ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন২৩৫২ বার পঠিত
ড. জাফর ইকবালকে নিয়ে একজন লিখেছিলেন অনুযোগের সুরে। তার লেখা অনুযায়ী, ড. জাফর ইকবালের অনেক উচ্চকর্ম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গবেষণা রয়েছে, […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
হারিস আর হাসান কি সত্যি বাংলাদেশে এসেছিল? আমার আজকের অনুসন্ধানে আমি নেজেই চমকে গেছি। মনে হল আমি একটা সত্যি থ্রিলার […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
প্রথমেই আমি আপনাদিগকে খুশ খবর দিতেছি। আজ হইতে আমাদের বালকবালিকাদের বিবাহের পথে সকল অন্তরায় দূর হইয়াছে। যাহারা বাল্যবিবাহের নামে জ্বলিয়া উঠিতেন তাহাদের মুখে ছাই নিক্ষেপ করিয়া বাল্যবিবাহ আইন পাশ হইয়াছে। আর কোনো সমস্যা নাই। যাহারা বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে ছিলেন প্রকৃতপক্ষে তাহারা ঈর্ষাকাতর নরনারী। শৈশবে বিবাহের মজা পায় নাই। তাহাদের খালি শুষ্ক বইপুস্তক পড়িতে হইয়াছে। আহা, কত বিলকিছ বেগমের(প্রকৃত নাম নহে) মন কত আবুল–গাবুলকে(প্রকৃত নাম নহে)দেখিয়া আনচান করিয়াছে। কত গাল্টুর মন কত খেদি পেচিকে দেখিয়া আকুল হইয়াছে। কিন্তু অপ্রাপ্ত বয়সে বিবাহ করিয়া পুলিশের হাতে প্যাদানি খাওয়ার ভয়ে নিজেদের সংযত রাখিতে হইয়াছে। নিজেরা ছোটবয়সে বিবাহ করিতে পারে নাই বলিয়া ইহারা এতদিন হিংসায় অস্থির হইয়া বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করিয়াছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
অন্তর্বাস পরা মানুষ কাচের শোকেসের মতো জানালার পিছনে দাঁড়িয়ে আছে। মাঝে মাঝে ইশারা করে কাকে যেন ডাকছে। কেউ চেয়ারে বসা। কেউ নানা রকম অঙ্গভঙ্গীও করছে। বেশিরভাগই নারী। তবে দুচারজন পুরুষও আছে। কারা এরা? আমি তখনও অন্ধকারে। কারেন আমাকে বুঝিয়ে বললেন, এরা সব সেক্স ওয়ার্কার। এটি হল্যান্ডের এবং শুধু হল্যান্ডের নয়, ইউরোপরে সবচেয়ে বড় ব্রোথেল এলাকা। এ কারণেই তার স্বামী লাইলাকে নিয়ে এখানে আসেনি। লাইলার মনে নানা রকম প্রশ্ন জাগবে। সেসব প্রশ্নের জবাব দিতে বিব্রত হতে হবে তাদের। মিয়া ছোট্ট। ও কিছু বুঝবে না।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
১৯৪৮ সালের আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার এবং আরও অন্য শহীদদের আত্মত্যাগ বাংলাকে পৌঁছে দিয়েছে অনন্য উচ্চতায়। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি স্বাধীনতা। গঠন করেছি স্বাধীন বাংলাদেশ। বাংলা আমাদের রাষ্ট্রভাষা হয়েছে। এজন্য আমরা গর্বিত। কিন্তু একটা কথা আমরা প্রায়শই ভুলে যাই, বাংলাদেশে শুধু বাঙালিরাই নয়, এদেশে কিন্তু অনেক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষও বসবাস করে। চাকমা, মারমা, গারো, মং, মুরং, তঞ্চঙ্গ্যা, পাংখোয়া, ত্রিপুরা, মণিপুরী, লুসাই, খেয়াং, সাঁওতাল, মুন্ডা, ওঁরাও, কোচ, খুমি, মান্দাই, খাসিয়াসহ অনেক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী আমাদের দেশে আছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব মতে ২৭টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি বাংলাদেশে রয়েছে।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
এই বর্বর আক্রমণের ঘটনায় সারা বিশ্বের প্রগতিশীল মানুষ ভীষণভাবে মর্মাহত হয়েছে। জাতিসংঘ থেকে এক বার্তায় এই ঘটনাকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সাথে তুলনা করে নিন্দা করা হয়েছে। এই হামলার প্রতিবাদ আর নিন্দা জানায় দেশ-বিদেশের মানবাধিকার আর প্রগতিশীল সংগঠনগুলো।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন৯৭৮ বার পঠিত
সাম্প্রতিককালে আমাদের দেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্নস্থানে সংখ্যালঘুসম্প্রদায় তথা হিন্দুসম্প্রদায়ের উপর অতি জঘন্য হামলাপরিচালনা করেছে এদেশেরই মুসলমান নামধারী একশ্রেণীর কুলাঙ্গার। তখন কিন্তু এই ‘রোহিঙ্গা-নির্যাতন’ নিয়ে সরবগোষ্ঠী একেবারে নীরব ও নিশ্চুপ ছিল। এখন এরাই ধান্দাবাজির উদ্দেশ্যে রোহিঙ্গা-নির্যাতন নিয়ে অপরাজনীতির উদ্দেশ্যে ব্লগে, টুইটারে, ফেসবুকে ইত্যাদিতে ইনিয়েবিনিয়ে, বানিয়েটানিয়ে, আবোলতাবোল, আলতুফালতু, আজেবাজে ছবি ছাপিয়ে তা মিয়ানমারের রোহিঙ্গা-নির্যাতন বলে চালাতে চাইছে। আর এব্যাপারে দেশবিরোধী একটি গোষ্ঠী তো সদাতৎপর। ১৯৭১ সালেও এরা পাকিস্তানের পক্ষে আবোলতাবোল সংবাদপরিবেশনে ব্যস্ত ছিল।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
হেফাজতে শয়তানের জন্ম ১৯৭১ সালে। সেই সময় হেফাজতে ইসলাম ওরফে হেফাজতে শয়তান পাকিস্তান-আর্মিদের পক্ষ নিয়ে সরাসরি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো। হেফাজতে শয়তানের আমির শাহ আহমেদ শফী একাত্তরের একটা চিহ্নিত-যুদ্ধাপরাধী। আর সে আজন্ম-আমৃত্যু পাকিস্তানের দালাল। ১৯৭১ সালে, হেফাজতে শয়তানের প্রধান ঘাঁটি ছিল দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রাসা। এদের নেতৃত্বে সেই সময় এখানে আরও একটি দেশবিরোধীসংগঠনের জন্ম হয়েছিলো। এর নাম মুজাহিদবাহিনী ওরফে পাকিস্তান-মুজাহিদবাহিনী। আজকের হেফাজতে শয়তানের আমির শাহ আহমেদ শফী ছিল এই মুজাহিদবাহিনীর প্রধান।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
কে যেন বলেছিলেন, জনাবা । মনে নেই । উত্তরে স্যার বলেছিলেন, অশ্লীল শব্দটি অবলীলায় বাংলার শিক্ষিত মুসলমানরা ব্যবহার করে […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
আকাশ মালিক কিছুদিন যাবত তাঁর গবেষণার ফল ‘হিন্দুধর্মের ইতিবৃত্ত’ নামে লম্বা সিরিজে প্রকাশ করছিলেন। আকাশ মালিক একজন বিখ্যাত ধর্ম-গবেষক, তাই তাঁর লেখায় বেশ কিছু অংশ বোধগম্য না হলেও আশায় ছিলাম যে আগামী পর্বগুলিতে সম্ভবত তিনি সেই সমস্যাগুলির সমাধান দিতে পারবেন। সম্প্রতি তাঁর সিরিজটি সমাপ্ত হওয়ায় সে সম্ভাবনা আর থাকছে না। তাই ঐ লেখাটি বিষয়ে আমার মনে যেসব সংশয়ের উদয় হয়েছে সেগুলি জনসমক্ষে পেশ করছি। আশা রাখি পন্ডিত ব্যক্তিরা সমবেতভাবে সেগুলির সমাধান করে দেবেন।
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
আর কোন্ সভ্যতা প্রধানত নির্দয়তা, জবরদস্তি, যুদ্ধ ছাড়া প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং টিকে থেকেছে? মিসর, মেসোপটেমিয়া, চীন? আরও পরবর্তী কালের গ্রীস অথবা রোম? কিংবা আমেরিকা মহাদেশের দিকে দৃষ্টি দেওয়া যাক। সেখানে নিয়মিত যুদ্ধের উপর প্রতিষ্ঠিত আজটেক, মায়া, ইন্কা সভ্যতার দেবতাদের রক্ত পিপাসা মিটাবার জন্য ছিল মানুষ হত্যার নিয়মিত আয়োজন। প্রতি বছর শত শত মানুষকে বন্দী করে এনে দেবতাদের বেদীতে হত্যা করা হত নিষ্ঠুর কায়দায়। কখনও কোনও উপলক্ষ্যে নরহত্যার সংখ্যা হাজার হাজার হত। বুঝাই যায় অগণিত মানুষের রক্ত, অশ্রু আর ঘামে সিঞ্চিত হয়ে এই সব সভ্যতার যাত্রাপথ নির্মিত হয়েছে। এগুলি থেকে সিন্ধু সভ্যতা কত ভিন্ন!
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন
০ বার পঠিত
সনাতন হিন্দু ধর্মালম্বী দের বিশেষ একটি রাত্রির নাম শিব রাত্রি । এদিন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন শিবের মাথায় ফুল বেল পাতা […]
সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ুন০ বার পঠিত
ই-মেইলে যোগাযোগ করুন