহ। এছাড়া সিন্ধু সভ্যতায় বুদ্ধিজীবী বা জ্ঞান ও বিদ্যা চর্চায় নিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সমূহের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ও মর্যাদা ছিল বলে ধারণা করবার কারণ আছে। কারণ আমাদের অনুমান অনুযায়ী সিন্ধু সভ্যতা যদি নদী নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উপর প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে তবে সভ্যতার প্রযুক্তি নির্ভরতার কারণে জ্ঞান চর্চার উপর সভ্যতা তার অস্তিত্বের প্রয়োজনেই সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে বাধ্য ছিল। এবং সেই জ্ঞান চর্চা যে মূলত ধর্মীয় নয় বরং লোকবাদী বা জাগতিক তেমন অনুমান করাই যুক্তিসঙ্গত।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
বেদে শুধু যে স্তোত্র ও ধর্মীয় প্রার্থনা ছিল না, ছিল নানা তার্কিকের কাহিনীর বর্ণনা। ছিল সৃষ্টি ও সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে সংশয়। প্রশ্ন ছিল পৃথিবীর সৃষ্টি নিয়ে, “কেউ কী একে গড়েছিলেন, না কী এটি নিজে নিজেই উঠে এসেছিল” কিংবা “এমন কোনও ঈশ্বর কী আছেন যিনি জানেন প্রকৃতপক্ষে কী ঘটেছিল?”
এ সকল কথা কিন্তু বেদের বিভিন্ন শ্লোকে ছিল সেই দুই সহস্র বছরের অধিককালেই। অধ্যাপক অমর্ত্য সেন এ সংশয় ও প্রশ্নবাদী ঐতিহ্যের কথা তুলে এনে বলতে চেয়েছেন যে, সংশয়বাদ ও যুক্তিবাদের মাধ্যমেই ভারতবর্ষ এগিয়েছে আজকের এ সময়ে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
মূলত সহিংস ও যুদ্ধবাদী ইসলামের বিপরীতে অহিংস ও শান্তিবাদী সিন্ধু সভ্যতাকে স্থাপন করলে সিন্ধু সভ্যতার রাষ্ট্রকে বুঝতে অনেক সুবিধা হবে। আজকের আলোচনার জন্য এইটুকু বলা বোধ হয় সিন্ধু সভ্যতার রাষ্ট্র শাসনের রূপকে বুঝবার জন্য সহায়ক হতে পারে যে, সিন্ধু সভ্যতায় রাষ্ট্র ছিল অনেকাংশে সমাজের ছায়া স্বরূপ। শত শত কিংবা হাজার হাজার বৎসর ধরে ধীর গতিতে ও প্রধানত শান্তিপূর্ণভাবে বিভিন্ন উপজাতি ও জনগোষ্ঠী বা সমাজের ঐক্যের প্রক্রিয়ায় তাদের ভিতর থেকে অভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্তৃত্বের যে রূপ বা কাঠামো গড়ে উঠছিল তা-ই সম্ভবত একটা পর্যায়ে পৌঁছে সিন্ধু সভ্যতায় বৃহত্তর সমাজের নেতৃত্ব এবং রাষ্ট্রের কর্তৃত্বে পরিণত হয়। এখানে সমাজ ও রাষ্ট্রের সীমারেখা হয়ত ছিল অনেকখানি অস্পষ্ট। ফলে উভয়ের কর্তৃত্ব বা এখতিয়ারের সীমানাও।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আপনাদের কি মনে পড়ছে উপন্যাস নয়, বাস্তব কিছু ঘটনা? যেখানে শাহবাগের মোড়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে গাড়ি চাপা দেয় বাস ড্রাইভার। শুধু তাই নয়, তখন বাসটি না থামিয়ে (থামালে মেয়েটি বেঁচে যেত) সে ওর মাথার উপর দিয়ে চাকা উঠিয়ে তাকে দলে-পিষে বেরিয়ে যায়। হেল্পার তখন চালককে বলছিল,
‘টাইনা যান ওস্তাদ, থামায়েননা’।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
০ বার পঠিত
ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যাবে যে, এই ফেব্রুয়ারি মাসেও একসময় ৩০ তারিখ দিনটি ছিলো, অর্থাৎ ৩০ ফেব্রুয়ারি তারিখটির প্রচলন বর্তমানে না-থাকলেও এক সময় এই দিনটির প্রচলন ছিলো পৃথিবীর কোন কোন অঞ্চল বা দেশে!
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন১১৫০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন